খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদাররা! তোমরা ছদিক্বীন বা সত্যবাদী অর্থাৎ আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহবত ইখতিয়ার করো।
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই কামিল শায়েখ বা মুরশিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা ফরযে আইন। যার মাধ্যমে ইছলাহ বা আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপিত হয়। সুবহানাল্লাহ!
তাই প্রত্যেকের জন্যই ফরয- একজন হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ছোহবত ইখতিয়ার করে ও নিয়মিত সবক আদায় করে ইছলাহ ও নিসবত হাছিল করা।
, ০৬ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ২ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ১৮ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন। ” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ইলম অর্জন করা ফরয। ” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মানুষের ভুলত্রুটি থাকতে পারে। সেটা আলাদা মাসয়ালা। কিন্তু শর্ত হচ্ছে ঈমানের সাথে যেতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি করা যাবে না। ঈমানের সাথে যেতে হলে ইলম অর্জনের সাথে সাথে একজন হক্কানী-রব্বানী মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয়ে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির-আযকার করতে হবে। তরীক্বার প্রাথমিক যিকির, পাছ-আনফাছ এবং ইশা ও ফজর বাদ ১০০ বার করে পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ইশা উনার নামাযের পর ১০০ বার পবিত্র দরূদ শরীফ উনার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুহব্বত পয়দা হবে এবং ফজর উনার নামাযের পর ১০০ বার পবিত্র দরূদ শরীফ উনার দ্বারা আল্লাহওয়ালা উনাদের মুহব্বত পয়দা হবে। আর পবিত্র পাছ-আনফাছ যিকির উনার দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত পয়দা হবে। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করে আমরা সরল পথ চাই, নিয়ামতপ্রাপ্ত উনাদের পথ চাই। নিয়ামতপ্রাপ্ত হচ্ছেন, হযরত নবী, ছিদ্দীক, শহীদ, ছলেহীন উনারা। উনাদের পথ আমরা চেয়ে থাকি। হযরত নবী আলাইহিমুস্ সালাম উনারা হচ্ছেন এক তবক্বা, আর ছিদ্দীক, শহীদ ছলেহ উনারা হচ্ছেন হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের তবক্বা। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আমরা প্রতিদিন ১৭ রাকায়াত ফরয নামায, বিতর তিন রাকায়াত, আর সুন্নতে মুয়াক্কাদা বারো রাকায়াত নামায আদায় করি। তাহলে কমপক্ষে প্রতিদিন ৩২ রাকায়াত নামাযে ৩২ বার মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে বলি, “আয় আল্লাহ পাক! আপনি আমাদের সরলপথ প্রদর্শন করুন। ” অর্থাৎ হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম ও হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের পথ আমাদেরকে দান করুন। আমরা সকলেই মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে এ দোয়া করি। শুধু মুখে মুখে দোয়া করলেই চলবে না। সাথে সাথে কাজও করতে হবে। অর্থাৎ সর্বদা পাছ আনফাছ যিকির করতে হবে এবং প্রতিদিন পবিত্র ইশা ও ফজর নামাযের পর পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র পাছ-আনফাছ যিকির করতে সময় লাগে না। এটা চলাফেরা, ওঠা-বসা সব সময় করা যায়। শোয়ার সময় করলেও আস্তে আস্তে জারি হয়ে যায়। কাজের ফাঁকে ফাঁকে করা যেতে পারে। পড়াশুনার সাথে সাথে সব সময় করা যেতে পারে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “পবিত্র আরশে মুয়াল্লা উনার সামনে একটা নূরের স্তম্ভ বা খুঁটি আছে, যখন কেউ ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ উনার যিকির করতে থাকে তখন খুঁটিটি কাঁপতে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি খুঁটিকে জিজ্ঞাসা করেন, হে খুঁটি! তুমি কাঁপো কেন? খুঁটি উত্তর দেয়, হে মহান আল্লাহ পাক! আপনার অমুক বান্দা পবিত্র কালিমা শরীফ উনার যিকির করছে সেজন্য আমি কাঁপছি। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে খুঁটি! তোমার কাঁপা বন্ধ করো। খুঁটি বলে, হে মহান আল্লাহ পাক! আমি কাঁপা বন্ধ করবো তাকে ক্ষমা করলে। মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, যাও তাকে ক্ষমা করে দিলাম। ” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ইশা উনার নামায বাদ পবিত্র দরূদ শরীফ পবিত্র ইশা উনার নামাযের পর রাতে শোয়ার আগে ১০, ১১, ১২, ১টা পর্যন্ত পড়া যেতে পারে। আর পবিত্র ফজর নামায বাদ পবিত্র দরূদ শরীফ ৭, ৮, ৯, ১০টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পড়ে নিলে কোন অসুবিধা নেই। আর পাছ-আনফাছ অভ্যাস হয়ে গেলে পরবর্তী সবক্ব নিতে হবে।