হযরত হাসসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কর্তৃক কাফির-মুশরিকদের প্রতি নিন্দা:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, কাট্টা কাফির আমর ইবনে আব্দ নিহত হওয়ার পর হযরত ইকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (যিনি তখনও ঈমান আনেননি) পরাজিত হয়ে পিছু হটলেন। তখন তিনি নিজ বর্শাটিও ফেলে যান। এ সম্পর্কে হযরত হাসসান বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
فَرَّ وَأَلقى لَنا رُمحَهُ - لَعَلَّكَ عِكرِمَ لَم تَفعَلِ
وَوَلَّيتَ تَعدو كَعَدوِ الظَليمِ - ما إِن تَجورُ عَنِ المَعدِلِ
وَلَم تُلقِ ظَهرَكَ مُستَأنِساً - كَأَنَّ قَفاكَ قَفا فُرعُلِ
“তিনি প্রাণ নিয়ে পালালেন, আর বাকি অংশ পড়ুন...
উনার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা:
হযরত ইমাম শা‘বী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ফতওয়ার ইলিমে হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকেও অধিক জ্ঞানী ছিলেন। আর বিচার কাজে হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে অধিকতর বিজ্ঞ ছিলেন। হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কোন কোন বিষয়ে হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে পরামর্শ করতেন। কিন্তু হযরত মাসরূক রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত শুরাইহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে কোন বিষয়ে পরামর্শ করতেন না। (সিয়ারু আ’লামিন ন বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
فِىْ عَامٍ ১৯৫৩ م وَفِىْ مَدِيْنَةِ صَيْدًا جُنُوْبِ لِبْنَانَ كَالْعَادَةِ فِىْ يَوْمِ مِيْلَادِ الرَّسُوْلِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْتَفِلُ الْمُسْلِمُوْنَ وَمِنْ شَعَائِرِ الْاِحْتِفَالَاتِ فِىْ لِبْنَانَ اِطْلَاقُ النَّارِ فِى الْهَوَاءِ وَهِىَ عَادَةٌ مُتَعَارَفَةٌ وَقَدِيْمَةٌ فِىْ ذٰلِكَ الْوَقْتِ سَقَطَتْ رُصَاصَةٌ طَائِشَةٌ عَلٰى رَأْسِ فَتَاةٍ نَّصْرَانِيَّةٍ مِنْ عَائِلَةِ غِطَاسٍ وَهِىَ عَائِلَةٌ مَّعْرُوْفَةٌ فِىْ تِلْكَ الْمَدِيْنَةِ سَارَعَ اَهَالِى الْمِنْطَقَةِ بِاَخْذِ الْفَتَاةِ اِلٰى مَشْفَى الدُّكْتُوْرِ غَسَّانَ حَمُّوْدٍ وَلٰكِنَّ الْاَطِبَّاءَ عَجَزُوْا عَنْ شِفَاءِ هٰذِهِ الْفَتَاةِ وَقَالُوْا لِاَهْلِهَا اُنْقُلُوْهَا فَوْرًا اِلٰى مُسْتَشْفَى الْجَامِعَةِ الْا বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
فِىْ عَامٍ ১৯৫৩ م وَفِىْ مَدِيْنَةِ صَيْدًا جُنُوْبِ لِبْنَانَ كَالْعَادَةِ فِىْ يَوْمِ مِيْلَادِ الرَّسُوْلِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْتَفِلُ الْمُسْلِمُوْنَ وَمِنْ شَعَائِرِ الْاِحْتِفَالَاتِ فِىْ لِبْنَانَ اِطْلَاقُ النَّارِ فِى الْهَوَاءِ وَهِىَ عَادَةٌ مُتَعَارَفَةٌ وَقَدِيْمَةٌ فِىْ ذٰلِكَ الْوَقْتِ سَقَطَتْ رُصَاصَةٌ طَائِشَةٌ عَلٰى رَأْسِ فَتَاةٍ نَّصْرَانِيَّةٍ مِنْ عَائِلَةِ غِطَاسٍ وَهِىَ عَائِلَةٌ مَّعْرُوْفَةٌ فِىْ تِلْكَ الْمَدِيْنَةِ سَارَعَ اَهَالِى الْمِنْطَقَةِ بِاَخْذِ الْفَتَاةِ اِلٰى مَشْفَى الدُّكْتُوْرِ غَسَّانَ حَمُّوْدٍ وَلٰكِنَّ الْاَطِبَّاءَ عَجَزُوْا عَنْ شِفَاءِ هٰذِهِ الْفَتَاةِ وَقَالُوْا لِاَهْلِهَا اُنْقُلُوْهَا فَوْرًا اِلٰى مُسْتَشْفَى الْجَامِعَةِ الْا বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
فِىْ عَامٍ ১৯৫৩ م وَفِىْ مَدِيْنَةِ صَيْدًا جُنُوْبِ لِبْنَانَ كَالْعَادَةِ فِىْ يَوْمِ مِيْلَادِ الرَّسُوْلِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحْتَفِلُ الْمُسْلِمُوْنَ وَمِنْ شَعَائِرِ الْاِحْتِفَالَاتِ فِىْ لِبْنَانَ اِطْلَاقُ النَّارِ فِى الْهَوَاءِ وَهِىَ عَادَةٌ مُتَعَارَفَةٌ وَقَدِيْمَةٌ فِىْ ذٰلِكَ الْوَقْتِ سَقَطَتْ رُصَاصَةٌ طَائِشَةٌ عَلٰى رَأْسِ فَتَاةٍ نَّصْرَانِيَّةٍ مِنْ عَائِلَةِ غِطَاسٍ وَهِىَ عَائِلَةٌ مَّعْرُوْفَةٌ فِىْ تِلْكَ الْمَدِيْنَةِ سَارَعَ اَهَالِى الْمِنْطَقَةِ بِاَخْذِ الْفَتَاةِ اِلٰى مَشْفَى الدُّكْتُوْرِ غَسَّانَ حَمُّوْدٍ وَلٰكِنَّ الْاَطِبَّاءَ عَجَزُوْا عَنْ شِفَاءِ هٰذِهِ الْفَتَاةِ وَقَالُوْا لِاَهْلِهَا اُنْقُلُوْهَا فَوْرًا اِلٰى مُسْتَشْفَى الْجَامِعَةِ الْا বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পবিত্রতার গুরুত্ব অনেক। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সেই সকল লোকদেরকে মুহব্বত করেন; যারা উনার কাছে বেশি বেশি তওবা ইস্তিগফার করে, এবং যারা বেশি পাক-পবিত্র থাকে। ” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ২২২)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
الطُّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ.
অর্থ: ‘পবিত্রতা অর্জন করা সম্মানিত ঈমান উনার অঙ্গ। ’ সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
আর এ জন্যেই ত্ বাকি অংশ পড়ুন...
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি কারাগারের ভেতর বিয়ে করেছে এক আরব তরুণী। তার বাবা ওই কারাগারের ভেতর বন্দি আছে। নিজের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বাবাকে কাছে চেয়েছিলো সে। সেই ইচ্ছা অনুযায়ী, কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে যেন কারাগারের ভেতর তার বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। ওই তরুণীকে হতাশ করেনি দুবাইয়ের কারা কর্তৃপক্ষ। তারা তার ইচ্ছা পূরণ করেছে। সঙ্গে ওই তরুণীকে বিয়ের উপহার হিসেবে ফার্নিচার দিয়েছে তারা। গত রোববার (১৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস।
ওই তরুণী কা বাকি অংশ পড়ুন...












