রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছ-এ কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “বান্দা-বান্দীরা নফল বা সুন্নত মুবারক প বাকি অংশ পড়ুন...
ফরজ থেকে অতিরিক্ত যে ইলিম রয়েছে, তা সকলের জন্য নয়। তা ব্যক্তি বিশেষের জন্য, অর্থাৎ ব্যক্তি বিশেষকে ফরজের অতিরিক্ত ইলিম দিতে হবে। অন্যথায় সে ইলিমের অপব্যবহার করবে। যার ফলশ্রুতিতে সে নিজেও গোমরাহ হবে, মানুষকেও সে গোমরাহ করবে। যা হয়েছে অতীতে, বর্তমানে হচ্ছে, সামনে হবে। অপাত্রে ইলিম দান করলে সে তার অপব্যবহার করবে। যার ফলশ্রুতিতে সে নিজেও গোমরাহ হবে, মানুষকেও গোমরাহ করবে।
এ প্রসঙ্গে বলা হয় যে, হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি খুব পরহেযগার ও মুত্তাক্বী ছিলেন, যেটা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। পূর্ববর্তী যামানায় প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
৩-৪. সম্মানিত ইজমা শরীফ ও সম্মানিত ক্বিয়াস শরীফ:
আল্লামা হযরত ইমাম আবুল ক্বাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে মানছূর আত্ ত্ববারী আল আযদী আল লালাকায়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩১৮ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘শরহু উছূলি ই’তিক্বাদি আহ্লিস্ সুন্নাতি ওয়াল জামা‘আহ্’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
أُتِيَ الْمَأْمُونُ بِالرَّقَّةِ بِرَجُلَيْنِ شَتَمَ أَحَدُهُمَا النور الرابعة سيدتنا حضرت الرهراء عليها السلام وَالْآخَرُ ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام فَأَمَرَ بِقَتْلِ الَّذِي شَتَمَ النور الرابعة سيدتنا حضرت الرهراء عليها السلام وَتَرَكَ الْآخَرَ فَقَالَ حضرت إِسْمَاعِيلُ رحمة الله عليه مَا حُك বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ জন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক-এ তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, মহাসম্মানিত ও উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি তনি হচ্ছেন ‘আছ ছালিছাহ্ অর্থাৎ তৃতীয়’। সুবহানাল্লাহ! তিনি সকলের মাঝে ‘উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম’ হিসেবে পরিচিত। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খ বাকি অংশ পড়ুন...
রিয়াজত-মাশাক্কাত:
একবার সাইয়্যিদুল আওলিয়া, মাহবূবে সুবহানী, গাউছুল আ’যম, আওলাদে রসূল, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার মুরীদদের একটি ঘটনা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন- “একবার আমি নির্জনে একাকী অবস্থান করছিলাম। এমন সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি আমার কাছে এসে বললেন, আমাকেও আপনার সাথে থাকার অনুমতি দান করুন। আমি বললাম, ঠিক আছে। ওই ব্যক্তি বললেন, একটি শর্তে যে, আপনি আমার আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করবেন না। আমি বললাম, ঠিক আছে, আমি কোনমতেই আপনার আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করবো না। ওই ব্যক্তি বললেন, আচ্ছা; আপনি এখানেই অবস্থান করুন আমি এখনই আসছি, আর আমার বাকি অংশ পড়ুন...
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান, ইত্যাদি)
বাকি অংশ পড়ুন...
বাতিল ফিরকার লোকেরা বলে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা বিদয়াত। নাউযুবিল্লাহ। অথচ তারা স্বল্প জ্ঞানের কারনে অনেক দলীলই খুঁজে পায় না। এমন হাদীছ শরীফ আছে যার থেকে প্রমাণ হয় স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার নিজের সম্মানিত মীলাদ শরীফ উনার আলোচনা করেছেন। হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عن ام المؤمنين الثالثة سيدتنا حضرت الصديقة عليها السلام قالت : تذاكر رسول الله صلى الله عليه و سلم وأبو بكر ميلادهما عندي وكان رسول الله صلى الله عليه و سلم أكبر من أبي بكر فتوفي رسول الله صلى الله عليه و سلم وهو ابن ثلاث وستين [ وتوف বাকি অংশ পড়ুন...
আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মদীনা শরীফে হিজরত করে যাওয়ার পর দেখতে পেলেন, সেখানকার অধিবাসীরা জাহেলী যুগ হতে দুটি দিন খেলাধূলা ও তামাশায় মেতে উঠে। আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই দুই দিনের পরিবর্তে দুটি ঈদের প্রবর্তন করেন। অর্থাৎ ঈদের মূল কনসেপ্ট হচ্ছে খেলাধূলার বিরুদ্ধে। [সূত্র: সুনান আবূ দাউদ: ১১৩৪]।
কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, বর্তমান সময়ে এক শ্রেণীর ‘ভাইরাল হুযূর’ সেই জাহেলী যুগের মত ঈদের দিন খেলাধূলায় মত বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের মধ্যে এখন ভাত-কাপড় আর বউ-বাচ্চার চিন্তা খুব প্রবল। দিনের বেশিরভাগ সময় সেই কাজে ব্যয় হয় তার। যদিও সে কাজে তার পুরো সময় লাগে না। আরো কিছু সময় অবশিষ্ট থাকে। সেই অবশিষ্ট সময়টা সে নফসকে পরিতৃপ্ত বা এন্টারটেইনমেন্ট দেয়ার জন্য ব্যয় করে। এজন্য দ্বীন ইসলাম বা মুসলিম উম্মাহের স্বার্থে কাজ করার জন্য তার আর সময় অবশিষ্ট থাকে না।
বর্তমানে দৃশ্যত প্রাকটিসিং মুসলিমের সংখ্যা কম নয়, কিন্তু ইসলাম ও মুসলমানের স্বার্থে কাজ করার লোকের বড্ড অভাব। অনেকের চিন্তা-চেতনা পুরোটাই ব্যক্তি কেন্দ্রীক, সামষ্টিক বা কালেকটিভ নেই বললেই চলে। অন বাকি অংশ পড়ুন...












