SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%নারীস্বাস্থ্য%' OR titleBn LIKE '%নারীস্বাস্থ্য%' OR descriptionEn LIKE '%নারীস্বাস্থ্য%' OR descriptionBn LIKE '%নারীস্বাস্থ্য%' OR slug LIKE '%নারীস্বাস্থ্য%' OR metaTag LIKE '%নারীস্বাস্থ্য%' OR metaDescription LIKE '%নারীস্বাস্থ্য%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আল ইহসান ডেস্ক:
বাংলার গ্রামগঞ্জে হেঁটে গেলে ধানক্ষেতের পাশ, রাস্তার ধারে কিংবা পতিত জমিতে সহজেই চোখে পড়ে, একটি লতায় জড়ানো ছোট ঝোপ জাতীয় উদ্ভিদ।
পাতায় হাত লাগলেই সঙ্গে সঙ্গে মুছে যায় তার প্রসারিত পত্রপল্লব, যেন নিজেই নিজেকে আড়াল করতে চায়। উদ্ভিদটির নাম লজ্জাবতী।
লজ্জাবতী গাছ দীর্ঘদিন ধরেই আয়ুর্বেদ ও লোকজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর মূল, পাতা, ডাঁটা ও ফুল- সবই কোনো না কোনোভাবে উপকারী। নিচে এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ গুণ তুলে ধরা হলো:
কাটা-ছেঁড়ায় লজ্জাবতীর পাতা বেটে ক্ষতস্থানে প্রয়োগ করলে রক্তপাত বন্ধ হয় এবং দ্রুত নিরাময় হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, চিনি, দুধ, স্যানিটারি ন্যাপকিন, কম্পিউটার মনিটর, বিদেশি মাছ, আইসক্রিম, পোশাক, জুতা, প্লাস্টিক সামগ্রীসহ একাধিক পণ্যের ওপর শুল্ক-কর কমানো হচ্ছে। বাজেট বক্তৃতা শুরু হওয়ার পর থেকেই এসব প্রস্তাব তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর ধরা হয়, যার ফলে কয়েকটি পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
চিনি: পরিশোধিত চিনির আমদানিতে টনপ্রতি শুল্ক ৫০০ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার টাকা করা হয়েছে। এতে স্থানীয় বাজারে চিনির দামে স্বস্তি আসতে পারে।
স্যানিটারি ন্যাপকিন: নারীস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনী বাকি অংশ পড়ুন...
যাদের সাইনাসের সমস্যা আছে, শীতকাল এলে তারা বেশ অসুবিধায় পড়েন। বিশেষত যাদের ঠা-াজনিত জটিলতা আছে তারা একটু বেশিই রোগাক্রান্ত হন। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক বাহক হিসেবে সাইনাসে প্রদাহের সৃষ্টি করে। সাইনাস হলো নাকের আশপাশের ছোট ছোট গহ্বর বা প্রকোষ্ঠ। এগুলো বাতাস দ্বারা পূর্ণ থাকে এবং শরীরে বাতাস চলাচলে সাহায্য করে। অসুস্থ হলে সাইনাস কোষগুলো তরল (ফ্লুইড) দ্বারা পূর্ণ হয়ে যায়। এতে তীব্র প্রদাহের সৃষ্টি হয়। তখন এ অবস্থাকে বলা হয় সাইনোসাইটিস। অ্যালার্জির কারণেও এমন হয়।
সাইনোসাইটিসের লক্ষণ ও উপসর্গ :
১.নাক ভার হয়ে থাকে এবং নাক বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে সাধারণত শ্বাসকষ্টের সমস্যা অনেকটাই বাড়ে। শিশু থেকে বয়স্ক অনেকেই শ্বাসকষ্টে ভোগেন। শ্বাসকষ্টের অন্যতম কারণ হল অ্যাজমা। বাংলায় প্রচলিত হাঁপানি রোগই অ্যাজমা। এটি শ্বাসনালির একটি দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক প্রদাহজনিত সমস্যা। অ্যাজমার কারণে শ্বাসনালিতে বিভিন্ন কোষ বিশেষত ইয়োসিনোফিল ও অন্যান্য কোষের উপাদান জমা হয় এবং শ্বাসনালিকে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াশীল করে তোলে। পরিবেশের সাধারণ বস্তুগুলোর প্রতি অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়াশীল হয় বলে অ্যাজমা রোগীর শ্বাসনালির পথও সংকীর্ণ হয়। তখন রোগী শ্বাসকষ্ট, শুকনা কাশি, বুক জ্যাম হওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
এ রোগে চিকিৎসাপদ্ধতি কী?
