মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করো না। ”
সমস্ত প্রকার খেলাধুলাই বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ তিলাওয়াতকারী কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না, খেলা দেখতে পারে না, খেলা সমর্থন করতে পারে না এবং পবিত্র ঈমান উনার আলোকে খেলাকে বরদাশতও করতে পারে না।
কাজেই, প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- খেলাধুলা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় হতে বেঁচে থাকা।
, ২৭ রবিউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২১ খমীছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ২০ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রি:, ০৪ কার্তিক, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। তারা সবাই আমলদার না হলেও ঈমানদার। তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ যথাযথ পালন না করলেও পরিপূর্ণ বিশ্বাস করে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বিষয়বস্তুর আঙ্গিকে, গুরুত্বের বিচারে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ এক অনন্য মযার্দাসম্পন্ন পবিত্র সূরা শরীফ। পবিত্র কুরআন শরীফ আরম্ভ হয়েছে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ দ্বারা। অবতরণের দিক দিয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ পবিত্র সূরা শরীফ। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এটি সমগ্র পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সংক্ষিপ্ত সারমর্ম। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অবশিষ্ট পবিত্র সূরা শরীফগুলো মূলত পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনারই বিস্তৃত ব্যাখ্যা। গুমরাহীর পথ ছেড়ে ‘ছিরাতুল মুস্তাক্বীম’ উনার পথে পরিচালিত হওয়াই সমগ্র পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মূলকথা। আর পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যে সে বিষয়টিই দোয়ারূপে সন্নিবেশিত করা হয়েছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণভাবে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সর্বাধিক পঠিত পবিত্র সূরা শরীফ হিসেবে সে দোয়া সারা মুসলিম জাহান উচ্চারণ করছেন প্রতিনিয়ত, অহরহ- “আমাদেরকে সরল পথ দান করুন, ওই সমস্ত লোকের পথ, যাঁদের নিয়ামত মুবারক দান করা হয়েছে। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি গযব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে। ”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নিয়ামতপ্রাপ্ত ও গযবপ্রাপ্তদের বর্ণনা কিন্তু পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যেই রয়ে গেছে। যাঁদেরকে নিয়ামত মুবারক দেয়া হয়েছে, উনাদের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহপ্রাপ্ত উনারা হচ্ছেন- হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছিদ্দীক্বীন, হযরত শুহাদা এবং হযরত ছালিহীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা। আর গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত বলতে ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিক, মুনাফিক তথা বিধর্মীদেরকেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। সুতরাং ইহুদী-নাছারা, কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মীদের পথ পরিহার করে হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম, হযরত ছিদ্দীক্বীন, শহীদ এবং ছালিহীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের পথে পরিচালিত হওয়াই পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার কথা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার শিক্ষা।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সমস্ত প্রকার খেলাধুলা হচ্ছে বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ তিলাওয়াতকারী কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না। খেলা দেখতে পারে না। খেলার সমর্থনে কোনো আলোচনা করতে পারে না। খেলা সমর্থন করতে পারে না এবং পবিত্র ঈমান উনার আলোকে বরদাশতও করতে পারে না। কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আসমান-যমীন ও এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে, তা আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করিনি। আমি যদি ক্রীড়া উপকরণ সৃষ্টি করতে চাইতাম, তবে আমি আমার কাছে যা আছে তা দ্বারাই তা করতাম, যদি আমাকে করতে হতো। ” আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সমস্ত প্রকার খেলাধুলাই হারাম। ” অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ তথা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে সর্বপ্রকার খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করেছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না’- এ প্রতিশ্রুতির সরকারকেও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ বিরোধী সর্বপ্রকার খেলার আয়োজন সবসময়ের জন্যই বন্ধ রাখতে হবে। নচেৎ তারা ওয়াদা খিলাফকারী ও সংবিধান খেলাফকারী বলে বিবেচিত হবে। কারণ, সংবিধানের ২(ক) ধারায় উল্লেখ রয়েছে, “দ্বীন ইসলাম। ” আর খেলাধুলা সরাসরি ইসলামবিরোধী কাজ। কাজেই সরকারের দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে, খেলাধুলাসহ সর্বপ্রকার হারাম কাজ অবশ্যই বন্ধ করে দেয়া।