অপচয় কমিয়ে বাড়বে আয়, শেকৃবির স্মার্ট ড্রায়ারে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা
, ০২ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৭ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৬ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ০১ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) তাজা খবর
বাংলাদেশে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন ক্রমেই বাড়লেও উৎপাদনের পর সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সীমাবদ্ধতায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পণ্য নষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে মাছ, শুঁটকি, ফল ও সবজি শুকানোর ক্ষেত্রে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের এখনও অনেকাংশে নির্ভর করতে হয় রোদ ও আবহাওয়ার ওপর। বৃষ্টি, মেঘলা আকাশ, অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ধুলাবালি ও পোকামাকড়ের কারণে ব্যাহত হয় শুকানোর প্রক্রিয়া। এতে পণ্যের মান ও পুষ্টিগুণ কমার পাশাপাশি বাড়ে অপচয় ও আর্থিক ক্ষতি।
আবহাওয়ার ওপর নির্ভরতা কমাবে স্মার্ট ড্রায়ার
SAU Smart Dryer মূলত একটি নিয়ন্ত্রিত শুকানোর ব্যবস্থা। এতে সৌরশক্তি, ব্যাটারি, ইনফ্রারেড হিটার, সেন্সর, ফ্যান এবং IoT প্রযুক্তির সমন্বয় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মাছ, শুঁটকি, ফল, সবজি, সি-ফুডসহ বিভিন্ন কৃষি ও মৎস্যপণ্য খোলা পরিবেশের পরিবর্তে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শুকানো সম্ভব।
প্রচলিত পদ্ধতিতে মাছ বা অন্যান্য পণ্য সাধারণত খোলা জায়গায় চাটাই, মাচা কিংবা অনুরূপ ব্যবস্থায় ছড়িয়ে রোদ ও বাতাসে শুকানো হয়। এতে পণ্য ধুলাবালি, মাছি-পোকামাকড় ও বৃষ্টির সংস্পর্শে আসে। অতিরিক্ত আর্দ্রতায় শুকানোর গতি কমে গেলে পচন ও মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়।
স্মার্ট ড্রায়ারে এসব ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। উচ্চ সহনশীল পলিথিন দিয়ে আবদ্ধ থাকায় মাছি ও অন্যান্য পোকামাকড়ের প্রবেশের সুযোগ কমে। ফলে প্রচলিত শুঁটকি উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ বা রাসায়নিক ব্যবহারের প্রয়োজনও কমে আসে। এতে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পণ্য উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়।
দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই চলবে শুকানোর কাজ
প্রচলিত পদ্ধতির অন্যতম বড় সীমাবদ্ধতা হলো সূর্যের ওপর নির্ভরশীলতা। সাধারণত দিনে প্রায় ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা কার্যকরভাবে শুকানোর সুযোগ পাওয়া যায়। রাত হলে কিংবা আকাশ মেঘলা থাকলে প্রক্রিয়াটি থেমে যায় বা ধীর হয়ে পড়ে।
SAU Smart Dryer-এ দিনের বেলায় সৌরশক্তি ব্যবহার করার পাশাপাশি অতিরিক্ত শক্তি ব্যাটারিতে সঞ্চয় করে রাখা যায়। রাতে সেই সঞ্চিত শক্তি ব্যবহার করে ইনফ্রারেড হিটারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তাপ সরবরাহ করা সম্ভব। ফলে সূর্য ডুবে যাওয়ার পরও শুকানোর কাজ চালিয়ে নেয়া যায়। বৃষ্টির দিনেও আবহাওয়ার ওপর নির্ভর না করে শুকানোর সুযোগ থাকে।
অর্থাৎ, প্রচলিত ব্যবস্থার মতো নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টার পরিবর্তে স্মার্ট ড্রায়ারে ২৪ ঘণ্টা শুকানোর সুবিধা পাওয়া যায়। এতে একই সময়ে বেশি পরিমাণ পণ্য প্রক্রিয়াজাত করার সুযোগ তৈরি হয় এবং শুকানোর সময় প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে বলে জানিয়েছেন এই প্রযুক্তির উদ্ভাবক।
সমান তাপ ও নিয়ন্ত্রিত আর্দ্রতা
শুধু তাপ প্রয়োগ করলেই ভালোভাবে শুকানো সম্ভব নয়; পণ্য থেকে বের হওয়া আর্দ্রতা দ্রুত অপসারণ এবং ড্রায়ারের ভেতরে তাপের সুষম বণ্টনও গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য ড্রায়ারে রয়েছে চারটি এক্সজস্ট ফ্যান, যা পণ্য থেকে বের হওয়া আর্দ্রতা দ্রুত বাইরে বের করে ভেতরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। পাশাপাশি আটটি রোটেটিং ফ্যান ড্রায়ারের ভেতরে তাপ সমভাবে ছড়িয়ে দেয়। ফলে বিভিন্ন র্যাকে থাকা পণ্যের জন্য তুলনামূলকভাবে সমান শুকানোর পরিবেশ তৈরি হয়।
উদ্ভাবকের দাবি, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শুকানোর কারণে প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় পণ্যের স্বাদ, মান ও পুষ্টিগুণ ভালোভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব। খোলা পরিবেশে শুকানোর সময় যেসব দূষণ বা অনাকাঙ্ক্ষিত উপাদান পণ্যে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে, নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় সেসব ঝুঁকিও কমে যায়।
