মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সেই উম্মতের জন্য আমার শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব, যে উম্মত আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করেন।’ সুবহানাল্লাহ!
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৭ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আখাছছুল খাছ আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার মহাসম্মানিত আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
তাই সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- এই মহাসম্মানিত দিবস মুবারক যথাযথভাবে উদযাপন করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনাদের জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিলেবাসের অন্তর্ভূক্ত করা এবং এ সুমহান দিবস সরকারিভাবে উদযাপনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
, ০৭ ছফর শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৫ ছালিছ, ১৩৯১ শামসী সন , ২৪ আগস্ট, ২০২৩ খ্রি:, ০৯ ভাদ্র শ্রাবণ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল মুসলিমীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত ১২ ইমাম উনাদের মধ্যে সপ্তম ইমাম। ইলম, আমল, হিকমত ও আখলাক্ব মুবারকে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মাক্বামে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি অতি অল্প বয়স মুবারকে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ হিফয করেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ ছিলেন উনাদের পৈত্রিক সম্পদতুল্য। তিনি তাফসীর, আক্বাইদ, বালাগাত ও ফাছাহাতসহ পবিত্র ইলম উনার সব বিষয়েরই অধিকারী ছিলেন। তিনি ছিলেন জাহিরী-বাতিনী সকল ইলম উনার পরিপূর্ণ অধিকারী। তদানিন্তনকালের ইমাম-মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম উনারা সকলেই উনার পবিত্র ইলম উনার মুহতাজ ছিলেন। তিনি উনার সম্মানিত পিতা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর ‘সম্মানিত ইমামত’ উনার মাক্বাম মুবারকে জাহির হন। এছাড়াও উনার আরো অনেক ফাযায়িল-ফযীলত, শান-মান ও মর্যদা-মর্তবা মুবারক কিতাবে উল্লেখ রয়েছে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামুল মুসলিমীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১৮৩ হিজরী সনের পবিত্র ২৫শে রজবুল হারাম শরীফ জুমুয়াবার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। আর এটিই হচ্ছে সবচেয়ে মু’তাবার বা নির্ভরযোগ্য মত। মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সময় উনার দুনিয়াবী বয়স মুবারক হয়েছিল ৫৫ বছর। উনাকে বিষের মাধ্যমে শহীদ করা হয়েছিল। উনার মহাপবিত্র রওজা শরীফ বাগদাদ শরীফে অবস্থিত।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মনোনীত ও মাহবুব বান্দা-বান্দী উনাদের মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক ও বিছালী শান মুবারক উনাদের মাধ্যমে অনেক মাস, তারিখ ও বারকে মহাসম্মানিত করেন। মহাসম্মানিত ৭ই শরীফ হচ্ছেন তেমনি একটি সুমহান দিন। কেননা এ তারিখে ওলীয়ে মাদারযাদ, জ্বীন-ইনসানের মুক্তির দিশারী, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, আহলু বাইত রসূলিল্লাহ রাজারবাগ শরীফ উনার হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি যেহেতু মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। তাই এই মহাসম্মানিত তারিখ হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক উনার আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ‘ফযল’ ও ‘রহমত’ মুবারক অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে লাভ করার কারণে খুশি প্রকাশ করো।” সুবহানাল্লাহ! তাই উনাদের মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ বা আগমন দিন যমীনবাসীদের জন্য সুমহান ঈদ বা খুশির দিন। যা সকলের জন্যই রহমত, বরকত, নিয়ামত, সাকীনা ও নাজাত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ! অতএব, সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- এ মুবারক দিবস উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার পাশাপাশি উনাকে মুহব্বত করা, অনুসরণ-অনুকরণ করা ও উনার যথাযথ খিদমত মুবারক উনার আঞ্জাম দেয়া। বিশেষ করে মহিলাদের জন্য আবশ্যক হলো- উনার ছোহবত মুবারক নিয়মিত ইখতিয়ার করে উনার ফায়েজ-তাওয়াজ্জুহ মুবারক লাভের মাধ্যমে কামিয়াবী হাছিল করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাসে যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন- সেই মহাসম্মানিত মাস উনার মুবারক নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফই কুল-কায়িনাত সকলের জন্য সবচেয়ে বড় ঈদ; যা পালন করা ফরয। যারা বলে, ‘পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পবিত্র ঈদুল আযহা এই দুই ঈদ ব্যতীত আর কোনো ঈদ নেই’- তারা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদেরকে অস্বীকারকারী।
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের ছহীহ আক্বীদা হলো- সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক হিসেবেই সৃষ্টি হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি যারা পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করে না বা করবে না, তাদের জন্য ধ্বংস ও জাহান্নাম অবধারিত। নাউযুবিল্লাহ!
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বহুসংখ্যক পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত যে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব; মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীদের জন্য। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়, উনাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত মুবারক উনার দরজা খুলে দিবেন এবং সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা মাগফিরাত কামনা করবেন। ফলে উনারা নাজাত লাভ করবেন। সুবহানাল্লাহ!
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- আসন্ন মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহুর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ পবিত্র ১২ই শরীফ পালনে মুসলমানদেরকে সর্বোচ্চ আর্থিক বরাদ্দ নির্ধারণ করা।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অনেক মহাপবিত্র আয়াত শরীফ ও অনেক মহাসম্মানিত ছহীহ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা অকাট্যভাবে প্রমাণিত যে- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রকার মহাপবিত্র ইলম মুবারকসহই সৃষ্টি হয়েছেন এবং সৃষ্টির প্রতি ইহসান করে যমীনে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ফায়ছালা মুবারক হচ্ছেন- পর্দা করা ফরয, বেপর্দা হওয়া হারাম, ছবি তোলা ও তোলানো হারাম, তন্ত্র-মন্ত্র, ভোট-নির্বাচন করা হারাম, খেলা-ধুলা করা হারাম, গান-বাজনা করা ও শোনা হারাম, সুদ ও ঘুষ দেয়া ও নেয়া হারাম, অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী সর্বপ্রকার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা মানা ও অনুসরণ করা সম্পূর্ণরূপে হারাম। কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীনদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা ও তাদেরকে অনুসরণ করা হারাম।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আজ সুমহান বরকতময় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ১২ই ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মালিকুত তামাম, মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই শরীফে” তাশরীফ মুবারক আনার কারণে এ সম্মানিত তারিখকে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি আজ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বায়াহ্ আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য- কোনো অবস্থাতেই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে বাদ দিয়ে দ্বীন ইসলাম উনার খেলাফ বেদ্বীনী-বদদ্বীনী, নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীকা, আইন-কানুন, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র ইত্যাদি তালাশ করা, গ্রহণ করা, আমল করা, অনুসরণ করা জায়িয নেই; বরং সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী।
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বরকতময় মহাপবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ- মুসলিম উম্মাহর রহমত, বরকত হাছিলের এক সুমহান দিন। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১৭ দিন বাকি। মহাপবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিধর্মীরা তাদের পণ্যদ্রব্যগুলো মুসলমানদের দেশে বিক্রি করে তার লভ্যাংশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যয় করে। নাউযুবিল্লাহ! যার সাক্ষাত প্রমাণ হচ্ছে- পরগাছা ইহুদীবাদী সন্ত্রাসী ইসরাইলের কর্মকাণ্ড। তাই প্রত্যেক মুসলমান ও মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে, বিধর্মীদের বিশেষ করে পরগাছা ইসরাইলের সর্বপ্রকার পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকা। তাদের সাথে সর্বপ্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করা, তাদেরকে বর্জন করা।
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












