প্রসঙ্গঃ বোরকার ধরণ
সুওয়াল:
বোরকা কেমন হওয়া উচিৎ?
জাওয়াব:
বোরকা কালো হওয়াই উচিৎ। কারণ বোরকা পরিধান করা হয়ে থাকে বেগানা বা পরপুরুষের সাথে পর্দা রক্ষা করার জন্য এবং পরপুরুষের নিকট যাতে সৌন্দর্য প্রকাশিত না হয় সেজন্য। কালো ব্যতীত অন্য রংয়ের কাপড় পরিধানে সৌন্দর্য প্রকাশিত হয়, সেজন্য শুধুমাত্র কালো রঙের বোরকা পরিধান করাই আবশ্যক।
সুওয়াল:
পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করা কতটুকু ঠিক?
জাওয়াব:
যেসব পাতলা ও চিপা পোশাক পরিধান করলে শরীর দেখা যায় তা পরিধান করা জায়িয নেই। এমন ধরনের পোশাক পরিধান করা উচিৎ যেন শরীর দেখা না যায়। কারণ পোশাক পর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরবানী উনার বিধান:
وَالشَّفْعُ يَوْمُ النَّحْرِ
অর্থ: জোড় হচ্ছে ইয়াওমুন নহর তথা ঈদুল আদ্বহা উনার দিন”।
এই দিনের শ্রেষ্ঠ আমল হলো কুরবানী করা। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اَفْضَلُ الْعِبَادَاتِ يَوْمُ الْعِيْدِ إِرَاقَةُ دَمُ الْقُرْبَاتِ
অর্থ : ঈদের দিন কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত করা অর্থাৎ কুরবানী করা শ্রেষ্ঠ ইবাদত”।
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِّيَذْكُرُوا اسْمَ اللّٰهِ عَلٰى مَا رَزَقَهُمْ مِّنْ بَهِيْمَةِ الْأَنْعَامِ
অর্থ : আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যই কুরবানীর হুকুম দিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
মা শব্দটি যতটা বলতে সহজ এবং ছোট দেখায় কিন্তু বাস্তবে মা হওয়ার সোভাগ্য যাদের হয়েছে তারাই জানেন মা হওয়ার মতো জান্নাতি সুখ পৃথিবীতে দ্বিতীয় আর নেই। একজন নারী নিজ সন্তানের অস্তিত্বধারণ করা থেকে শুরু করে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত একটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যায় যা ভাষা কিংবা শব্দমালা দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব না।
বর্তমানে কথিত আধুনিকতার ছোয়ায় সিজারের মাধ্যমে সন্তান ডেলিভারি করিয়ে তারা পরিপূর্ণ মাতৃত্বের স্বাদ নিতে পারছে না, যা নিঃস্বন্দেহে বলা যায়। সিজারের মাধ্যমে সন্তান ভুমিষ্ট করে অজান্তেই নিজের এবং সন্তানের বড় ধরণের বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব মাহবুব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “দেখ- আমি দু’টো নসীহত তোমাদের জন্য রেখে যাচ্ছি। একটা হচ্ছে- কথা বলে, আর একটা কথা বলেনা। যেটা কথা বলে সেটা হচ্ছে- পবিত্র কুরআন শরীফ। পবিত্র কুরআন শরীফ পড়ে পড়ে নসীহত হাছিল করবে। আর যেটা কথা বলেনা, সেটা হচ্ছে- নির্বাক-মৃত্যু, কথা বলেনা। মৃত্যু দেখে দেখে নসীহত হাছিল করবে। ”
কাজেই প্রত্যেক ব্যক্তিরই দায়িত্ব হচ্ছে পবিত্র কুরআন শরীফ পড়ে পড়ে নসীহত হাছিল করবেন এবং মৃত্যু দেখে দেখে নসীহত হাছিল করবেন, অন্তর থেকে দুনিয়ার মুহব্বত দূর করে দিব বাকি অংশ পড়ুন...
দোয়া কিভাবে করতে হবে সে সম্পর্কেও অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটি নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
(১)
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ادْعُوا اللهَ وَأَنْتُمْ مُوْقِنُوْنَ بِالْإِجَابَةِ وَاعْلَمُوْا أَنَّ اللهَ لَا يَسْتَجِيْبُ دُعَاءً مِنْ قَلْبٍ غَافِلٍ لَاهٍ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্ বাকি অংশ পড়ুন...
দোয়া সম্পর্কে কতিপয় সম্মানিত হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে-
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
(১)
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَلُوْا اللّٰهَ مِنْ فَضْلِه فَإِنَّ اللّٰهَ يُحِبُّ أَنْ يُسْأَلَ وَأَفْضَلُ الْعِبَادَةِ انْتِظَارُ الْفَرَجِ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে উনার অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। নি বাকি অংশ পড়ুন...
দোয়া সম্পর্কে কতিপয় সম্মানিত হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে-
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
(১)
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَلُوْا اللّٰهَ مِنْ فَضْلِه فَإِنَّ اللّٰهَ يُحِبُّ أَنْ يُسْأَلَ وَأَفْضَلُ الْعِبَادَةِ انْتِظَارُ الْفَرَجِ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে উনার অনুগ্রহ প্রার্থনা কর। নি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক পছন্দনীয় আমল:
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ أَيَّامٍ أَحَبُّ إِلَى اللهِ أَنْ يُتَعَبَّدَ لَه فِيْهَا مِنْ عَشْرِ ذِي الْحِجَّةِ يَعْدِلُ صِيَامُ كُلِّ يَوْمٍ مِنْهَا بِصِيَامِ سَنَةٍ وَقِيَامُ كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْهَا بِقِيَامِ لَيْلَةِ الْقَدْرِ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র যিলহজ্জ শ বাকি অংশ পড়ুন...