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- খেলাধুলা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয় হতে বেঁচে থাকা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক থেকে ইবরত-নছীহত হাছিল করে সদা সত্য কথা বলা এবং সত্যের উপর ইস্তিকামত থাকা আর মিথ্যা পরিহার করা ও মিথ্যা থেকে দূরে থাকা।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই রবীউছ ছানী শরীফ। মালিকুত তামাম, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেহেতু “সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, মহাসম্মানিত ১২ই শরীফে” মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক প্রকাশ করেন। সেহেতু প্রতি আরবী মাসের এ মুবারক আ’দাদ শরীফ বা তারিখটি হচ্ছেন- সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ সুমহান বরকতপূর্ণ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১১ই রবীউছ ছানী শরীফ অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফাতিহায়ে ইয়াযদাহম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গাউছুল আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেক মুসলমান এবং বাংলাদেশ সরকারসহ পৃথিবীর সমস্ত দেশের সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যতার সাথে অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ ও পবিত্র দুয়া-মুনাজাত শরীফসহ উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনার মাধ্যমে এ বরকতময় দিবসটি পালন করা।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- পবিত্র সামা’ শরীফ উনার মাহফিল অর্থাৎ পবিত্র হামদ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করা, শোনা ও লেখা প্রত্যেকটাই খাছ সুন্নত মুবারক এবং অশেষ নেকী হাছিলের কারণ। সুবহানাল্লাহ! অপরদিকে গান লেখা, গাওয়া, শোনা এবং গান-বাজনা ও নাচের অনুষ্ঠান করা, দেখা, শোনা প্রত্যেকটাই হারাম, আর গানকে হালাল বলা কুফরী ও লা’নতগ্রস্ত এবং জাহান্নামী হওয়ার কারণ।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেরূপ এক ও একক। তদ্রুপ হাবীব ও মাহবূব হিসেবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও এক ও একক। সুবহানাল্লাহ!
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৯৮% মুসলমান ও রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল পাঠ্যসূচিতে হালাল-হারাম; বিশেষ করে, কীভাবে খালিছ ঈমানদার ও মুসলমান হওয়া যায় সে সম্পর্কিত ছহীহ ইলমী বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত করা। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে কোন্ বিষয়গুলো হালাল এবং কোন্ বিষয়গুলো হারাম এ সম্পর্কিত ইলম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত না থাকার কারণেই বর্তমানে মুসলমানরা হালাল কাজে মশগুল না থেকে, হারাম কাজে মশগুল থাকছে। নাউযুবিল্লাহ!
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার সম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মুবারক দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনার মুবারক শানে সর্বো”” হুসনে যন পোষণ করা, উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া।
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ইহুদীবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনসহ অনেক দেশের মুসলমানদের উপর চরম যুলুম, নির্যাতন করে অসংখ্য মুসলমানকে শহীদ করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- ঐক্যবদ্ধ হয়ে মজলুম ফিলিস্তিনিদের সাহায্যার্থে সর্বাত্মকভাবে এগিয়ে আসা। আর প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলমান দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- ইসরাইলসহ সমস্ত বিধর্মীদের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকা। কেননা এদের পণ্যদ্রব্যগুলো ক্রয়-বিক্রয় করার অর্থ হলো, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতিসাধনে সাহায্য করা। নাউযুবিল্লাহ!
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুশ শাবাবী আহলিল জান্নাহ, রাইহানু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মালিকুত তামাম, ক্বাসিমুন নিয়াম, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিই মহাসম্মানিত জান্নাতসহ সমস্ত কিছুর মালিক ও বণ্টনকারী। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ তিনিই কায়িনাতের মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার সমস্ত নিয়ামত মুবারক বণ্টন করেন। সুবহানাল্লাহ! যা উনার মহাসম্মানিত হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও মহাসম্মানিত শাহিদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বা হাযির-নাযির শান মুবারক উনাদের অন্যতম প্রমাণ অর্থাৎ বেমেছাল শান-মান, মর্যাদা-মর্তবা উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৩রা রবীউছ ছানী শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা বিনতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক জানা, উনাকে মুহব্বত করা, উনার তা’যীম-তাকরীম করা ও উনাকে অনুসরণ করা।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউছ ছানী শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৭, ১১, ১২, ১৮, ১৯, ২৩ এবং ২৮ তারিখ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