মোবাইলেই নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি দূর থেকে
প্রযুক্তিটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো IoT ও সেন্সরভিত্তিক স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম। ড্রায়ারের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশগত তথ্য সেন্সরের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা যায়। একই সঙ্গে সফটওয়্যার বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণের সুযোগ রয়েছে।
ফলে উদ্যোক্তাকে সার্বক্ষণিক ড্রায়ারের পাশে উপস্থিত থাকতে হয় না। দূর থেকেই ড্রায়ারের ভেতরের পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য জানা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। এতে শুকানোর প্রক্রিয়া আরও নিয়ন্ত্রিত ও তথ্যনির্ভর হয়।
৫০০ কেজির ড্রায়ার ৫-৬ লাখ, মাসেই খরচ ওঠার দাবি
উদ্ভাবক ড. মো. মাসুদ রানার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০০ কেজি ধারণক্ষমতার একটি স্মার্ট ড্রায়ার তৈরি করতে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। আর ১ টন ধারণক্ষমতার ড্রায়ার তৈরি করতে প্রয়োজন হবে প্রায় ৮ লাখ টাকা।
তিনি আরও দাবি করেন, বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হলে ড্রায়ারটির বিনিয়োগের খরচ প্রায় এক মাসের মধ্যেই উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৪ ঘণ্টা ব্যবহারের সুযোগ থাকায় একই সময়ে বেশি পরিমাণ পণ্য শুকানো সম্ভব হওয়ায় উৎপাদনক্ষমতা ও আয়—দুটিই বাড়তে পারে।
কমতে পারে পোস্ট-হারভেস্ট ক্ষতি
উদ্ভাবকের মতে, দেশে কৃষি ও মৎস্যপণ্যে যে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত পোস্ট-হারভেস্ট লস হয়, কার্যকরভাবে স্মার্ট ড্রায়ার ব্যবহার করলে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তার হিসাবে, প্রযুক্তিটি ব্যবহারের মাধ্যমে পোস্ট-হারভেস্ট ক্ষতি প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মৌসুমে কোনো কৃষিপণ্যের উৎপাদন বেড়ে গেলে বাজারে একসঙ্গে সরবরাহ বাড়ার কারণে দাম কমে যায়। একই সঙ্গে দ্রুত বিক্রি করতে না পারা পণ্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। এসব পণ্য শুকিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা গেলে কৃষক ও উদ্যোক্তারা তা পরবর্তী সময়ে বাজারজাত করতে পারবেন।
এতে একদিকে কৃষিপণ্যের অপচয় কমবে, অন্যদিকে কৃষক কাঁচা পণ্য বিক্রির পরিবর্তে প্রক্রিয়াজাত ও মূল্য সংযোজিত পণ্য বিক্রি করে বাড়তি আয় করার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, নারী ও যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
মাছের পাশাপাশি শতাধিক পণ্য শুকানোর সুযোগ
SAU Smart Dryer-এর ব্যবহার শুধু মাছ বা শুঁটকি উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নয়। ফল, সবজি, সি-ফুড, মাংসসহ বিভিন্ন কৃষি ও খাদ্যপণ্য শুকিয়ে দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য ও মূল্য সংযোজিত পণ্যে রূপান্তর করা যায়।
মাঠপর্যায়ে আমের পাউডার, বিটরুট পাউডার, রোজেলা চা, লেমন চা, কাঁঠালের পাউডার, বিফ জার্কি, ফিশ জার্কি, শুকনো আনারস, কলার পাউডার, করলার পাউডার, কাঁচা মরিচের পাউডার ও ধনিয়াপাতার পাউডারসহ শতাধিক পণ্য তৈরির সম্ভাবনা দেখানো হয়েছে।
ফলে মৌসুমে অতিরিক্ত উৎপাদিত আম, কাঁঠাল, কলা, মরিচ কিংবা অন্যান্য কৃষিপণ্য দ্রুত বিক্রি না হলে তা নষ্ট হওয়ার পরিবর্তে শুকিয়ে পাউডার, চা, জার্কি, শুকনো স্লাইসসহ বিভিন্ন পণ্যে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এতে কাঁচা পণ্যের পাশাপাশি নতুন বাজার ও নতুন ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
মাঠপর্যায়ে পরীক্ষিত প্রযুক্তি
SAU Smart Dryer ইতোমধ্যে গবেষণাগারের গণ্ডি পেরিয়ে মাঠপর্যায়ে স্থাপন ও পরীক্ষার পর্যায়ে গেছে। নথি অনুযায়ী, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন ও মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রযুক্তিটি স্থাপন ও পরীক্ষা করা হয়েছে এবং সেখান থেকে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।
এ ছাড়া কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও প্রযুক্তিটি স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ভাবক। এসব প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত শুঁটকি প্রচলিত পদ্ধতিতে উৎপাদিত শুঁটকির তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এবং রপ্তানির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় কাঁচামাল থেকে স্থানীয় ব্র্যান্ড