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূল কথা হলো- প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই কামিল শায়েখ বা মুরশিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা ফরযে আইন। যার মাধ্যমে ইছলাহ বা আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপিত হয়। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্যই ফরয- একজন হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ছোহবত ইখতিয়ার করে ও নিয়মিত সবক আদায় করে ইছলাহ ও নিসবত হাছিল করা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইলমে তাসাউফ অর্জন করা ব্যতীত ইবাদত মূল্যহীন। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- যামানার মুজাদ্দিদ ও কামিল শায়েখ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ারের মাধ্যমে ইলমে ফিকাহ্ ও ইলমে তাছাউফ উভয় প্রকার ইলম অর্জন করে মু’মিনে কামিল হওয়া।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজে উনার হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র সালাম শরীফ পেশ করেন ও উনার পবিত্র যিকির শরীফ বা পবিত্র আলোচনা মুবারক করেন।
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“আপনি বলুন, দুনিয়াবী সম্পদ সামান্য। আর মুত্তাকীগণ উনাদের জন্য পরকালই উত্তম এবং তোমাদের প্রতি সামান্য অবিচারও করা হবে না।" পরকালরে তুলনায় দুনযি়াবী সম্পদ অতি সামান্য।
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করা হলো সন্তুষ্টিপূর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। সুবহানাল্লাহ!যা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
রঊফুর রহীম, হারীছুন আলাল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতবাসীর সমস্ত আরজী পূরণ করেন।
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে – সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন,খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করা।
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
“আপনি বলুন, দুনিয়াবী সম্পদ সামান্য। আর মুত্তাকীগণ উনাদের জন্য পরকালই উত্তম এবং তোমাদের প্রতি সামান্য অবিচারও করা হবে না।" পরকালরে তুলনায় দুনযি়াবী সম্পদ অতি সামান্য।
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ হাক্বীক্বীভাবে পালন করা হলো সন্তুষ্টিপূর্ণ সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম আমল মুবারক। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ শুধু একটি বরকতময় আমলই নয় বরং এটা হলো নাজাতের সনদপত্র অর্থাৎ চূড়ান্ত কামিয়াবীর দলীল। সুবহানাল্লাহ! যা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ দ্বারা প্রমাণিত।
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“মহান আল্লাহ পাক তিনি কি করে ঐ সম্প্রদায়কে হিদায়েত দান করবেন যারা ঈমান আনার পর কুফরী করে এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সত্য বলে সাক্ষ্য দেয়ার পর উনার নাফরমানী করে এবং তাদের কাছে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বিধান থাকার পর তা অমান্য করে। এসব লোক প্রকৃতপক্ষে যালিমের অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ!
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করা, পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ করা, পবিত্র না’ত শরীফ পাঠ করা এবং উনার আলোচনা মুবারক করা ফযীলত, বরকত ও মর্যাদা হাছিলের কারণ।
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাদের মাঝেই সর্বোত্তম তাক্বওয়া। যিনি যত বেশি পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি তত বেশি মর্যাদা বা সম্মানের অধিকারী হবেন। সুবহানাল্লাহ!
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
হারাম বা সম্মানিত মাসসমূহের মধ্যে পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ অন্যতম।
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












