নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে সাথে নিয়ে গরুর গোস্ত খেয়েছে।এ বিষয়ে ‘ক্বেত‘ঈ নস’ থেকে দলীল
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا قَدِمَ المَدِينَةَ نَحَرَ جَزُورًا أَوْ بَقَرَةً
অর্থ: “হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব নূরে মুজাস বাকি অংশ পড়ুন...
যা মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র বলেছেন-
وَمَنْ يُّطِعِ اللهَ وَرَسُولَهُ وَيَخْشَ اللهَ وَيَتَّقْهِ فَأُولَئِكَ هُمُ الْفَائِزُونَ
এর অর্থ হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা যারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতায়াত করবে, মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করবে, গুণাহ্ থেকে বেঁচে থাকবে তারা বিরাট কামিয়াবী হাছিল করবে। ”
এর তাফসীরে একটা ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে একটা ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফে উল্লেখিত إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا উনার দ্বারা মহিলাদের জন্য হাত, পা ও চেহারা খোলা রেখে বের হওয়ার কথা মোটেও বুঝানো হয় নাই তার প্রমাণ (৩য় অংশ):
সিলসিলাতুত তাফসীর লি-মুছত্বফা আদওয়া-১১তম খ-, ৩৫পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে-
وَلا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا- لأهل العلم في ذلك أقوال: أقوى هذه الأقوال من ناحية السند وصحته قول حَضْرَتْ عبد الله بن مسعود رضي الله تعالى عنه أنه قال: (إن هذه الزينة هي الرداء والثياب) فمن شأن العرب أن نساءهم كن يلبسن العباءة السوداء وتحتها ثوب ملون، فأحياناً يظهر ذيل الثوب الملون من أسفل العباءة، ويشق على المرأة ستره، فهذا الذي فسر به حَضْرَتْ ابن مسعود رضي الله تعالى عنه الآية-
অর্থ: পবিত্র সূরা নূর শরীফে মহ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِى الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّهٗ مَرَّ مَعَ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِلٰى بَيْتِ عَامِرِ الاَنْصَارِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَكَانَ يُعَلِّمُ وَقَائِعَ وِلَادَتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِاَبْنَائِهٖ وَعَشِيْرَتِهٖ وَيَقُوْلُ هٰذَا الْيَوْمَ هٰذَا الْيَوْمَ فَقَالَ عَلَيْهِ الصَّلٰوةُ وَالسَّلامُ اِنَّ اللهَ فَتَحَ لَكَ اَبْوَابَ الرَّحْـمَةِ وَالْمَلائِكَةُ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ لَكَ مَنْ فَعَلَ فِعْلَكَ نَـجٰى نَـجٰتَكَ.
অর্থ : হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান যে মানুষকে নেক সুরতে ধোঁকা দেয়, এ বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করেছিল শয়তানের অনুচর ইহুদী এবং খ্রিষ্টানরা। মুসলমানদের সোনালী যুগ এসেছিল শুধু ইসলামের পরিপূর্ণ অনুসরণের ফলে। শয়তানের চর ইহুদী খ্রিষ্টানরা বুঝতে পেরেছিল মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, সংঘাত সৃষ্টি করতে পারলেই ইসলামের জাগরণ এবং বিশ্বশক্তি হিসেবে মুসলমানদের উত্থান ঠেকানো যাবে। আর তা করতে হবে ইসলামের মধ্যে ইসলামের নামে নতুন মতবাদ প্রবেশ করিয়ে। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা; যার মূলে থাকে খ্রিষ্টীয় ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ। জন্ম হয় ওহাবী মতবাদের। ওহাবী মতবাদ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “প্রতিটি রোগের ওষুধ আছে, যখন রোগ অনুযায়ী ওষুধ মিলে যায় তখন মহান আল্লাহ পাক উনার ইচ্ছায় রোগ ভালো হয়ে যায়। ” (মুসলিম শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- হে বান্দাগণ! তোমরা চিকিৎসা গ্রহণ করো। মহান আল্লাহ পাক তিনি মৃত্যু ব্যতিত এমন কোন ব্যাধি সৃষ্টি করেননি যার প্রতিষেধক নেই এবং যা দুরারোগ্য। ” (সুনানে আবূ দাউদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, নাসায়ী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মুস্তাদরিকে হাকীম)
বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম আবু দাউদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার গ্রন্থে হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ اللهَ أَنْزَلَ الدَّاءَ وَالدَّوَاءَ وَجَعَلَ لِكُلِّ دَاءٍ دَوَاءً فَتَدَاوَوْا وَلاَ تَدَاوَوْا بِحَرَامٍ.
