১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ যখন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল, তখন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে থাকা এই জাতির পুনর্গঠনের জন্য প্রতিটি সম্পদ ছিল অমূল্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সেই চরম দুঃসময়ে হিন্দুস্তানী সেনাবাহিনী যে লুণ্ঠনযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হয়ে আছে।
ঐতিহাসিক তথ্য, সমসাময়িক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ বিশ্লেষণ করলে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের পর নিয়ম অনুযায়ী সেই ‘যুদ্ধলব্ধ মালামাল’ বাংলাদেশের প্রাপ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে গাজার দিকে আসছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ইতিহাসে ‘সর্ববৃহৎ’ নৌবহর। গত ১২ এপ্রিল স্পেনের বার্সোলনা থেকে যাত্রা শুরু করেছে সর্ববৃহৎ এই নৌ-বহর। তুরস্কের নেতৃত্বে এবারের মিশনে গাজাবাসীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে নিজেদের দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে আনাদোলু এজেন্সি।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার বোর্ড সদস্য ফাতিহ ভারোল আনাদোলুকে জানান, তুর্কি প্রতিনিধিদল এই উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা গাজায় সন্ত্রাসী বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
ভারতের ঐতিহ্যগত এবং পরীক্ষিত ফরমাবরদার আওয়ামী সরকার পতনের পর- ভারতীয় বিশ্লেষকদের আক্ষেপের ভাষ্য ছিলো- মোদী শুধু হাসিনাকে বশ করেই তুষ্ট থেকেছে। মোদীর উচিৎ র্ছিল বাংলাদেশের জনগণকেও ফাদে ফেলা। এ বোধোদয় থেকে এখন ভ বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের এক বীভৎস পরিহাস আর চরম ধৃষ্টতার সাক্ষী হয়ে রইল কুড়িগ্রামের নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন। যেখানে ২০২১ সালের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২নং ওয়ার্ডের (ডাকনীরপাঠ এলাকা) মোট জনসংখ্যার ৯৭.২২ শতাংশই মুসলমান, আর হিন্দু ধর্মাবলম্বী মাত্র ২.৭৬ শতাংশ-সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এক অদ্ভুত ও নজিরবিহীন সাম্প্রদায়িক আধিপত্যের মহড়া চলছিলো! ভাবা যায়, মাত্র ৭৫ জন হিন্দুর জন্য ২৬৪১ জন মুসলমানের দ্বীনি অধিকার আর জীবনযাত্রাকে বলি দেয়া হচ্ছে?
খবরটি কেবল চাঞ্চল্যকর নয়, বরং প্রতিটি রিসালতী জনতার কলিজায় আঘাত করার মতো। জানা গেছে, ডাকনীরপাঠ বা বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
কোনো পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন দেশ আগ্রাসনের শিকার হয়নি বা দখল করা হয়নি, কিংবা তাদের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়নি। ইরাক এবং লিবিয়া যদি পারমাণবিক শক্তি হতো, তবে তাদের এভাবে ধ্বংস করা যেত না বলে পর্যবেক্ষক মহল মন বাকি অংশ পড়ুন...
পরাবাস্তব এক ঘোর অমানিশার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। যে জমিন ওলী-আল্লাহগণের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর রাষ্ট্রবিরোধী আস্ফালন এক ভয়ংকর রূপ পরিগ্রহ করেছে। তথাকথিত ‘ইস্কন’ এবং উগ্রবাদী ‘সনাতন জাগরণ মঞ্চ’র ব্যানারে যে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো হচ্ছে, তা কেবল শান্তি বিঘিœত করছে না, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের মূলে কুঠারাঘাত করার এক ইহুদীবাদি নীল নকশা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
সং বাকি অংশ পড়ুন...