যখন কেউ এ ধরনের সমস্যা নিয়ে আসে তখন আমরা প্রথমে রোগীর ইভ্যালুয়েশন করি, রোগটা দেখি এবং বিবেচনা করি। বয়স কত, জীবনাচরণ কেমন, শরীরের কী অবস্থা, আগে থেকে কোনো রোগ আছে কিনা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আসি। এসবের ওপর ভিত্তি করে আমরা আসলে ফোকাস করি রোগীর কী হয়েছে। কেন রোগী কষ্ট পাচ্ছে। এরপর আমরা সরেজমিনে পরীক্ষা করি-রক্তশূন্যতা আছে কিনা, তার পালস কেমন। পাশাপাশি আমরা তার হাঁটু পরীক্ষা করি, ঘাড়ে সমস্যা থাকলে ঘাড় পরীক্ষা করি। এরপর আমরা দেখি তার আর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা লাগবে কিনা। আমাদের যদি বিবেচনায় আসে পরীক্ষা নিরীক্ বাকি অংশ পড়ুন...
যখন কেউ এ ধরনের সমস্যা নিয়ে আসে তখন আমরা প্রথমে রোগীর ইভ্যালুয়েশন করি, রোগটা দেখি এবং বিবেচনা করি। বয়স কত, জীবনাচরণ কেমন, শরীরের কী অবস্থা, আগে থেকে কোনো রোগ আছে কিনা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আসি। এসবের ওপর ভিত্তি করে আমরা আসলে ফোকাস করি রোগীর কী হয়েছে। কেন রোগী কষ্ট পাচ্ছে। এরপর আমরা সরেজমিনে পরীক্ষা করি-রক্তশূন্যতা আছে কিনা, তার পালস কেমন। পাশাপাশি আমরা তার হাঁটু পরীক্ষা করি, ঘাড়ে সমস্যা থাকলে ঘাড় পরীক্ষা করি। এরপর আমরা দেখি তার আর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা লাগবে কিনা। আমাদের যদি বিবেচনায় আসে পরীক্ষা নিরীক্ষা না করলেও চলবে তখন ওষুধ বাকি অংশ পড়ুন...
এ রোগের লক্ষণগুলো কী কী?
এ রোগের মূল লক্ষণ হলো হাঁটুতে ব্যথা, মূলত জয়েন্টে ব্যথা। হাঁটুর ব্যথা নিয়েই রোগীরা আমাদের কাছে বেশি আছে। এটা মূলত আমরা বলে থাকি বয়সজনিত সমস্যা, অর্থাৎ প্রাকৃতিক সমস্যা। রোগীদের মধ্যে অনেক সমস্যা দেখা যায়। কেউ একজন এসে বলে ইদানীং তার হাঁটু গেড়ে বসতে সমস্যা হয়, নামাজ পড়তে সমস্যা হয়। নিচে বসে তরকারি কাটা, কাপড় কাচা, বঁটিতে বসে কাজ করা অর্থাৎ মায়েরা যে নিয়মিত বসে কাজ করে ইত্যাদি করতে সমস্যা হয়। নিচে বসে কৃষকরা যে কৃষিকাজগুলো করেন সেখানে বারবার তাদের নিচে বসা লাগে, এ কাজগুলো করতে সমস্যা হয়। আগে এ কাজগুলো করতে বাকি অংশ পড়ুন...
