এছাড়া অন্যান্য কিছু পবিত্র হাদীছ শরীফ খেজুর ও যবের পরিমাপ দ্বারাও ফিতরা আদায়ের কথা বলা হয়েছে। এগুলোর ভুল ব্যাখ্যা করে সালাফী ওহাবীরা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। যেমন, হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সা’ পরিমাণ খাদ্য অথবা এক সা’ পরিমাণ যব অথবা এক সা’ পরিমাণ খেজুর অথবা এক সা’ পরিমাণ পনির অথবা এক সা’ পরিমাণ কিসমিস দিয়ে زَكَاةَ الفِطْرِ ছদাকাতুল ফিতর আদায় করতাম। (বুখারী-২/১৩১, হাদীছ-১৫০৬)
কিন্তু আমাদের হানাফী মাযহাবে গম বা আটার মূল্যের উপর ফিতরা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। কারণ এ ব্যাপারে ছহীহ হা বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর কতটুকু দিবেন :
যাদের উপর ছদাক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব অর্থাৎ পবিত্র ঈদের দিন ছুবহি ছাদিক্বের সময় যাদের নিকট নিছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রূপা অথবা এর সমপরিমাণ মূল্য) সম্পদ থাকে তাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ এলাকা অনুযায়ী দুই মুদ (আধা ছা’) গম যা বর্তমান মেট্রিক পদ্ধতির হিসেবে অনুযায়ী ১৬৫৭ গ্রাম আটা বা এর সমপরিমাণ মূল্য দান করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবূ ছু’আইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ ছাড়া আরো অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে-
كنا نؤدى زكوة الفطر على عهد رسول الله صلى الله عل বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
خُذْ مِنْ اَمْوَالِـهِمْ صَدَقَةً تُطَهّرُهُمْ وَتُزَكّيْهِمْ بِـهَا وَصَلّ عَلَيْهِمْ اِنَّ صَلاتَكَ سَكَنٌ لَّـهُمْ وَاللهُ سَـمِيْعٌ عَلِيْمٌ.
অর্থ : (ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি উনাদের অর্থাৎ ধনীদের ধন-সম্পদ থেকে ছদক্বা (যাকাত, ফিতরা, উশর, দান, ছদক্বা, হাদিয়া) গ্রহণ করুন, আপনি (যে দয়া করে গ্রহণ করেছেন) এর মাধ্যমে প্রদানকারীদেরকে (যাহিরী) পবিত্রতা দান করুন এবং (বাতিনী) ইছলাহ বা পরিশুদ্ধ করুন এবং আপনি উনাদের জন্যে দোয়া মুবারক করুন। নিশ্চয়ই আপনার দোয়া মুবারকই উনাদের জন্যে শান্তি, নিরাপত্তা এ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন,‘আবূ দাউদ শরীফ, মিশকাত শরীফ’ কিতাব উনাদের মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সা’লাবা অথবা সা’লাবা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সু বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম হযরত আবু বকর জাসসাস রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৩৭০ হিজরী) তিনি বলেন-
روي نصف صاع من بر عن النبي صلى الله عليه وسلم وأبي بكر عليه السلام وعمر عليه السلام وعثمان عليه السلام وعلي عليه السلام وابن مسعود رضى الله تعالى عنه وجابر رضى الله تعالى عنه وام المؤمنين عائشة عليها السلام وابن الزبير رضى الله تعالى عنه وأبي هريرة رضى الله تعالى عنه وأسماء بنت أبي بكر رضى الله تعالى عنها وقيس بن سعد رضي الله تعالى عنه أجمعين، وعامة التابعين، ولم يرو عن أحد من الصاحابة بأنه لا بجزئ نصف صاع من بر.
অর্থ: আধা সা’ গম সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, ছিদ্দী বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত বদরুদ্দীন আইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হাদীছটি ছহীহ
كان الصدقة تعطى على عهد رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وأبي بكر وعمر نصف صاع من حنطة.
অর্থ: হযরত সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় এবং আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম, খলীফাতুল মুসলিমীন, ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাদের শাসনামলে ছদক্বাতুল ফিতর দেওয়া হতো আধা সা গম। (শরহু মাআনিল আছার ১/৩৫০)
আল্লামা ইবনে আবদুল বার রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, এট বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পাঁচটি স্তম্ভের তৃতীয় স্তম্ভ হচ্ছে পবিত্র যাকাত। পবিত্র যাকাত আর্থিক ইবাদত সমূহের মধ্যে অন্যতম ইবাদত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
بُنِيَ الإِسْلامُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ وَإِقَامِ الصَّلاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالْحَجِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ.
