মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের- সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভের জন্য সন্তান প্রতিপালন করা সুন্নত
, ২০ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ৩০ ছানী আশার, ১৩৯১ শামসী সন , ২৯ মে, ২০২৪ খ্রি:, ১৫ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
(পূর্ব প্রকাশের পর)
* সন্তানদের বয়স সাত বছর হলে পবিত্র নামায পড়ার অভ্যাস করাবে এবং দশ বছরের মধ্যে পূর্ণরূপে নামাযে পাবন্দ বানাবে। এজন্য প্রয়োজনে শাসন করবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مروا اولادكم بالصلوة وهم ابناء سبع سنين واضربوا عليها وهم ابناء عشر سنين
অর্থ: তোমাদের সন্তানরা যখন সাত বছর বয়সে পৌঁছে তখন পবিত্র নামায আদায়ের নির্দেশ দাও। আর যখন তারা দশ বছর বয়সে পৌঁছে, তখন তাদেরকে নামায আদায়ের জন্য প্রয়োজনে প্রহার করো।
* সন্তানদের মক্তবে যাওয়ার বয়স হলে সর্বপ্রথম পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা দিবে। তারপর আরেকটু বয়স হলে পবিত্র ইলমে দ্বীন শিক্ষা দিবে। তারপর অপরাপর বিষয় শিক্ষা দিবে। তবে খুব ছোট থাকতে পড়া লেখার বোঝা চাপিয়ে দিবে না। এতে স্মরণশক্তি ও স্বাস্থ্য উভয়ই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এজন্য তাদের ভারসাম্যের প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে।
* রাগ করা, মিথ্যা বলা, হিংসা করা, চুরি করা, চোগলখুরী করা, অনর্থক নিজের কথার উপর জিদ ধরা, বেহুদা কথা-বার্তা বলা, অযথা হাসি-ঠাট্টা করা, অতিরিক্ত হাসা, কাউকে ধোকা দেয়া, ভাল মন্দ ও আদব-তমীয বিবেচনা করে কথা না বলা ইত্যাদি দোষগুলোর প্রতি যাতে ছেলে মেয়েদের আন্তরিক ঘৃণার সৃষ্টি হয় সে রকম উপদেশ দিবে। ঘটনা ও নছীহতের মাধ্যমে ভাল স্বভাব ও মন্দ স্বভাবের পার্থক্য তাদের মানসপটে এঁকে দিবে।
একইভাবে যখনই কোন একটি দোষ দেখবে, তখনই তাম্বীহ বা সতর্ক করবে এবং বুঝিয়ে উপদেশ দিবে।
* সন্তানরা অসাবধানতাবশঃত যদি কোন জিনিস নষ্ট করে ফেলে বা ভেঙ্গে ফেলে কিংবা অন্য কোন ছেলে-মেয়ের সাথে দুষ্টামী করে, মারে বা গালি দেয়, তবে তৎক্ষণাত তার শাস্তির ব্যবস্থা করবে, যেন ভবিষ্যতে সে এরূপ কাজ আর না করে। কেননা, এসব ক্ষেত্রে প্রশ্রয় দিলে সন্তানদের স্বভাব চিরতরে খারাপ হয়ে যেতে পারে।
-আল্লামা সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার মাধ্যমেই সর্বপ্রকার নেয়ামত মুবারক হাছিল করা সহজ ও সম্ভব
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৭)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৬)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৫)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৪)
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (২)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র আশূরা শরীফ উনার গুরুত্ব- ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল মুবারক (১)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (৯)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নতী খাবার কিছ্ছা
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ফলমূল খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক (২)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