বেদনাবিধুর ইতিহাসের মুকুরে তাকালে দেখা যায়, যখন পূর্ব আকাশে আগ্রাসী লাল ড্রাগনের নিঃশ^াস আগুনের হলকা হয়ে ঝরে পড়ে, তখন ১১টি বাংলাদেশের সমান বিশাল এক মুসলিম ভূখ- ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’ আজ জ্যান্ত কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। ১৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটারের সেই পবিত্র জমিনকে গ্রাস করে নিয়েছে নাস্তিক্যবাদী কমিউনিস্ট চীন। ৩০ কোটি মানুষকে খাঁচায় বন্দি করতে তারা স্থাপন করেছে অগণিত সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা। এটি কেবল নজরদারি নয়, বরং একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ‘কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প’, যেখানে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে মুসলিম অস্তিত্বকে মুছে ফেলার নীল নকশ বাকি অংশ পড়ুন...
অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ কথাটা শুনলেই আমাদের মানসপটে ভেসে আসে আফ্রিকা মহাদেশের (উত্তর আফ্রিকা বাদে) কথা। অথচ আফ্রিকা কখনোই অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ ছিলো না। তাকে অন্ধকারে আবৃত করেছে ফরাসি, বেলজিয়াম, পর্তুগিজ সহ ইউরোপীয় সভ্য (!) দেশগুলো।
মধ্যযুগে আফ্রিকার (বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকার) এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য ছিলো। উত্তর আফ্রিকা মোটামুটি তা ধরে রাখতে পারলেও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলো এখন দারিদ্রতার অতল গহীনে পর্যবসিত। অথচ এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিটি পশ্চিম আফ্রিকার অধিবাসী।
আসুন দেখে নিই মধ্যযুগে পশ্চিম আফ্র বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সন্ত্রাসী আমেরিকার জাতীয় স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে জন্মহার রেকর্ড পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে এবং ২০২৬ সালেও এই নি¤œমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবাসন সংকট এবং ক্যারিয়ার নিয়ে তরুণ প্রজন্মের ভয় এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ।
অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে সন্তান লালন-পালনের খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এছাড়াও, দেরিতে বিয়ে করা এবং তথাকথিত ‘স্বাধীনতার গুরুত্ব’ বেড়ে যাওয়াও জন্মহার কমার অন্যতম কা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। বরং এটি দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক, আইনগত এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে একটি আলোচিত বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে “লুবাবা”নামের এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ এবং তার প্রেক্ষিতে তার মা-বাবার শাস্তির দাবি আবারও এই আলোচনাকে সামনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো-এই ইস্যুেক আমরা কি শুধুই সামাজিক বা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখবো, নাকি এর পেছনের বৃহত্তর আন্তর্জাতিক আগ্রাসী নীতি ও মুসলিমবিরোধী কাফিরদের ষড়যন্ত্রের দিকটিও বিবেচনা করবো?
বাস্তবতা হলো, বাল্যবিয়ে বিরোধী যে আইন ও প্রচারণা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার এক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাতের সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। গতকাল ইয়াওমুল খামীস (বৃহস্পতিবার) সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনের সময় এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের ঘটনা ঘটে। প্রস্তাবিত আইনের মূল বিষয়বস্তু এড়িয়ে সংসদ সদস্য কেবল রাজনৈতিক মাঠের উপযোগী মুখরোচক বক্তব্য দিয়েছেন বলে দাবি করেন মন্ত্রী। এই বিলের প্রধান লক্ষ্য হলো অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি স্বচ্ছ আইনি কাঠামো তৈরি করা।
এর আগে আলোচনায় অংশ নিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (৩)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে ব্রিটিশ সরকার বেনিয়া ১৯২৯ সালে মেয়ে বিয়ে বসা বা বিয়ে দেয়ার জন্য কমপক্ষে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আইন বা শর্ত করে দেয় এবং ১৮ বছর বয়সের নিচে কোন মেয়ে বিয়ে দেয়া, বিয়ে করা বা কোনো মেয়ের জন্য বিয়ে বসা দন্ডনীয় অপরাধ বলে সাব্যস্ত করে। নাঊযুবিল্লাহ!
আর সেই আইনকে প্রয়োগ করার জন্য দেশের তথাকথিত শিক্ষিত সমাজ প্রগতিবাদীরা উঠে পড়ে লেগেছে। বাকি অংশ পড়ুন...