উদ্ভাবক ড. মো. মাসুদ রানা মনে করেন, এই প্রযুক্তিকে শুধু শুকানোর যন্ত্র হিসেবে দেখলে এর সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগানো যাবে না। তার পরিকল্পনায় এটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে মূল্য সংযোজনের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করতে পারে।
কোনো নির্দিষ্ট এলাকার আম, কাঁঠাল, কলা, মরিচ, শাকসবজি বা মাছকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে শুকানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিং করা গেলে সেসব পণ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। এতে কৃষকের ভূমিকা শুধু কাঁচা পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। উৎপাদিত পণ্য স্থানীয় পর্যায়েই প্রক্রিয়াজাত হয়ে তৈরি হতে পারে নতুন খাদ্যপণ্য, ব্যবসা ও বাজার।
প্রান্তিক কৃষকের কাছে প্রযুক্তি পৌঁছানোর পরিকল্পনা
উদ্ভাবকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য হলো- বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে প্রযুক্তিটি দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক, মৎস্যচাষি ও খামারিদের কাছে পৌঁছে দেয়া। তার আরও লক্ষ্য, উৎপাদনের পর পণ্য নষ্ট হওয়ার হার কমানোর পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ ও আর্থিক ক্ষতি কমিয়ে কৃষককে আরও লাভবান করা।
তবে এর জন্য প্রয়োজন মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, সহজ অর্থায়ন এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিশ্চিত করা। পাশাপাশি পণ্যের মান, নিরাপত্তা, প্যাকেজিং ও ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
উৎপাদন থেকে মূল্য সংযোজনের নতুন পথ
বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্য খাতের সামনে এখন শুধু উৎপাদন বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ নেই; উৎপাদিত পণ্য সংগ্রহের পর নিরাপদে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সেই জায়গায় শেকৃবির SAU Smart Dryer একটি প্রযুক্তিনির্ভর সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
সৌরশক্তি, ব্যাটারি, ইনফ্রারেড হিটার, সেন্সর, ফ্যান ও IoT প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি এই ড্রায়ার আবহাওয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ২৪ ঘণ্টা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পণ্য শুকানোর সুযোগ তৈরি করছে। একই সঙ্গে পণ্যের মান ও পুষ্টিগুণ ধরে রাখা, পোকামাকড় ও দূষণের ঝুঁকি কমানো এবং কাঁচা কৃষি ও মৎস্যপণ্যকে দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য ও মূল্য সংযোজিত পণ্যে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি করছে।
তবে উদ্ভাবন থেকে বাস্তব অর্থনৈতিক সুফলে পৌঁছাতে প্রযুক্তিটির ব্যাপক সম্প্রসারণ, ব্যবহারকারীদের প্রশিক্ষণ, বিনিয়োগ, সহজলভ্য অর্থায়ন এবং বাজার সংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। এসব বিষয় কার্যকরভাবে সমন্বয় করা গেলে শেকৃবির এই উদ্ভাবন শুধু কৃষি ও মৎস্যপণ্যের অপচয় কমানোর প্রযুক্তি হিসেবে নয়, বরং প্রান্তিক পর্যায়ে কাঁচামালকে মূল্য সংযোজিত পণ্যে রূপান্তর, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধির একটি কার্যকর মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মাদক সেবনের দায়ে ৩ বন্ধু কারাগারে
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাজার থেকে কারা কিনছে সব পুরোনো বই
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
রসদ সংকট ও মানসিক অসুস্থতার ঝুঁকি, ৫ হাজার সেনা নিয়ে ফিরছে মার্কিন রণতরী
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়ার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে ব্যাখ্যা চাইল রাশিয়া
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
লাওয়াত ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিদ্যুৎ সংকটের সুযোগে রাজপথে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
রাজধানীতে যখন-তখন যানজট: গাড়ির চাপের বাইরেও যত কারণ
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
রাজধানীতে যখন-তখন যানজট: গাড়ির চাপের বাইরেও যত কারণ
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তারেক রহমানের দিল্লি সফর: প্রত্যর্পণ প্রশ্নে ঢাকা অনড়
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
১ হাজার বস্তা ফেলে দাবী করা হচ্ছে ৬ হাজার বস্তার
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
চাহিদামতো মিলছে না সার, কৃষককে কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
গ্যাস সংকটে বন্ধ শত শত কারখানা, ঝুঁকিতে অর্থনীতি
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