মহান আল্লাহ পাক তিনি রোগ ও ওষুধ উভয়ই পাঠিয়েছেন, প্রত্যেক রোগের চিকিৎসার জন্য ওষুধ রয়েছে তাই তোমরা চিকিৎসা করো। তবে হারাম বস্তু দিয়ে চিকিৎসা করা পরিহার করো। (সুনানে আবু দাউদ শরীফ-৩৮৭৬)
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ছহীহ গ্রন্থে বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিদেশীদের হাতে বন্দর তুলে দেয়া, মানবিক করিডোরের নামে আরাকান সন্ত্রাসীদের সহযোগিতার পর এবার নতুন ছাপানো টাকার নোটে মসজিদের ছবি বাদ দিয়ে মন্দিরের ছবি স্থাপন করেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। সরকারের এহেন দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল রাজারবাগ সুন্নতী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বাদ জুমুয়া এক বিরাট বিক্ষোভ মিছিল বের করেছেন সাধারণ মুসল্লী সমাজ। মিছিলটি রাজধানীর রাজারবাগ, শাহজাহানপুর, মতিঝিল এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
এই প্রতিবাদী মিছিলে অন্তবর্তীকালীন সরকারের বিতর্কিত ও ষড়যন্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
শুজায়া এরিয়ায় আগে থেকে বিপুল সংখ্যক বিস্ফোরক ডিভাইস দ্বারা "বুবি-ট্র্যাপিং" ফাঁদ তৈরিকৃত বিল্ডিংয়ে ইসরাইলি সন্ত্রাসী সেনারা অবস্থান নেয়ার পর ডিরেক্ট বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রামাণ্যচিত্র প্রকাশ করেছে আল-কুদস ব্রিগেড।
ফাইটিং লাইন থেকে ফেরার পর আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা রিপোর্ট করেছেন, খান ইউনিসের পূর্বে গত মঙ্গলবার ১টি ইসরাইলি সামরিক এক্সকেভেটরের বিপক্ষে ১টি এন্টি-আর্মর বিস্ফোরক ডিভাইসের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
খান ইউনিসের পূর্বে আল ক্বারারা শহরে ইসরাইলি সন্ত্রাসী ও সামরিক যানের বিপক্ষে সিরিজ এম্বুশের প্রামা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী আবারও ইসরাইলের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। যার অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার তেলআবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে একটি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইয়েমেন একটি কৌশলগত নৌ ও আকাশপথ অবরোধ আরোপ করেছে। যাতে করে ইসরাইলের কাছে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো বন্ধ করা যায়।
ইয়াহিয়া সারি বলেন, ইয়েমেনি বাহিনী তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযানের গতি বৃদ্ধি করে ইসরাইলের অধিকৃত ভূখণ্ডের গভীরে হামলা চালাবে। এই অভিযান চলবে যতদিন না ইসরাইল তার সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করে এবং গাজার ওপর বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ট্রাক আটকিয়ে চাঁদাবাজির সময় তারিকুল ইসলাম নামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা আটক করেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতে মিঠাপুকুর-ফুলবাড়ী সড়কে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি পার্বতীপুর মডেল থানা হেফাজতে রয়েছেন। আটক তারিকুল ইসলাম উপজেলার পশ্চিম রাজাবাসর গ্রামের মৃত মাহমুদুল সরকারের ছেলে। তিনি এনসিপির পার্বতীপুরের সংগঠক।
জানা গেছে, কিছুদিন আগে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির পরিত্যক্ত মালামাল (স্ক্র্যাব) টেন্ডারের মাধ্যমে পায় সেনাবাহিনীর প্রতিষ্ঠান সেনাকল্যাণ সংস্থা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্য বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সুব্রতকে লন্ডনে বড় টার্গেট দিয়েছিলো আসাদুজ্জামান-জিয়াউল। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা ঝঞঋ সুব্রতকে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্ত দিয়ে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করে। তাকে নিয়ে আসা হয় র্যাব সদর দপ্তরে এবং তার সঙ্গে দেখা করেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। সুব্রতকে নতুন লক্ষ্য দেওয়া হয় এবং বলা হয় এই কাজ সফলভাবে করতে পারলে তাকে পরিবারসহ কানাডায় স্থায়ীভাবে থাকার বন্দোবস্ত ক বাকি অংশ পড়ুন...