অর্থ: সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ভিত্তি পাঁচটি যথা- (১) সাক্ষ্য দেয়া যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
সালাফী লা’মাযহাবীরা পবিত্র ছদক্বাতুল ফিতর বিষয়ে সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার বিরোধিতা করে। তারা বলে হানাফী মাযহাবে নাকি মনগড়া ফিতরার বিধান রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ফিতরার বিষয়ে ছহীহ কোন হাদীছ শরীফ নাকি নাই। নাউযুবিল্লাহ। এছাড়া তাদের আপত্তিসমূহ নিম্নরূপ:
১) অর্ধ সা’ গম বা আটা দিয়ে ফিতরার কোন দলীল নেই।
২) টাকা দিয়ে ছদক্বাতুল ফিতর আদায় করা যাবে না সরাসরি খাদ্যদ্রব্য দিতে হবে।
৩) স্থানীয় এলাকার ফসল দিয়ে ছদক্বাতুল ফিতর আদায় করতে হবে, যেমন বাংলাদেশের জন্য চাউল।
ওহাবী লা’মাযহাবীদের এসকল চরম মিথ্যাচার ও বিভ বাকি অংশ পড়ুন...
যেসব কারণে রোযা ভঙ্গ হয় এবং শুধু ক্বাযা ওয়াজিব হয় :
১. ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে।
২. আহলিয়াকে বুছা বা স্পর্শ করার কারণে গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৩. কোন অখাদ্য বস্তু তথা পাথর, লোহার টুকরো, ফলের আঁটি ইত্যাদি গিলে ফেললে।
৪. স্বাভাবিক স্থান ব্যতীত অন্যস্থানে মেলামেশায় গোসল ফরয হওয়ার মতো কোন কিছু নির্গত হলে।
৫. জোরপূর্বক সম্মানিত রোযাদারকে কিছু খাওয়ানো হলে।
৬. ভুলক্রমে কিছু খেতে আরম্ভ করে রোযা ভঙ্গ হয়েছে মনে করে পুনরায় আহার করলে।
৭. কুলি করার সময় পেটে পানি চলে গেলে।
৮. প্র¯্রাব -পায়খানার রাস্তায় ওষুধ বা অন্য কিছু প্রবেশ বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর শব্দের অর্থ :
ছদাক্বাতুল ফিতর (صَدَقَةُ الْفِطْرِ) আরবী শব্দ। এখানে صدقة শব্দের অর্থ দান করা। আর الفطر শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। সুতরাং ছদাক্বাতুল ফিতরের সম্মিলিত অর্থ হল ভঙ্গ করার দান। যাকে যাকাতুল ফিতর বলেও উল্লেখ করা হয়।
পারিভাষিক অর্থে দীর্ঘ একমাস রোযার রাখার পর পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিন মালিকে নিছাবের পক্ষ থেকে প্রত্যেক ২ জনের জন্যে এক ছা’ আটা বা তার মূল্য পরিমাণ যে সম্পদ গরীবকে প্রদান করা হয় তাকে ছদাক্বাতুল ফিতর বলে।
ছদাক্বাতুল ফিতর কে দিবেন :
ছদাক্বাতুল ফিতর প্রদান করা ধনীদের জন্যে ওয়াজিব। দ্বিতীয় হিজরীর শা’ব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
خُذْ مِنْ اَمْوَالِـهِمْ صَدَقَةً تُطَهّرُهُمْ وَتُزَكّيْهِمْ بِـهَا وَصَلّ عَلَيْهِمْ اِنَّ صَلاتَكَ سَكَنٌ لَّـهُمْ وَاللهُ سَـمِيْعٌ عَلِيْمٌ.
অর্থ : (ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি উনাদের অর্থাৎ ধনীদের ধন-সম্পদ থেকে ছদক্বা (যাকাত, ফিতরা, উশর, দান, ছদক্বা, হাদিয়া) গ্রহণ করুন, আপনি (যে দয়া করে গ্রহণ করেছেন) এর মাধ্যমে প্রদানকারীদেরকে (যাহিরী) পবিত্রতা দান করুন এবং (বাতিনী) ইছলাহ বা পরিশুদ্ধ করুন এবং আপনি উনাদের জন্যে দোয়া মুবারক করুন। নিশ্চয়ই আপনার দোয়া মুবারকই উনাদের জন্যে শান্তি, নিরাপত্তা এ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি কে?
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের একমাত্র ইবনুন (ছেলে সন্তান) হলেন সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম ও মহাসম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনাদের উভয়ের দিক থেকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ বা বংশধর।
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিন বাকি অংশ পড়ুন...












