কদমবুছী করা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক; ইহানত করা কাট্টা কুফরী (২)
, ১৯ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৫ খ্বমিস , ১৩৯২ শামসী সন , ২৩ অক্টোবর , ২০২৪ খ্রি:, ০৭ কার্তিক, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّهٗ قَبَّلَ يَدَ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَاَخْرَجَ اَيْضًا اَنَّ سَيِّدَنَا حَضْرَتْ الاِمَامَ الْاَوَّلَ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَبَّلَ يَدَ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ العَبَّاسِ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَرِجْلَهٗ-
অর্থঃ- হযরত যায়িদ ইবনে সাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত। তিনি হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাত মুবারকে বুছা (চুম্বন) দিয়েছেন। তিনি এটাও বর্ণনা করেন যে, ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হাত ও পা মুবারকে বুছা (চুম্বন) দিয়েছেন। (ফতহুল বারী জিঃ ১১; পৃঃ ৫৭,- তুহ্ফাতুল আহ্ওয়াযী শরহে তিরমিযী জিঃ ৭; পৃঃ৫২৮)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ طَلْحَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَبَّلَ حَضْرَتْ خَيْشَمَةُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَدِىْ وَقَالَ حَضْرَتْ مَالِكٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَبَّلَ حَضْرَتْ طَلْحَةُ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَدِىْ-
অর্থঃ- হযরত তালহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত খায়শামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আমার হাতে বুছা (চুম্বন) দেন এবং হযরত মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, হযরত তালহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আমার হাতে বুছা (চুম্বন) দেন। (মুছান্নিফ ইবনে আবী শায়বা জিঃ ৮; পৃঃ ৫৬২, তাবাক্বাতে ইবনে সা’দ জিঃ ৬, পৃঃ ২০১)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَقَبَّلَ حَضْرَتْ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَدَ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ حِيْنَ اَخَذَ ابْنُ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ بِرِكَابِهٖ.
অর্থঃ- হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার (ঘোড়ার) লাগাম ধরে থাকা অবস্থায় হযরত যায়িদ ইবনে সাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার হাত মুবারকে বুছা (চুম্বন) দিয়েছেন। (ফাতহুল বারী জিঃ ১১ পৃঃ ৫৬, তিবরানী শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ حَضْرَتْ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَامَ عَلَى النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَبَّلَ يَدَهٗ.
অর্থঃ- হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার হতে বর্ণিত। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার (সম্মানার্থে) দাঁড়াতেন, অতঃপর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (মহাসম্মানিত হাত মুবারকে) বুছা (চুম্বন) দিতেন। (ফতহুল বারী জিঃ ১১; পৃঃ ৫৭, তুহ্ফাতুল আহ্ওয়াযী শরহে তিরমিযী জিঃ ৭; পৃঃ ৫২৮)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ تَمِيْمِ بْنِ سَلَمَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ لَمَّا قَدِمَ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ الشَّامَ اسْتَقْبَلَهٗ اَبُوْ عُبَيْدِبْنُ الْجَرَّاحِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فصافه قبل يده فكان تميم يقول تقبيل اليد سنة.
অর্থঃ- হযরত তামীম ইবনে সালামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব আলাইহিস সালাম তিনি যখন শাম দেশে আসতেন, হযরত আবু ওবাইদা ইবনুল জাররাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে স্বাগত জানাতেন ও তার সাথে মুছাফাহা করতেন এবং দস্ত (হাত) বুছা (চুম্বন) দিতেন। হযরত তামীম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, দস্তবুছী সুন্নত। (মুসনাদে আহমদ জিঃ ৩ পৃঃ ৪০৪, ফতহুল বারী জিঃ ১১ পৃঃ ৫৭, তুহফাতুল আহ্ওয়াযী জিঃ ৭, পৃঃ ৫২৮, মুসান্নিফ ইবনে আবী শায়বা জিঃ ৮, পৃঃ৫৬২, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী জিঃ ৭ পৃঃ ১০১,)
-আহমদ হুসাইন
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুছাফাহা করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। যা গুনাহ মাফের মাধ্যম
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
খেজুর ও তরমুজ একত্রে খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের মাধ্যম (৪)
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের মাধ্যম (৩)
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের মাধ্যম (২)
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাসে ৬টি রোযা রাখা খাছ সুন্নত মুবারক এবং বেমেছাল ফযীলত মুবারক লাভের মাধ্যম (১)
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র ঈদুল ফিতর সংক্রান্ত মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল সমূহ (২)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র ঈদুল ফিতর সংক্রান্ত মহাসম্মানিত সুন্নতী আমল (১)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ পালন করার গুরুত্ব-ফযীলত ও মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৫)
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক (৩)
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার শেষ দশকে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা খাছ সুন্নত মুবারক (২)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












