SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ফিতরা%' OR titleBn LIKE '%ফিতরা%' OR descriptionEn LIKE '%ফিতরা%' OR descriptionBn LIKE '%ফিতরা%' OR slug LIKE '%ফিতরা%' OR metaTag LIKE '%ফিতরা%' OR metaDescription LIKE '%ফিতরা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
(সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ)
(৫ম পর্ব)
ইবনে জাযরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলছেন, فَمَا حَالُ الْمُسْلِمِ الْمُوَحِّدِ مِنْ أُمَّتِهِ সেই যে, যদি এই কাফেরটার এই অবস্থা হয়, নিকৃষ্ট কাফেরটার যদি এই অবস্থা হয়, খুশি প্রকাশ করে সে খরচ করার কারণে যদি এই অবস্থা হয়; তাহলে সেই মুসলমান যারা হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত, উম্মত উনাদের অন্তর্ভুক্ত
مُوَحِّدِ مِنْ أُمَّتِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسُرُّ بِمَوْلِدِهِ، يَسُرُّ بِمَوْلِدِهِ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ মুà বাকি অংশ পড়ুন...
ত্রয়োদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَن حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ اللَّهَ يَبْعَثُ لِهَذِهِ الأُمَّةِ عَلَى رَأْسِ كُلِّ مِائَةِ سَنَةٍ مَنْ يُجَدِّدُ لَهَا دِينَهَا"
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের জন্য প্রত্যেক শতাব্দীর শুরুতে এমন একজন ব্যক্তিকে প্রেরণ করেন, যিনি উনার যামানায় সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সংস্কার করেন।” (আবূ দাউদ শরীফ)
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় আল্লামা রুহুল আমী বাকি অংশ পড়ুন...
স্বভাবজাত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক হলো এমন কতগুলো মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক যা মানুষের স্বভাবের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যা নিয়মিত কাজের অন্তর্ভুক্ত এবং নিয়মিত করাই মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। এরকম স্বভাবজাত মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হলো সাধারণত দশটি। এসব মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পূর্ববর্তী হযরত নবী রসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে শুরু করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতের জন্যও মহাসম্মানিত মহপবিত্র সুন্নত মুবারক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
মহাসম্মানিত মহাপঠবাকি অংশ পড়ুন...
গোঁফ খাটো করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক:
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرتْ أَبي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ اَلْفِطْرَةُ خَمْسٌ أَوْ خَمْسٌ مِنَ الْفِطْرَةِ ـ الْخِتَانُ، وَالاِسْتِحْدَادُ، وَنَتْفُ الإِبْطِ، وَتَقْلِيمُ الأَظْفَارِ، وَقَصُّ الشَّارِبِ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফিতরাত অর্থাৎ মানুষের জন্মগত স্বভাব পাঁচটি- (পুরুষের জন্য) খৎনা করা, (নাভীর নিচের পশম কাটার জন্য) ক্ষুর ব্যবহার করা, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা ও গোঁফ খাটো করা। (মুসলিম শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা খাছ সুন্নতে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সুন্নতে খলীল আলাইহিস সঠবাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ইসলাম উনার নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে?
জাওয়াব:
ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী ও ইসলাম উনার নামে রাজনীতি তথা গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচনকারী মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে না। পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো ‘রাজারবাগ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’।
পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ওয়াজিব। কাজেই বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র জানাযার নামাযের নিয়মঃ
জানাযার নামায পড়ার পূর্বে মাইয়্যিতের ওলী বা অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, মাইয়্যিতের কোন ঋণ আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে সেগুলো কে এবং কিভাবে পরিশোধ করবে তা জানতে হবে। নামায ও রোযা কাযা আছে কি-না? যদি থাকে তাহলে তার কাফফারা দিতে হবে। সেটা কে বা কিভাবে আদায় করবে তা জানতে হবে।
(বিতরসহ দৈনিক ছয় ওয়াক্ত নামাযের কাফ্ফারা দিতে হবে। যত ওয়াক্ত নামায কাযা থাকবে তার প্রতি ওয়াক্তের জন্য এক ফিতরা পরিমাণ কাফফারা দিতে হবে। একইভাবে প্রতিটি রোযার জন্য এক ফিতরা। তবে প্রতি রোযা বা নামাযের জন্য ২ কেজি আটা বা ময়দা কিংবা ত বাকি অংশ পড়ুন...
