রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, চাঁদ দেখা নিয়ে সমস্ত মুসলিম-অমুসলিম দেশের শাসক শ্রেণীর ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকা জনগণের জন্য বিশেষ কর্তব্য। বিগত কয়েক যুগের তথ্য- বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
মহিলাদের জামায়াতে তারাবীহ নামায পড়ার ক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কি?
জাওয়াব:
আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আম ফতওয়া হলো মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, তারাবীহ ও ঈদের নামাযসহ সকল নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ, ঈদগাহ ও যে কোন স্থানে যাওয়া মাকরূহ তাহরীমী। আর খাছ ফতওয়া হলো কুফরী।
এ প্রসঙ্গে কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত নামায, জুমুয়া ও ঈদের নামাযের জামায়াতে উপস্থিত হওয়া মাকরূহ্ তাহরীমী, যদিও প্রাপ্তা বয়স্কা ও বৃদ্ধা হোক সময়ের পরিবর্তনের কারণে। তাই উলামায়ে মুতাআখ্খিরীনগণ ফতওয়া দেন যে, মহিলাদের জামায়াতে উপস্থি বাকি অংশ পড়ুন...
ক্বামীছ নিছফে সাক পর্যন্ত পরিধান করা সুন্নত, হাঁটু থেকে নীচের দিকে এক হাত পর্যন্ত ঝুলানো জায়িয আছে :
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أُمِّ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهَا أَنَّ سَيِّدَتنَا حَضْرَتْ اُمَّ الْمؤْمِنِيْنَ السَّادِسَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ حَدَّثَتْهُمْ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَبَّرَ لِحَضْرَتْ سَيِّدَةِ النِّسَاءِ اَهْلِ الْجَنَّةِ زَهْرَاءَ عَلَيْها السَّلَامُ شِبْرًا مِّنْ نِطَاقِهَا-
অর্থ: হযরত উম্মে হাসান রহমতুল্লাহি আলাইহা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, নিশ্চয়ই সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম তি বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে অধিকাংশ মসজিদগুলোতে খতম তারাবীহ হোক অথবা সূরা তারাবীহ হোক ইমাম ছাহেব এতো দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করেন যা পিছনে ইক্তিদাকারীগণ কিছুই বুঝেন না। আবার রুকু, সিজদাও এতো দ্রুতগতিতে করেন যাতে মুছল্লীগণ কেউ রুকুতে, কেউ সিজদায়, কেউ কওমায় থাকেন।
সুওয়াল হলো- ওয়াক্তিয়া নামাযের যে নিয়ম অর্থাৎ যেভাবে নিয়ত করতে হয়, তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে হয়, ধীর গতিতে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হয়, ক্বওমা-জলসা ঠিক মতো আদায় করতে হবে, তাশাহহুদ শরীফ, দুরূদ শরীফ ও দোয়ায়ে মা’ছূরা শরীফ পাঠ করতে হয়, তারপর সালাম ফিরানোর মাধ্যমে না বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আবনা তথা মহাসম্মানিত ছেলে আওলাদ আলাইহিমুস সালাম এবং মহাসম্মানিতা বানাত তথা মহাসম্মানিতা মেয়ে আওলাদ আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট আট (৮) জন। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী উনাদের সম্মানিত নাম মুবারক হচ্ছেন,
১. ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুল আউওয়াল আলা বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু”মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা একমাত্র মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদের প্রেক্ষাপট:
খ্বালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَقَدۡ صَدَقَ اللّٰهُ رَسُوۡلَهُ الرُّءۡیَا بِالۡحَقِّ ۚ لَتَدۡخُلُنَّ الۡمَسۡجِدَ الۡحَرَامَ اِنۡ شَآءَ اللّٰهُ اٰمِنِیۡنَ ۙ مُحَلِّقِیۡنَ رُءُوۡسَکُمۡ وَ مُقَصِّرِیۡنَ ۙ لَا تَخَافُوۡنَ فَعَلِمَ مَا لَمۡ تَعۡلَمُوۡا فَجَعَلَ مِنۡ دُوۡنِ ذٰلِکَ فَتۡحًا قَرِیۡبًا ﴿۲۷﴾
অর্থ: ‘মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সত্য স্বপ্ন মুবারক দেখিয়েছেন অর্থাৎ সম্মানিত ওহী মুবারক করেছেন। খ্বালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চাহেন তো আপনারা অবশ্যই মসজিদুল হারাম শরীফে নি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে যে সমস্ত জিহাদ বা যুদ্ধ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে প্রসিদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে তন্মধ্যে ঐতিহাসিক গাযওয়াতুল হুদায়বিয়া বা হুদায়বিয়ার জিহাদ অন্যতম। একে صُلْحُ الْهُدَيْبِيَةِ বা হুদায়বিয়ার সন্ধিও বলা হয়।
হুদায়বিয়ার সন্ধিকে ‘গাযওয়া’ বা যুদ্ধ এ কারণে বলা হয় যে, কেননা কুরাঈশরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এখানে উমরাহ করার জন্য মক্কা শরীফে প্রবেশে বাধা দিয়েছিল’ এবং ছোট খাট বাদ প্রতিবাদও হয়েছিল। (সীরাতুছ ছহীহাহ ২/৪৩৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুয বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বনূ কুরাইজা উনার জিহাদ মুবারক:
হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু নিজেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদুন নববী শরীফ উনার খুঁটির সাথে বাঁধা প্রসঙ্গে:
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَخُونُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ وَتَخُونُوا أَمَانَاتِكُمْ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
অর্থ: বাকি অংশ পড়ুন...
অন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَصُوْمُ ثَلَاثَةَ اَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ يَوْمَ الاِثْنَيْنِ مِنْ اَوَّلِ الشَّهْرِ وَالْـخَمِيْسَ الَّذِيْ يَلِيْهِ ثُـمَّ الْـخَمِيْسَ الَّذِيْ يَلِيْهِ.
অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রত্যেক মাসে তিন দিন রোযা মুবারক রাখতেন। মাসের প্রথম সপ্তাহে ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ, তার পরবর্তী সপ্তাহে ইয়াওমুল খামীস এবং তার পরবর্তী সপ্ বাকি অংশ পড়ুন...












