নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয। ” সুবহানাল্লাহ!
৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জীবনী মুবারকসহ ছহীহ আক্বীদা ও ছহীহ দ্বীনী শিক্ষা প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচীতে আবশ্যিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা। আর সমস্ত কুফরী আক্বীদা ও শরীয়তবিরোধী আমল ও ভুল তথ্যসহ কাফির-মুশরিকদের আলোচনা পাঠ্যসূচি থেকে অবশ্যই বাদ দেয়া।
, ১৭ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৩ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ২৯ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, দ্বীনী ইলম অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য ফরযে আইন। তাই পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনার বহুস্থানে দ্বীনী ইলম অর্জন করার নির্দেশ মুবারক, উৎসাহ ও ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা বলো অর্থাৎ আমার নিকট দোয়া করো- হে আমাদের রব! আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন। ” মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলাদের জন্য দ্বীনী ইলম অর্জন করা ফরয। ” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এদেশের ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান। আর মুসলমানদের কাছে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো নিয়মনীতি গ্রহণ করে তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না। এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। ” এ আয়াত শরীফ উনার আলোকে প্রতিভাত হয় যে, এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের শিক্ষানীতি সম্পূর্ণরূপে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে হতে হবে। তা না হলে কোনো মুসলমানই সেটা গ্রহণ করতে পারে না। করলে পরকালে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সম্মানিত দ্বীন ইসলামই একমাত্র দ্বীন- যেক্ষেত্রে দ্বীনী শিক্ষাকে ফরয বলা হয়েছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে শুধু দ্বীনী ইলম শিক্ষা করাকেই ফরয বলা হয়নি। পাশাপাশি এর সময়কালও উল্লেখ করা হয়েছে। “তোমরা দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত দ্বীনি ইলম অর্জন করো”- এ পবিত্র হাদীছ শরীফ পৃথিবীখ্যাত ও মশহুর। বহু হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সন্তানকে আদব অর্থাৎ দ্বীনী ইলম শিক্ষা দেয়া হলো উত্তম ছদকা। ” সুবহানাল্লাহ! ইসলামী আদব বা শিক্ষারূপেই মুসলমানদের জন্মের পর তা’যীন-তাহনীক্ব অর্থাৎ কানে আযান-ইক্বামত ও মুখে মধু দিতে হয়। অর্থাৎ আযান-ইক্বামত দিয়ে দ্বীনী তা’লীম শুরু করা হয়। আর মধুপান করিয়ে পবিত্র সুন্নত মুবারক আমল শুরু করা হয়। অর্থাৎ সম্মানিত ইসলামী শিক্ষার সময়টা জন্মলগ্ন থেকেই। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রচলিত শিক্ষানীতিতে এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনাদের ধর্মীয় বিশ্বাস, আবেগ ও গুরুত্ব আদৌ প্রতিফলিত হয়নি। অর্থাৎ এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়নি। বরং এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে। কারণ বর্তমান শিক্ষানীতি বা পাঠ্যসূচিতে ইসলামী শিক্ষার প্রাধান্য নেই। নেই ছহীহ আক্বীদা ও আমলের কোনো বিষয়। নেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, উনার মহাসম্মানিত হযরত আব্বা আলাইহিস সালাম ও মহাসম্মানিত হযরত আম্মা আলাইহাস সালাম উনাদের, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের মুবারক আলোচনা। নাউযুবিল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, উনাদের বিষয়ে যতটুকু আছে তাতেও অনেক মারাত্মক ভুল তথা কুফরী পরিলক্ষিত হয়। আর ইসলামী ব্যক্তি উনাদের আলোচনা না থাকলেও কাফির-মুশরিকদের আলোচনা ঠিকই রয়েছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! তাহলে এরূপ একটি পাঠ্যসূচির মাধ্যমে মুসলমানরা কি করে হাক্বীক্বী মুসলমান হবে। মূলত, এ শিক্ষানীতি বা পাঠ্যসূচি হচ্ছে মুসলমানদেরকে কাফির-মুশরিক বানানোর নীলনকশা। যা স্পষ্টতঃ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী এছাড়া সংবিধানেরও খিলাফ। সঙ্গতকারণেই স্পষ্টত সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিরোধী এ শিক্ষানীতি এদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমানরা মেনে নিতে পারে না। অতএব সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো বর্তমানে প্রচলিত কুফরী আক্বীদা সম্বলিত শিক্ষানীতি ও পাঠ্যসূচি বাদ দিয়ে অতিসত্বর সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম সম্বলিত শিক্ষানীতি ও পাঠ্যসূচি চালু বা জারী করা।
-০¬-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বিধর্মীরা তাদের পণ্যদ্রব্যগুলো মুসলমানদের দেশে বিক্রি করে তার লভ্যাংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যয় করে। নাউযুবিল্লাহ! যার সাক্ষাত প্রমাণ হচ্ছে- পরগাছা ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী ইসরাইলের কর্মকাণ্ড। তাই প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, বিধর্মীদের বিশেষ করে পরগাছা ইসরাইলের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকা। তাদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে বর্জন করা।
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। সুবহানাল্লাহ! যার আক্বীদা শুদ্ধ সেই মু’মিন বা মুসলমান। আর যার আক্বীদা শুদ্ধ নয়, সে কস্মিনকালেও মু’মিন ও মুসলমান হিসেবে গণ্য হবে না। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো মাস, দিন ও সময়কে খারাপ বলা কুফরী-শিরকীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কুফরী আক্বীদার অন্তর্ভুক্ত। নাঊযুবিল্লাহ!
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার মহাসম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও বরকতময় ৬ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জিন-ইনসানসহ সকল মাখলুকাতের জন্যই শুধু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসেই নয়; বরং সারা বছর অর্থাৎ দায়িমীভাবে অনন্তকালব্যাপী- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করার মাধ্যমে সম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ফরয।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় ৩রা ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই এ সুমহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৬, ৭, ১২, ২৪, ২৭ এবং ২৮ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই বিশেষ দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা সকলের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ পবিত্র ২৯শে মুহররম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! দ্বাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, রঈছুল মুহাদ্দিছীন, হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“তোমরা ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না, যার ক্বলব বা অন্তর আমার যিকির থেকে গাফিল অর্থাৎ যার ক্বলবে আমার যিকির জারী নেই। সে নফসকে (শয়তানকে) অনুসরণ করে তাই তার কাজগুলো (আমলগুলো) সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ। নাউযুবিল্লাহ! প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- একজন হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির করতঃ ক্বলবে যিকির জারী করা।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে মহাপবিত্র ইজমা শরীফ হয়েছে যে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে যে দেশে, যে এলাকায় বা অঞ্চলে ও যে স্থানে খুশি প্রকাশ করে- পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়, খাদ্যের আয়োজন করা হয়; দান-ছদক্বা করা হয়, সে এলাকা মহামারি, খাদ্যাভাব, অগ্নিকা-, বন্যা, পানিচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পসহ সর্বপ্রকার খোদায়ী আযাব-গযব ও বালা-মুছীবত থেকে রক্ষা পায় এবং সে এলাকায় বিশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হয়।’ সুবহানাল্লাহ!
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












