সউদি আরব যেভাবে যিলক্বদ মাস গণনা করছে তাতে এটা সহজেই বোঝা যাচ্ছে, আগামী ২৭শে মে, মঙ্গলবার হবে তাদের ২৯শে যিলক্বদ অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের চাদ তালাশের দিন। আর তাদের উম্মুল কুরা ক্যালেন্ডারে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসের শুরু আগাম দেখানো আছে ২৮ মে, বুধবার থেকে।
এটা সকলেরই জানা, হিজরী সনের প্রতিটি মাস শুরু হতে হবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে। চাঁদ দেখা গেলে মাসটি ২৯ দিনে গুনতে হবে আর দেখা না গেলে মাসটি ৩০ দিনে পূর্ণ করতে হবে। এটি সম্মানিত হাদীছ শরীফ দ্বারা সমর্থিত এবং সকল মাযহাবে মাস শুরুর ক্ষেত্রেই এই ফতওয়াই প্রদান করা হয়েছে।
বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
হুয়াঈ ইবনে আখতাব কর্তৃক ইহুদী কা’ব ইবনে আসাদকে প্ররোচনা:
অবশেষে ইহুদী কা’ব নত হয়ে গেলো। হুয়াঈ তাকে এই শর্তে রাজি করতে সক্ষম হলো যে, কুরাইশ ও গাতফানরা যদি মুসলমানদের কিছু করতে না পারে, ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায় তবে হুয়াঈ কা’বের দুর্গে প্রবেশ করবে এবং তার সাথে একই ভাগ্য বরণ করে নিবে। নাউযুবিল্লাহ! এভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাথে ইহুদী কা’ব ইবনে আসাদ এর সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেলো। (সীরাতে ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি)
কা’ব ইব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনার আলোকে দুইজনের ফতওয়ার সাথে বিপরীত বা পরস্পর বিরোধী হলে, তাদের দুই জনের বাহ্যিক আমলকে যাঁচাই করা ও তল্লাশী করা ফরয। তা হলো-
১। প্রথমেই তাদের দুই জনের, কে ফাসিক ও কে মুত্তাক্বী এটা বের করতে হবে। কেননা ফাসিকের ফতওয়া মান্য করা হারাম, আর মুত্তাক্বী বা পরহেযগার উনার ফতওয়া গ্রহণ করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
ان الله لا يهدى القوم الفاسقين ـ
অর্থাৎ নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ফাসিক সম্প্রদায়কে সঠিক পথে পরিচালিত করেন না। (পবিত্র সূরাতুল মুনাফিকূন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬)
যে বা যারা ফরজ, ওয় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের আযান ও ইকামত নেই:
পুরুষরা আযান ও ইকামত দ্বারা নামায আদায় করবেন। আর মহিলাদেরকে আযান ও ইকামত ব্যতিতই নামায আদায় করতে হবে। কেননা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আযান ও ইকামত ছাড়াই নামায আদায় করেছেন। পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُنَّا نُصَلِّي بِغَيْرِ إِقَامَةٍ
অর্থ: আমরা ইকামত ছাড়াই নামায আদায় করতাম। ’ (সুনানে বায়হাকী ২/১১৭)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
لَيْسَ عَلَى النِّسَاءِ أَذَانٌ وَّلَا إِقَامَةٌ
অর বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَسَرَتْ عَلَيْهِ حَاجَةٌ فَلْيُكْثِرْ بِالصَّلَاةِ عَلَيَّ فَإِنَّهَا تَكْشِفُ الْـهُمُوْمَ وَالْغُمُوْمَ وَتَكْثُرُ الْأَرْزَاقَ وَتَقْضِى الْـحَوَائِجَ
অর্থ: কারো জন্য কোন বিষয় যখন কঠিন হয়ে যায়, তখন সে যেন আমার প্রতি বেশি বেশি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করে। কেননা, পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা বিদূরিত হয়, রিযিক বৃদ্ধি পায় এবং প্রয়োজনসমূহ পূরণ হয়। সুবহানাল্লাহ! (আল ক্বওলুল বাদী’)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-
اِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِـيْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمٰوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ.
অর্থ: নিশ্চয়ই যিনি খ¦ালিক্ব, যিনি মালিক মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে আসমান ও যমীন সৃষ্টির শুরু থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার কিতাবের মধ্যে মাসের সংখ্যা বারোটি করা হয়েছে। তারমধ্যে চারটি মাস হচ্ছে পবিত্র। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ নং-৩৬)
উপরোক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় চারটি হারাম মাস সম্পর্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক: একটি জিহাদের সময় হযরত ছাবাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা একটি সামুদ্রিক মাছ কুদরতী রিযিক হিসেবে পেয়ে সেটা গ্রহণ করেন। এবং জিহাদ শেষে উনারা তার একটি অংশ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে পেশ করলেন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তা থেকে খেলেন। ” সুবহানাল্লাহ!
সুন্নতী খাদ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরণের সুন্নতী সামগ্রী পেতে যোগাযোগ করুন-
আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র, সাইয়্যিদু বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের আয়তন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, কারণ পদ্মা, মেঘনা ও বদ্বীপ অঞ্চলে বিগত বছরগুলোতে প্রায় ৫০ টিরও বেশি দ্বীপ জেগে উঠেছে। আর এগুলো মিলে হিসাব করলে গোটা শ্রীলঙ্কার চেয়ে বড় ভূখ- পাচ্ছে বাংলাদেশ। যা ইতোমধ্যেই মানুষের বসবাস উপযোগী। এর ফলে এই দিক থেকে বাংলাদেশের আয়তন বেড়ে গিয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে আয়তন বেড়ে চলেছে। এর কারণ হল বাংলাদেশ উপকূল অঞ্চলে অনেক বেশি দ্বীপ জেগে উঠেছে এবং সেই কারণেই বাংলাদেশের আয়তন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশকে অকাতরে জমি দিচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক। দ্বীপ চর ক বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দেশে মোট ব্যবহূত জমির পরিমাণ ২২৬ কোটি ৫১ লাখ ৭৪ হাজার শতক। পরিবারপ্রতি জমির পরিমাণ প্রায় ৮২ শতক। এসব জমির মধ্যে বসতবাড়ি, পুকুর, স্থায়ী ফসলি জমি, অস্থায়ী ফসলি জমির পাশাপাশি পতিত জমিও রয়েছে। এর মধ্যে পতিত জমি রয়েছে দ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মোবাইল নেটওয়ার্ক খাতে ফাইভজি এখন অন্যতম আলোচ্য বিষয়। এছাড়া আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই), মেশিন টু মেশিন (এমটুএম) লার্নিং, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) আলোচনায় রয়েছে। এসবের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে শঙ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অন্তর্র্বতী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর গত আট মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্খিত উন্নতি হয়নি; বরং দিন দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। তাতে ব্যবসায়ীরা সবাই ভয়ে আছেন। এ অবস্থায় ছিনতাই-চাঁদাবাজির আতঙ্ক থেকে মুক্তি চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বাণিজ্য সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় গত বুধবার এ কথা বলেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা নিয়ে মতিঝিলে চেম্বার ভবনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চাঁদা বাকি অংশ পড়ুন...












