SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সাদিসাহ%' OR titleBn LIKE '%সাদিসাহ%' OR descriptionEn LIKE '%সাদিসাহ%' OR descriptionBn LIKE '%সাদিসাহ%' OR slug LIKE '%সাদিসাহ%' OR metaTag LIKE '%সাদিসাহ%' OR metaDescription LIKE '%সাদিসাহ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
বিশেষ বিশেষ দিন পালন করা মহান আল্লাহ পাক উনার সুন্নত। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত।
কিন্তু দিলে বক্রতা ও গালিজ থাকার কারণে ওহাবী, খা বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল এবং মীলাদ শরীফ আয়োজন করা।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উক্ত সম্মানিত দিবসে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা।
রহমাতুল্লিল আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
নিম্নে এক নযরে উনার মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক তুলে ধরা হলো-
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদাতুনা হযরত হিন্দ আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুনিয়াত মুবারক: সইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু সালামাহ্ আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুনিয়াত মুবারকেই সকলের মাঝে পরিচিত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক: উম্মুল মু’মিনীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিস বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হিজরী ১২৬৩ সনে সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম, পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার ২৮ তারিখ, ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) হুগলী জেলার ফুরফরা শরীফে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।
পবিত্র নসব মুবারক:
ফুরফুরা শরীফের হযরত মুজাদ্দিদে যামান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বংশধর এবং হযরত মাওলানা মনছুর বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ১৫তম নিম্নপুরুষ। সুবহানাল্লাহ!
হযরত মনছুর বাগদাদী রহমতুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
ধ্বনিত হয় এমন অলংকার পরিধান করা হারাম:
যিনি খালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ -
অর্থ: মহিলারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে, যাতে তাদের অলংকারের গোপনীয়তার শব্দ পর-পুরুষ শুনতে পায়। (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩১)
অলংকারের মধ্যে যে সকল অলংকারে শব্দ বা ঝনঝনি সৃষ্টি করে এধরনের অলংকার পরিধান করা নাজায়িয। খাছ করে নূপুর পরিধান করা নাজায়িয।
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُوسَى رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনি প্রকাশ্যে মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর উম্মু আবীহা আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রায় দেড় বছর দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন,উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশস্ত শিরোনাম
বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
মুবারক এ দিবস উপলক্ষে বিশেষ মাহফিল করে উনার পবিত্রতম সাওয়ানেহ উমরী মুবারক ব্যাপকভাবে আলোচনা করে ইবরত-নছীহত গ্রহণ করা এবং তা আমলে বাস্তবায়ন করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।
আর সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সাওয়ানেহ উমরী মুবারক প্রত্যেক শ্রেণীর পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা ও স্বতন্ত্র গবেষণাগার, বিশ্ববিদ্যাল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা সন্তানকে রেহেম শরীফে বহন করেন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুহররমুল হারাম শরীফ মাস বিভিন্ন কারণে সীমাহীন বরকতময়। একদিক থেকে এ মাস হচ্ছেন ৪টি হারাম মাস উনাদের মধ্যে অন্যতম ১টি হারাম বা সম্মানি বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, সন্ধিপত্র লেখা শেষ হলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমভাবে ঘোষণা করে দেন, লোকেরা যেন হুদায়বিয়ায় নিজ নিজ আনিত পশুগুলি কুরবানী করে দেয় এবং হলক্ব করে নেয়। পরপর তিনবার তিনি ঘোষণা দেন, কিন্তু ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে নির্দেশ পালনের কোন লক্ষণ দেখা গেলো না। (সবাই অপেক্ষা করতে লাগলেন, কখন তিনি নিজেই কুরবানী ও হলক্ব করবেন)।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এ ব্যাপারে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মি বাকি অংশ পড়ুন...
যারা পবিত্র কুরবানী দেয়ার নিয়ত রাখেন, তাদের পক্ষে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ ওঠার পর থেকে এই চাঁদের ১০ তারিখ পবিত্র কুরবানী করা পর্যন্ত মাথার চুল, হাতের ও পায়ের নখ ইত্যাদি না কাটা মুস্তাহাব। যেমন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن سيدتنا حضرت أم المؤمنين السادسة عَلَيْهَا اسَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَاىَ هِلَالَ ذِى الْـحِجَّةِ وَاَرَادَ اَنْ يُّضَحّىَ فَلَا يَأْخُذْ مِنْ شَعْرِه وَلَا مِنْ اَظْفَارِه.
অর্থ: “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূ বাকি অংশ পড়ুন...












