সুওয়াল:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারকে পবিত্র কুরবানী দেয়ার হুকুম সম্পর্কে জানতে চাই।
জাওয়াব:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ رَاَيْتُ حَضْرَتْ عَلِيًّا عَلِيْهِ السَّلَامُ يُضَحِّى بِكَبْشَيْنِ فَقُلْتُ لَهُ مَا هٰذَا فَقَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَوْصَاِنْى اَنْ اُضَحِّى عَنْهُ فَانَا اُضَحِّى عَنْهُ.
অর্থ : “হযরত হানাশ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে দুটি দুম্বা কুরবানী করতে দেখ বাকি অংশ পড়ুন...
মেছালস্বরূপ বলা হয়, হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করেছেন। উনাদের ফযীলত বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন-
اِتَّبِعُوا مَنْ لَا يَسْأَلُكُمْ أَجْرًا وَهُمْ مُهْتَدُونَ
“তোমরা এমন ব্যক্তিদেরকে অনুসরণ করো, যারা কোন বিনিময় গ্রহণ করেন না; وَهُمْ مُهْتَدُونَ অথচ উনারা হিদায়েতপ্রাপ্ত।”
এটা নবীদের জন্য খাছ। সমস্ত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনারা বিনা বিনিময়ে, কোন কিছু গ্রহণ না করে, উনারা মানুষকে হিদায়েতের কথা বলেছেন। হিদায়েতের বাণী পৌঁছিয়েছেন, কোন বিনিময় গ্রহণ করেননি। এটা হচ্ছে নবীদের জন্য খাছ।
এখন সেই আয়াত শরীফের উপর যদি কেউ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত তাবেঈনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারাও মূর্তি ধ্বংস করেছেন
দলীল
এ ছাড়াও উমাইয়া শাসক ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিকের শাসনকালে মুসলিম ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি বিশিষ্ট তাবেয়ী হযরত কুতাইবা ইবনে মুসলিম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি জিহাদ ও সন্ধির মাধ্যমে মুশরিকদের নিকট থেকে সমরকন্দ বিজয় করেন। উক্ত শহরে একটি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক এবং মিম্বার তৈরির পর তিনি শহরে প্রবেশ করেন।
فَصَلّٰى فِـى الْمَسْجِدِ وَخَطَبَ وَتَـغَدّٰى وَاُتِـىَ بِالْاَصْنَامِ الَّتِـىْ لَـهُمْ فَسُلِـبَتْ بَـيْـنَ يَدَيْهِ وَاُلْقِيَتْ بَـعْضُهَا فَـوْقَ بَـعْضٍ حَتّٰـى صَارَتْ كَالْقَص বাকি অংশ পড়ুন...
৬৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে এক সাথে গোসল মুবারক نُوْرُ النِّسْبَةِ الْعَظِيْمِ شَرِيْفٌ নূরুন নিস্বাতিল ‘আযীম শরীফ
৬৮ মাসিক স্বাভাবিক অসুস্থতা نُوْرُ الشَّاْنِ الشَّهْرِيَّةُ مُبَارَكٌ নূরুশ শা’নিশ শাহ্রিইয়্যাহ্ মুবারক
৬৯ আওলাদ হলে যে অসুস্থতা نُوْرُ الشَّاْنِ السَّنَوِيَّةُ مُبَارَكٌ নূরুশ শা’নিস সানাওইয়্যাহ্ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে যারা বাতিল, দ্বয়ীফ, মুনকার ও মাতরূক বলেছে তাদের দাবী অশুদ্ধ হওয়ার দলীল
১০ম দলীল
আল্লামা হযরত ইমাম ইবনে আবিদ দুনইয়া কুরাইশী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২৮১ হিজরী শরীফ) তিনি স্বীয় কিতাবে ছহীহ সনদে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা বর্ণনা করেছেন।
১১তম দলীল
হযরত ইমাম আবূ জা’ফর ত্বহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩২১ হিজরী শরীফ) তিনি স্বীয় কিতাবে ছহীহ সনদে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা বর্ণনা করেছেন।
১২তম দলীল
আল্লামা হযরত ইমাম ইবনে আইমান রহমতুল্লাহি আলাই বাকি অংশ পড়ুন...
