মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘একমাত্র কাফিররাই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরোধিতা করে।’ নাউযুবিল্লাহ!
পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- মহিলাদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, ঈদাইন, তারাবীহসহ সর্বপ্রকার নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী। এ ব্যাপারে ইজমায়ে আযীমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা অস্বীকার ও অমান্য করা কাট্টা কুফরী ও চির জাহান্নামী হওয়ার কারণ। অতএব মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মসজিদ ও ঈদগাহসমূহে মহিলাদের জামায়াত বন্ধ করে দেয়া।
আর সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- অধীনস্ত মহিলাদেরকে মসজিদ ও ঈদগাহে জামায়াতের জন্য গমন করা হতে বিরত রাখা।
, ২১ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক যামানায়, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার মুবারক যামানায় এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক খিলাফত উনার প্রথমদিকে মহিলাদের জামায়াত জারি ছিলো। অতঃপর আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মেয়েদের সর্বপ্রকার নামাযের জামায়াত নিষিদ্ধ ও বন্ধ করে দেন। এ বিষয়টি মহিলাগণ উনারা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক খিদমতে পেশ করলে তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার প্রদত্ত ফতওয়া উনাকে তাছদীক্ব বা সত্যায়িত করেন। অর্থাৎ তিনিও মেয়েদের সর্বপ্রকার নামাযের জামায়াত নিষিদ্ধ হওয়ার পক্ষে রায় বা মত দেন। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কোনো কোনো জাহিল বা অজ্ঞরা বলে থাকে যে, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে মসজিদে আসতে নিষেধ করেননি। নাঊযুবিল্লাহ! মূলত, তারা অজ্ঞ হওয়ার কারণেই এরূপ বলে থাকে। আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি যে মহিলাদেরকে মসজিদে আসতে নিষেধ করেছেন তা বহু নির্ভরযোগ্য কিতাবেই উল্লেখ আছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র ফিক্বাহ শরীফ উনাদের বিখ্যাত কিতাব “ফতহুল ক্বাদীর, গায়াতুল আওতার, হিদায়া, নেহায়া, আইনুল হিদায়া, তাহতাবী, দুররুল মুখতার, রদ্দুল মুহতার, ফতওয়ায়ে হিন্দিয়া”সহ আরো অনেক কিতাবেই উল্লেখ আছে, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় মহিলা উনারা জামায়াতে উপস্থিত হতেন (পরবর্তীতে) আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাগণকে জামায়াতে আসতে নিষেধ করেন। তখন মহিলা উনারা এ বিষয়টি উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক খিদমতে পেশ করেন। তখন উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার প্রদত্ত ফতওয়া উনাকে তাছদীক্ব বা সত্যায়িত করেন। অর্থাৎ তিনি বললেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ঠিকই করেছেন।” সুবহানাল্লাহ! যার প্রমাণ ছিহাহ ছিত্তাহ শরীফ উনাদের অন্যতম কিতাব “বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ ও আবূ দাঊদ শরীফ” উনাদের মধ্যেও উল্লেখ আছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অতঃপর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে যারা তখন উপস্থিত ছিলেন উনারা সকলেই উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহিস সালাম উনার তাছদীক্বকৃত সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার উক্ত ইজতিহাদ উনার প্রতি একমত পোষণ করেন। উছূলে ফিক্বাহ উনার পরিভাষায় যাকে ইজমায়ে আযীমত বলা হয়। যা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মতোই মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার একটি অকাট্য দলীল। সুবহানাল্লাহ! পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ অস্বীকার ও অবজ্ঞা করা যেরূপ কুফরী, তদ্রপ ইজমায়ে আযীমত উনাকে অস্বীকার ও অবজ্ঞা করাও কাট্টা কুফরী। অতএব, বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, মহিলাদের যেকোনো নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়া ও যাওয়াকে জায়িয বলা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। কেননা এতে করে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম এবং আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাদেরসহ প্রায় সকল হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরোধিতা করা হয়।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কাজেই সউদী আরব ও বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যেসব মসজিদে মহিলাদের জামায়াত চালু আছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। তিনি মহিলাদের মসজিদে ও ঈদগাহে না গিয়ে ঘরে নামায পড়ে মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার আদেশ-নির্দেশ মুবারক উনার উপর পূর্ণ ইস্তিকামাত থেকে খাছ পর্দা পালনের মাধ্যমে ফিতনা মুক্ত থাকার এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত অধিক ফায়দা হাছিলের আহবান জানান।