নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুধ মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আল ঊলা আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছুওয়াইবাহ্ আলাইহাস সালাম) উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ (সন্তান) হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত মাসরূহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুগ্ধ মুবারক পান করান, বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক্ব যিনি মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اِنَّـمَا يُرِيْدُ اللهُ لِيُذْهِبَ عَنْكُمُ الرِّجْسَ اَهْلَ الْبَيْتِ وَيُـطَـهِّـرَكُمْ تَطْهِيْرًا
অর্থ: “হে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম! (অর্থাৎ খাছ করে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম) নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি চান আপনাদের থেকে সমস্ত প্রকার অপবিত্রতা দূর করে আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে। অর্থাৎ তিনি আপনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি মুবারক করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফাত্হ মুবারক আগুনে রাখা হলেও কিছুই হতো না:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
وأنه إذا وقع شيء من شعره في النار لا يحترق
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ফাত্হ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চুল মুবারক) যদি আগুনে রাখা হতো, তাহলে কখনও পুড়তো না।” সুবহানাল্লাহ! (আস সীরতুল হালাবিয়্যাহ্ ২/৪১১-৪১২)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল হুদা মুবারক উনার মধ্যে উকুন ছিলো না:
বিভিন্ন কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
لم يكن فيه قمل لأنه نور ولأن أصله من العفونة ولا عفونة فيه
অর্থ: “নূরে মুজ বাকি অংশ পড়ুন...
(গতকালের পর)
(২৭) মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত রিযিক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে বা হাত মুবারকে সোপর্দ করে দিয়েছেন এবং জাহির-বাতিনের যাবতীয় তরবিয়ত ও শক্তি দান করেছেন।
(২৮) বিভিন্ন যুদ্ধ ক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতের আনজাম দানে সরাসরি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে প্রেরণ করা হয়েছে।
(২৯) মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ‘রহমতুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلَا وَاَنَا حَبِيْبُ اللهِ وَلَا فَخْرَ وَاَنَا حَامِلُ لِوَاءِ الْـحَمْدِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ تَـحْتَهٗ حَضْرَتْ اٰدَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَمَنْ دُوْنَهٗ وَلَا فَخْرَ
সাবধান! আমি হচ্ছি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব, এতে আমার কোনো ফখর নেই। ক্বিয়ামতের দিন আমিই সম্মানিত প্রশংসা মুবারক উনার পতাকা মুবারক বহনকারী হবো। আবুল বাশার সাইয়্যিদুনা হযরত ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনিসহ অন্যান্য সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা সেই সম্মানিত প বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَإِنْ تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا.
অর্থ: “আর যদি তোমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইত্তিবা’ তথা অনুসরণ-অনুকরণ করো, তাহলেই তোমরা সম্মানিত হিদায়াত মুবারক লাভ করবে।” সুবহানাল্লাহ! (সূরা নূর শরীফ : আয়াত শরীফ ৫৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
(গতকালের পর)
(১৫) সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সামনের দিকে যেমন দেখতে পেতেন ঠিক তেমনি পিছনের দিকেও দেখতে পেতেন। দিনের আলোতে যেরূপ দেখতে পেতেন, রাতের অন্ধকারেও তদ্রƒপ দেখতে পেতেন। তিনি পাথরের উপর দিয়ে হাঁটার সময় উনার নূরুদ দারাজাত (ক্বদম) মুবারকের ছাপ পাথরের উপর অংকিত হতো।
(১৬) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লালা মুবারক লোনা পানিকে মিঠা পানিতে পরিণত করে দিত এবং দুগ্ধ পোষ্য শিশুর বেলায় দুধের প্রয়োজন মিটা বাকি অংশ পড়ুন...












