পরিপাকতন্ত্রের ওষুধের পেছনেই মানুষের ব্যয় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা
, ০১ মে, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) তাজা খবর
সব ধরনের ওষুধের মধ্যে দেশে পরিপাকতন্ত্রের জটিলতাবিষয়ক ওষুধ বিক্রিতে রয়েছে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্থানে। সরকারি গবেষণায় উঠে এসেছে, এসব ওষুধ বিক্রির অঙ্ক বছরে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, জনসংখ্যার একটা বিশাল অংশ পরিপাকতন্ত্রের সমস্যায় ভুগছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেজাল খাবার গ্রহণ ও সার্বিক খাদ্যাভ্যাস, অস্বাস্থ্যকর জীবনাচার ও অন্যান্য রোগের বিস্তার বাড়ার কারণে পরিপাকতন্ত্রের রোগের ঘটনা বেড়েছে। নিজে নিজে ওষুধ সেবনের প্রবণতা বাড়াও এই রোগের ওষুধের বিক্রি বেড়ে চলার একটি কারণ।
সরকারের তথ্য বলছে, বছরে দেশের ওষুধের বাজারের আকার ৩৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর ৯৪ শতাংশই ব্যয় হয় ব্যক্তি উদ্যোগ বা পরিবারের মাধ্যমে। সরকারি ব্যয় মাত্র ৫.৬ শতাংশ।
একটি জরিপের অংশ হিসেবে সরকারের এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট। ‘বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল এক্সপেন্ডিচার ট্র্যাকিং বাই ডিজিজেস ২০২০’ নামের জরিপটি ২০২৩ সালের শেষে এসে প্রকাশ করা হয়। এটাই এ-বিষয়ক সর্বশেষ জরিপ। আর ওষুধের মোট ব্যয় নিয়ে এমন বড় জরিপ বাংলাদেশে প্রথম। এতে খুচরা পর্যায়ে ওষুধের দোকান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত ওষুধের ব্যয়ের বিবরণ উঠে এসেছে। গবেষণাটিতে রোগভেদে ওষুধের বিভাজনও দেখানো হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে পেশিতন্ত্র ও সংযোগকারী টিস্যুর রোগের ওষুধে। এসব রোগসংক্রান্ত ওষুধের বাজার ৬ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকার। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সংবহনতন্ত্র অর্থাৎ হৃৎপি-, রক্তনালির যাবতীয় রোগের ওষুধের বাজার। এর আকার ৬ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে থাকা পরিপাকতন্ত্রের রোগের ওষুধের পেছনে ব্যয় হয় ৫ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা, যা মোট ওষুধের বাজারের ১৪ শতাংশ।
২১ এপ্রিল বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির এক কর্মশালায় বলা হয়, দেশের ওষুধের বাজারের সবচেয়ে বড় অংশ খাদ্যনালি ও বিপাকীয় নিরাময়ের ওষুধ নিয়ে। এর আকার মোট বাজারের ৩৫ শতাংশ।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয় ৭৭ হাজার ৭৩৫ কোটি টাকা। এর ৫০ শতাংশই চলে যাচ্ছে ওষুধের বাজারে।
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের গবেষণায় পরিপাকতন্ত্রের যেসব রোগব্যাধি ও সমস্যার উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি সিনড্রোম, ডায়রিয়া, খাদ্যে বিষক্রিয়া, পিত্তথলিতে পাথর, গ্যাস, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, খারাপ খাদ্যাভ্যাস, ভুল খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের অভাব এবং মানসিক চাপের মতো রোগ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
হাওরে কৃষকের যন্ত্রণা ‘অপরিকল্পিত বাঁধ’
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দোকানপাট খোলা থাকবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যেখানে বাধ্যতামূলক হচ্ছে টিআইএন-বিআইএন
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্যের
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কোথায় যাবে আপনার ১০০ টাকা?
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘বাজেট বুঝি না, জিনিসপত্রের দাম কম থাকবো খাইয়া-পইরা ভালো থাকমু’
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণে বড় নির্ভরতা
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বীর যোদ্ধাদের এই অস্ত্রগুলোই দখলদারদের ভিত কাঁপিয়ে দেয়
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কোথায় যাবে আপনার ১০০ টাকা?
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হাওরে কৃষকের যন্ত্রণা ‘অপরিকল্পিত বাঁধ’
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দোকানপাট খোলা থাকবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