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনার মালিক হচ্ছেন তিনি। সুবহানাল্লাহ! সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে- দায়িমীভাবে উনার সম্মানিত গোলামী মুবারক উনার আনজাম দেয়া, সম্মানিত খিদমত মুবারক করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা এবং উনার সম্মানিত ছানা-ছিফত মুবারক করা।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবি ও বেপর্দার মাধ্যমে মুসলমানদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করছে। নাউযুবিল্লাহ! সউদী ইহুদী সরকারের জন্য ফরয হলো- ছবি ও বেপর্দামুক্ত এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশিত তর্জ-তরীকা মুতাবিক পবিত্র হজ্জ করার সার্বিক ইন্তিজাম করা।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত দ্বীন ইসলামই হচ্ছেন একমাত্র মনোনীত, হক্ব, পরিপূর্ণ ও সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত দ্বীন। সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত ইসলামী তর্জ-তরীক্বা এবং আইয়্যামুল্লাহ শরীফ সমূহকে গুরুত্ব না দেয়া এবং পালন না করার কারণেই মুসলমানরা হারাম-নাজায়িয ও বেদ্বীনী-বদদ্বীনী কাজে মশগুল হয়ে লাঞ্চিত-অপমানিত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২রা যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ (দুধবোন) আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! তাই সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করা অর্থাৎ পবিত্র ওয়াজ শরীফ, পবিত্র মীলাদ শরীফ দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে সাদিকের সময় মহাপবিত্র বরকতময় নূরুল ইযহার বা বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার ২, ৬, ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৬ এবং ২৪ তারিখ সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! তাই, এই মহাসম্মানিত দিবসসমূহ যথাযথ তা’যীম, তাকরীম, জওক-শওক এবং সাখাওয়াতির সাথে ব্যাপকভাবে উদযাপন করার জন্য এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য।
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসীলাতেই কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু মুসলমানরা এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে না। অতএব, প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নিজেদের ব্যাপারে হীনমন্যতা দূর করা এবং কোন বিষয়েই কাফির-মুশরিকদের দিকে রুজু না হয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে দায়িম-কায়িম থাকা।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পাঁচ ওয়াক্ত নামায যথাযথভাবে আদায় করা। যে ব্যক্তি এক ওয়াক্ত নামায ক্বাযা আদায় করবে অর্থাৎ সময়মত পড়লো না- পরে ক্বাযা করে নিলো- তবুও তাকে এক হোক্ববা অর্থাৎ দুই কোটি আটাশি লক্ষ বছর জাহান্নামে জ্বলতে হবে। নাউযুবিল্লাহ! তাই প্রত্যেক পুরুষ-মহিলা সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র ছলাত বা নামাযের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া অর্থাৎ যথাসময়ে যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায আদায় করে নেয়া।
১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করতে হবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে অর্থাৎ শরীয়তসম্মতভাবে। তবেই তা হজ্জে মাবরূর বা কবুল হজ্জ হিসেবে গণ্য হবে। সুবহানাল্লাহ! তাই প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হলো, খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে শরীয়তসম্মত তারতীবে হজ্জ সম্পাদন করা এবং অশ্লীল-অশালীন ও নাফরমানীমূলক কাজ হতে বিরত থাকা।
১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুন নিসা সাইয়্যিদাতুনা হযরত জাদ্দাতু খলীফাতিল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম উনারা পুরুষ হোন বা মহিলা হোন; উনাদের পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস সকলের জন্যই রহমত, বরকত, সাকীনা ও নাজাত লাভের অন্যতম উসীলা। সুবহানাল্লাহ!
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৪শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবতে আযীমাহ মুবারক দিবস। সুবহানাল্লাহ! পঞ্চম হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম আবূ হামিদ মুহম্মদ গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার বিগত আরবী মাসগুলো যেভাবে শুরু করেছে তাতে এটা নিশ্চিত যে, এ বছরেও পবিত্র হজ্জ বাতিল করার গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই, আসন্ন পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস চাঁদ দেখে সঠিক তারিখে শুরু করতে হলে পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার চাঁদ সঠিক তারিখে গণনা শুরু হচ্ছে কিনা এ ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখা আবশ্যক।
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