অস্টিওআর্থ্রাইটিস মূলত কী?:
অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মধ্যে অস্টিও শব্দের অর্থ হলো হাড়জনিত ব্যথা,আর্থ্রাইটিস শব্দের অর্থ হলো বাতজনিত ব্যথা। এর মূল বিষয়টা হলো আমাদের হাড় বা শরীরের যে জয়েন্ট থাকে সেসব জয়েন্টে প্রদাহ। এটি একটি বয়সজনিত সাধারণ সমস্যা। বয়স হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ রোগ দেখা দিতে পারে।
কোন বয়সীদের এ রোগে বেশি দেখা দেয়?
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণত এ রোগ বেশি দেখা যায়। তবে পঞ্চাশোর্ধ্ব মানুষের মধ্যে এ রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। পুরুষ ও নারী উভয়েরই এ রোগ হতে পারে। কিছু গবেষণা থেকে দেখা গেছে, ৪০-৪৫ শতাংশ মানুষের এ রোগ দেখা দিতে বাকি অংশ পড়ুন...
শুকনো কাশি সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়। কিন্তু অনেক সময় কাশি কয়েক মাস থেকে এক বছরের জন্যও থাকতে পারে। কারণ, ভাইরাসের কারণে শ্বাসনালি ফুলে ও অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে যেতে পারে। এ কারণে কাশির স্থায়িত্বকালও বাড়তে পারে, এমনকি ভাইরাস দেহ থেকে চলে যাওয়ার পরও। ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের ফলে শরীর ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে পড়ে। ফলে অনেক ধরনের ইনফেকশন সারিয়ে তোলা কঠিন হয়ে যায়।
কাশি হলেই ওষুধের দোকান থেকে কফ-সিরাপ কিনে খাওয়া কোনো সমাধান নয়। এতে যে কেবল বেশি ঘুম বাকি অংশ পড়ুন...
গরমে অস্টিওআর্থ্রাইটিসের ব্যথার তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও শীতকালে অসহনীয় হয়ে ওঠে। এ সময় বয়স্ক লোকজন এবং যারা অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো জটিল রোগে ভুগছে তাদের কষ্ট বেড়ে যায় বহুগুণ। মূলত শীত এলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার কারণে গোশতপেশিতে টান ধরে। তাছাড়া এ সময় অনেকেই পানি কম পান করে। ফলে শরীরে পর্যাপ্ত তরলের ঘাটতি দেখা দেয়। গোশতপেশির আড়ষ্টতা বাড়ার ক্ষেত্রে এটিও বড় একটা কারণ। এছাড়া শীতকালে স্নায়ুর সহ্যক্ষমতা কম থাকে এবং স্বাভাবিক নড়াচড়া কম হয়। ফলে হাড়ের জোড়া জমে যায় এবং ব্যথার অনুভূতি অন্যান্য সময়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি বেড়ে য বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে শীত মৌসুম চলে এসেছে। ঢাকায় শীত শীত ভাব ততটা অনুভূত না হলেও, গ্রাম-গঞ্জে এখন বেশ ঠান্ডা পড়েছে। গরমের বিপরীতে শীত আরামদায়ক হলেও প্রতিবছর এ মৌসুমে বেশ কিছু রোগের প্রবণতা বেড়ে যায়। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের শীতকালে বেশ বেগ পোহাতে হয়।
শীতকালে যে রোগ দেখা দেয় আর নিজেকে সুস্থ রাখতে যা করা উচিতঃ
চর্মরোগঃ শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে। শুষ্ক বাতাস ত্বক থেকে শুষে নেয় পানি। ফলে ত্বক হয়ে পড়ে দুর্বল। ত্বকের ঘর্মগ্রন্থি ও তেলগ্রন্থি ঠিকমতো ঘাম বা তৈলাক্ত পদার্থ তৈরি করতে পারে না। এতে ত্বক আস্তে আস্তে আরও শুষ্ক, ফাটল ধরে বাকি অংশ পড়ুন...