মুরীদ বা সালিকের জন্য পবিত্র আদব-কায়দা উনার প্রতি খেয়াল রাখা অবশ্য কর্তব্য। পবিত্র আদব অর্থ স্বাভাবিকতা। অর্থাৎ যা স্বাভাবিক তাই পবিত্র আদব। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে বলা হয় ‘ফিতরাত’ বা স্বাভাবিকতার দ্বীন। অর্থাৎ অন্য ভাষায় পবিত্র দ্বীন ইসলাম পবিত্র আদব উনারই দ্বীন।
অপরদিকে পবিত্র তরীক্বত সম্পর্কে বলা হয়েছে যে-
اَلطَّرِيْقَةُ كُلُّهٗ اَدَبٌ
অর্থ : “পবিত্র তরীক্বত উনার সবটুকুই আদব।” (মাকতুবাত শরীফ, মাদারিজুস সালিকীন)
আরো বলা হয়েছে যে-
اَلتَّصَوُّفُ كُلُّهٗ اَدَبٌ
অর্থ : “পবিত্র তাছাওউফ সম্পূর্ণই আদবের অন্তর্ভুক্ত।” (মাকতুবাত শরীফ, মাদারিà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস অন্যান্য মাসগুলোর মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাস। এ মাসের বহুবিধ তাৎপর্য রয়েছে। পবিত্র হিজরী মাসের দশম মাস পবিত্র শাওওয়াল শরীফ। এই মাস পবিত্র হজ্ব উনার তিনটি মাসের (পবিত্র শাওওয়াল শরীফ, পবিত্র যিলক্বদ শরীফ, পবিত্র যিলহজ্ব শরীফ) অন্তর্ভুক্ত। এ মাসের প্রথম তারিখ পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন। পহেলা শাওওয়াল শরীফ অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল ফিতর ছুবহে ছাদিকের সময় পবিত্র ছদক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব হয়, তবে এ ছদক্বা বা ফিতরা পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসের মধ্যে আদায় করা উত্তম এবং অধিক ফযীলত মুবারক লাভের কারণ। পবিত্র ঈদুল ফিতর উনà বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ঈদুল ফিতর বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির অন্যতম বৃহৎ উৎসবে। প্রতি বছর রমজানের শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু করে ঈদের আগমুহূর্ত পর্যন্ত সারা দেশে কেনাকাটার এক বিশাল প্রবাহ তৈরি হয়- যা বাজারে নগদ অর্থের সঞ্চালন বাড়িয়ে অর্থনীতিকে লম্বা সময়ের জন্য চাঙা করে তোলে।
এবার সেই প্রবাহ আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বড় আকার ধারণ করেছে। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ঈদকেন্দ্রিক অর্থনীতির আকার তিন লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। যেখানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই লেনদেনের পরিমাণ ছিল দুই থেকে আড়াই লাখ কোটি টাকার মধ্যে। ফà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
خُذْ مِنْ اَمْوَالِـهِمْ صَدَقَةً تُطَهّرُهُمْ وَتُزَكّيْهِمْ بِـهَا وَصَلّ عَلَيْهِمْ اِنَّ صَلاتَكَ سَكَنٌ لَّـهُمْ وَاللهُ سَـمِيْعٌ عَلِيْمٌ.
অর্থ : (ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি উনাদের অর্থাৎ ধনীদের ধন-সম্পদ থেকে ছদক্বা (যাকাত, ফিতরা, উশর, দান, ছদক্বা, হাদিয়া) গ্রহণ করুন, আপনি (যে দয়া করে গ্রহণ করেছেন) এর মাধ্যমে প্রদানকারীদেরকে (যাহিরী) পবিত্রতা দান করুন এবং (বাতিনী) ইছলাহ বা পরিশুদ্ধ করুন এবং আপনি উনাদের জন্যে দোয়া মুবারক করুন। নিশ্চয়ই আপনার দোয়া মুবারকই উনাদের জন্যে শান্তি, নিরাপত্তা এঠবাকি অংশ পড়ুন...