কুরবানী সংক্রান্ত সমস্ত হাদীছ শরীফই ছহীহ
উছূলে হাদীছ শরীফ সম্পর্কে যাদের প্রাথমিক ধারণা আছে তারাও জানে যে, কোনো দুর্বল হাদীছ শরীফ উনার সমর্থনে যদি ছহীহ হাদীছ শরীফ পাওয়া যায়, তাহলে সেই হাদীছ শরীফও ছহীহর আওতাভুক্ত হয়ে যায়, আর দুর্বল থাকেনা। সেই হিসেবেও পবিত্র ওছিয়ত কুরবানী সম্পর্কিত সমস্ত পবিত্র হাদীছ শরীফই ছহীহ। কেননা এই সংক্রান্ত পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ উনাদের সমর্থনে ছহীহ হাদীছ শরীফ বিদ্যমান রয়েছে।
১ম দলীল
ইমামুল মুহাদ্দিছীন, হাফিযুল হাদীছ হযরত ইমাম হাকিম নিশাপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৪০৫ হিজরী) তিনি যেই পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلٰى تِجَارَةٍ تُنْجِيْكُم مِّنْ عَذَابٍ أَلِيْمٍ . تُؤْمِنُوْنَ بِاللهِ وَرَسُوْلِهٖ وَتُجَاهِدُوْنَ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ بِأَمْوَالِكُمْ وَأَنْفُسِكُمْ ۚ ذٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِنْ كُنتُمْ تَعْلَمُوْنَ.
অর্থ: হে ঈমানদারগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন একটা ব্যবসার কথা বলে দেবো, যা তোমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে মুক্তি দিবে? তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের উপর পবিত্র ঈমান আনবে এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় মাল ও জান দিয়ে জিহাদ করবে। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বাকি অংশ পড়ুন...
কাফিররা যতই মাল-সম্পদ খরচ করুক না কেন, তারা মুসলমানদের নিকট পরাস্ত ও পরাজিত হবেই হবে
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ لِيَصُدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ فَسَيُنْفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً ثُمَّ يُغْلَبُونَ وَالَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ يُحْشَرُونَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা কাফির তারা তাদের মাল-সম্পদ খরচ করে মুসলমানদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তা থেকে ফিরিয়ে রাখার জন্য। আর অচিরেই তারা পর্যায়ক্রমে (কিয়ামত পর্যন্ত) খরচ করতেই থাকবে। তারপর সেটাই তাদের জন্য আফসুসের কারণ হবে। অতঃপর তারা পর বাকি অংশ পড়ুন...
কাফিল পাদ্রীর ভয়াবহ পরিণতি:
অতঃপর আনুষ্ঠানিকভাবে রিসালাত মুবারক প্রকাশের পর একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র কা’বা শরীফ তাওয়াফ করছিলেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য গুঁই সাপ রূপী কাফিল পাদ্রী আবূ কুবায়েছ পাহাড় থেকে নেমে কাট্টা কাফির আবূ জাহিলের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে হঠাৎ আবূ জাহিল ঘর থেকে বের হয়ে দেখলো একটি বড় গুঁই সাপ। সে একটি লাঠি নিয়ে গুঁই সাপটিকে পিটিয়ে মেরে ফেললো।
অতঃপর বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত তারিক বিন জিয়াদ রহমতুল্লাহি আলাইহি অত্যাচারী খৃস্টান শাসক রডারিককে পরাজিত করে আইবেরীয় উপদ্বীপে (স্পেন ও পর্তুগাল) মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা মুসলিম স্পেনকে আন্দালুসিয়া বা আল-আন্দালুস নামে অভিহিত করে থাকেন।
মুসলিম শাসনামলে স্পেন হয়ে ওঠে জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র। সভ্যতা-সংস্কৃতির অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয় সে সময়; বরং স্পেন হয়ে ওঠে সমগ্র ইউরোপের জন্য সভ্যতার বাতিঘর। ‘দ্য মুরস ইন স্পেন’ গ্রন্থে লেখা হয়েছে, ‘মুরদের শাসনামলে স্পেনে শিল্পকলা, সাহিত্য ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যে উন্নতি সাধিত হয়েছিলো ইউরোপ বাকি অংশ পড়ুন...












