মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে জানিয়ে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ফদ্বল-করম এবং রহমত মুবারক হিসেবে উনার প্রিয়তম রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে হাদিয়াস্বরূপ দিয়েছেন সেজন্য তারা যেন খুশি প্রকাশ করে।”
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ; যা পালন করা ফরয। যারা বলে, ‘পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আযহা এই দুই ঈদ ব্যতীত আর কোনো ঈদ নেই’- তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে অস্বীকারকারী।
আর যারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে অস্বীকার করে তারা পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাফিরের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ অস্বীকারকারীরা কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী।
, ০২ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ ছানী, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ জুলাই, ২০২৫ খ্রি:, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সম্মানিত দিনটিই প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে বড় ঈদ বা খুশির দিন। যা পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ নামে মশহুর। যারা বলে, ‘পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে দুই ঈদ ব্যতীত অন্য কোনো ঈদ নেই’- তারা প্রকৃতপক্ষে ‘কিল্লতে ইলম, কিল্লতে ফাহম’ অর্থাৎ কম জ্ঞান, কম বুঝ বা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের সম্পর্কে নেহায়েত অজ্ঞ এবং গুমরাহ হওয়ার কারণেই একথা বলে থাকে। কারণ পবিত্র ঈদুল ফিতর, পবিত্র ঈদুল আযহা অর্থাৎ বছরে দুই ঈদ ব্যতীত আরো অনেক ঈদ যে রয়েছে তা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ ও অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারাই অকাট্যভাবে প্রমাণিত। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ উনার ৫৮ নম্বর আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “(আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফযল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে এবং আমার মুবারক উসীলায় সমস্ত ফযল-করম-নিয়ামত মুবারক লাভ করার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।” এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যমীনে তাশরীফ মুবারক আনার পবিত্র দিনটিই সবচেয়ে বড় ঈদের দিন বা খুশির দিন হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ‘ইবনে মাযাহ শরীফ ও মুয়াত্তা শরীফ’ উনাদের বরাত দিয়ে বলেন, হযরত উবাইদ ইবনে সাব্বাক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত। আর হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে মুত্তাছিল সনদে বর্ণিত; নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একদিন পবিত্র জুমুয়া শরীফ উনার দিনে ইরশাদ মুবারক করেন, হে মুসলমানগণ! এই যে পবিত্র জুমুয়া উনার দিন, এ দিনকে মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের জন্য পবিত্র ঈদ উনার দিন হিসেবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ‘তিরমিযী শরীফ’ উনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের পবিত্র দ্বীন উনাকে পূর্ণ করলাম’ এ পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারক শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন উনার নিকট এক ইহুদী ছিলো সে বলে উঠলো, ‘যদি এই পবিত্র আয়াত শরীফ আমাদের ইহুদী সম্প্রদায়ের প্রতি নাযিল হতো আমরা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিলের দিনটিকে ‘পবিত্র ঈদ উনার দিন বলে ঘোষণা করতাম।’ এটা শুনে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু তিনি বললেন, এ পবিত্র আয়াত শরীফ সেই দিন নাযিল হয়েছে যেদিন এক সাথে দু’ঈদ ছিল- (১) পবিত্র জুমুয়া উনার দিন এবং (২) পবিত্র আরাফা উনার দিন।” অর্থাৎ পুনরায় ঈদ ঘোষণা করতে হবে না। কেননা ঈদের দিনেই এ পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। এখানেও পবিত্র জুমুয়ার দিনের পাশাপাশি পবিত্র আরাফার দিনকেও পবিত্র ঈদের দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মু’মিনের জন্য প্রতি মাসে চারটি ঈদ অথবা পাঁচটি ঈদ রয়েছে।” এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মু’মিনের জন্য প্রতি মাসে ৪টি বা ৫টি ঈদের কথা বলা হয়েছে। কারণ, প্রতি মাসে ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ ৪টি বা ৫টি হয়ে থাকে। আর জুমুয়াবার প্রতি মাসে ৪টি বা ৫টি হয়ে থাকে। অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল আযহা ও পবিত্র ঈদুল ফিতর- এ দুটিই নয়, আরো অনেক ঈদ রয়েছে। কাজেই, জুমুয়াবার মু’মিনদের পবিত্র ঈদের দিন। আরবী বা চন্দ্র বছর অনুযায়ী এক বছরে প্রায় ৫০টি জুমুয়াবার হয়ে থাকে। সে হিসেবে এ ৫০টি দিনও মু’মিনদের জন্য ঈদের দিন। আবার ইছনাইনিল আযীম শরীফ দিনও মু’মিনদের ঈদের দিন। চন্দ্র বছর অনুযায়ী এক বছরে প্রায় ৫০টি ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ হয়ে থাকে। সে হিসেবে এ ৫০টি দিনই মু’মিনদের জন্য ঈদের দিন। সুবহানাল্লাহ! আর আরবী বছরে ১২টি মাসের মধ্যে একটি মাস হচ্ছে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ। যা ২৯ বা ৩০ দিনে হয়ে থাকে। এবং এ ২৯ বা ৩০ দিন রোযাদার মু’মিনের জন্য খুশির দিন বা ঈদের দিন। পবিত্র সুন্নত রোযার ৪২ দিন খুশির বা ঈদের দিন। মু’মিনের জন্য পবিত্র আরাফার দিন ঈদের দিন বা খুশির দিন। তন্মধ্যে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ অর্থাৎ ১২ই শরীফই হচ্ছেন সবচেয়ে বড় ঈদ উনার দিন বা খুশির দিন। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ দ্বারা যেভাবে দু’ঈদ ছাবিত হয়েছে বা রয়েছে ঠিক একইভাবে অন্যান্য ঈদও। এছাড়া খাছভাবে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম ও সাইয়্যিদে ঈদে আকবর বা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিসেবে ছাবিত বা প্রমাণিত হয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মু’মিনের জন্য সর্বমোট ঈদ উনার দিন বা খুশির দিন হলো- জুমুয়াবার ৫০ দিন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার ৫০ দিন, পবিত্র আরাফা উনার ১ দিন, পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ ১ দিন, পবিত্র ঈদুল ফিত্র ১ দিন, পবিত্র ঈদুল আযহা বা পবিত্র কুরবানী উনার ৩ দিন, ফরয রোযার ২৯ বা ৩০ দিন, সুন্নত রোযার ৪২ দিন সর্বমোট ১৭৭ বা ১৭৮ দিন। অর্থাৎ বছরের প্রায় অর্ধেক দিনই মু’মিন-মুসলমান উনাদের জন্য ঈদ বা খুশির দিন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- যারা বলে, ‘পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আযহা এই দুই ঈদ ব্যতীত আর কোনো ঈদ নেই’- তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে অস্বীকারকারী। আর যারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে অস্বীকার করে তারা পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে কাফিরের অন্তর্ভুক্ত।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বিধর্মীরা তাদের পণ্যদ্রব্যগুলো মুসলমানদের দেশে বিক্রি করে তার লভ্যাংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যয় করে। নাউযুবিল্লাহ! যার সাক্ষাত প্রমাণ হচ্ছে- পরগাছা ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী ইসরাইলের কর্মকাণ্ড। তাই প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, বিধর্মীদের বিশেষ করে পরগাছা ইসরাইলের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকা। তাদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে বর্জন করা।
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছে ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। সুবহানাল্লাহ! যার আক্বীদা শুদ্ধ সেই মু’মিন বা মুসলমান। আর যার আক্বীদা শুদ্ধ নয়, সে কস্মিনকালেও মু’মিন ও মুসলমান হিসেবে গণ্য হবে না। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো মাস, দিন ও সময়কে খারাপ বলা কুফরী-শিরকীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কুফরী আক্বীদার অন্তর্ভুক্ত। নাঊযুবিল্লাহ!
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার মহাসম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও বরকতময় ৬ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জিন-ইনসানসহ সকল মাখলুকাতের জন্যই শুধু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুরিল আ’যম শরীফ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসেই নয়; বরং সারা বছর অর্থাৎ দায়িমীভাবে অনন্তকালব্যাপী- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করার মাধ্যমে সম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা ফরয।
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আজ সুমহান ও বরকতময় ৩রা ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল হাদিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই এ সুমহান দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাদেরকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনাদের যথাযথ গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য।
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩, ৫, ৬, ৭, ১২, ২৪, ২৭ এবং ২৮ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই বিশেষ দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা সকলের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ পবিত্র ২৯শে মুহররম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! দ্বাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, রঈছুল মুহাদ্দিছীন, হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“তোমরা ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না, যার ক্বলব বা অন্তর আমার যিকির থেকে গাফিল অর্থাৎ যার ক্বলবে আমার যিকির জারী নেই। সে নফসকে (শয়তানকে) অনুসরণ করে তাই তার কাজগুলো (আমলগুলো) সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ। নাউযুবিল্লাহ! প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- একজন হক্কানী-রব্বানী শায়খ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে তরীক্বা অনুযায়ী যিকির করতঃ ক্বলবে যিকির জারী করা।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাপবিত্র কুরআন শরীফ ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে মহাপবিত্র ইজমা শরীফ হয়েছে যে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে যে দেশে, যে এলাকায় বা অঞ্চলে ও যে স্থানে খুশি প্রকাশ করে- পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়, খাদ্যের আয়োজন করা হয়; দান-ছদক্বা করা হয়, সে এলাকা মহামারি, খাদ্যাভাব, অগ্নিকা-, বন্যা, পানিচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পসহ সর্বপ্রকার খোদায়ী আযাব-গযব ও বালা-মুছীবত থেকে রক্ষা পায় এবং সে এলাকায় বিশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা নাযিল হয়।’ সুবহানাল্লাহ!
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












