ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (২০৩)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, খুছূছিয়াত, বুযূর্গী ও সম্মান মুবারক সম্পর্কে:
, ১৩ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ৩০ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৯ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বিশেষ প্রতিবেদন
قَالَتْ: بَلَى. قَالَ فَأَحِبِّي هَذِهِ . فأُحِبُّ هولاء.
সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম তিনি নিজেই বলেন, হ্যাঁ অবশ্যই আমি উনাদেরকে পবিত্র মুহব্বত মুবারক করবো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! (তাহলে ফয়সালা মুবারক কি হলো? সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শান মুবারকে বলা হয়েছে।) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যারা সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রবি’য়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে পবিত্র মুহব্বত মুবারক করলো তারা যেন আমাকেই পবিত্র মুহব্বত মুবারক করলো। আর এই সমস্ত ব্যক্তিদেরকে আমি স্বয়ং পবিত্র মুহব্বত মুবারক করে থাকি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর উনার সাথে যারা বিদ্বেষ পোষণ করলো সে যেন আমার সাথেই বিদ্বেষ পোষণ করলো। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে ফয়সালা মুবারকটা কি হলো? হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক কত উর্দ্ধে? উনারাতো মহাসম্মানিত মাতা। কাজেই,
أِنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ أَقْدَامِ الْأُمَّهَاتِ
একাধিক বর্ণনা। আমভাবে, সাধারণ ভাবে বলা হচ্ছে, নিশ্চয়ই জান্নাত মুবারক হচ্ছে মায়ের ক্বদমের নিচে। সন্তানের জান্নাত মুবারক হচ্ছে মায়ের পায়ের নিচে। মা যদি নেককার হন, আল্লাহওয়ালা হন, ওলীআল্লাহ হন, দ্বীনদার হন, জান্নাতী হন তাহলে ঐ মায়ের ক্বদমের নিচে হচ্ছে সন্তানের জান্নাত। অর্থাৎ এটা হচ্ছে,
رِضَا اللهِ فِي رِضَا الْوَالِدَيْنِ، وَسَخَطُ اللهِ فِي سَخَطِ الْوَالِدَيْنِ
পিতা-মাতার সন্তুষ্টিই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি এবং ঠিক পিতা-মাতার অসন্তুষ্টি যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাদের অসন্তুষ্টি। নাউযুবিল্লাহ! পিতা-মাতা যদি সন্তুষ্ট থাকেন সন্তানের প্রতি তাহলে সহজে তারা পবিত্র জান্নাত মুবারক লাভ করতে পারে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর যদি পিতা-মাতাকে সম্মানিত শরীয়ত সম্মত কষ্ট দেয় তাহলে সে সন্তান কোন দিন জান্নাতে যেতে পারে না। নাউযুবিল্লাহ!
আর যদি এরকমই হয়ে থাকে তাহলে উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক, পবিত্র ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক কতটুকু? উনাদের বুযূর্গী- সম্মান মুবারক কতটুকু? উনাদের সাথে যারা বেয়াদবী করে তাহলে তারা কোথায় যাবে? জাহান্নাম ছাড়া তাদের কোন রাস্তা নেই। জাহান্নাম বললে কম হবে। এমন জাহান্নাম যেই জাহান্নামের আগুন মানুষ, জ্বীন-ইনসান কল্পনাই করতে পারবে না। নাউযুবিল্লাহ! উনাদের পবিত্র খুছূছিয়াত মুবারক, পবিত্র বৈশিষ্ট মুবারক তাহলে কতটুকু? উনাদের সম্মানিত ফযীলত মুবারক তাহলে কতটুকু সেটা ফিকির করতে হবে। ফিকির না করলে বুঝা যাবে না। এজন্য বলা হয়েছে উনারাতো সর্বদিক দিয়ে সন্তুষ্টি মুবারক পাওয়ার উপযুক্ত। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন,
وَاللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَقُّ أَن يُرْضُوهُ إِن كَانُواْ مُؤْمِنِينَ
যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে, তারা যদি ঈমানদার দাবি করে থাকে তাদের দায়িত্ব হচ্ছে ফরয হচ্ছে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং যিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে যেন তারা সন্তুষ্ট করে, উনারাই পবিত্র সন্তুষ্টি মুবারক পাওয়ার সবচাইতে বেশি হক্বদার। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! একইভাবে পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মিছদাক্ব হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আপনি কতটুকু মুসলমান...?
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রকান্ড কিছু দেখলেই অবনত হওয়া নত হওয়া একটি বদ খাছলত
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সমন্বিত অক্ষ ও বাংলাদেশের অবস্থান
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
শক্ত মানসিকতার দৃঢ়চিত্ত শাসন: বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পার্বত্য চট্টগ্রামে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা সরকারের জন্য ফরজ
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো জরুরি (২)
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বেতন বৃদ্ধি নয়, বরং জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো জরুরি (১)
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উপজাতিগুলোকে যেভাবে উস্কানি দিচ্ছে এনজিওগুলো
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আপনি কি শুকরের চর্বিযুক্ত সাবান দিয়ে গোসল করে ইবাদত বন্দেগী করছেন?
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী মূল্যবোধহীন সরকার ব্যবস্থায় ‘ভেজাল খাদ্য’
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের চরম বিসর্জন-ভারতের উচ্চভোল্টেজ করিডর কার স্বার্থে?
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
অমান্য করলেই কাটা পড়বে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












