SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রোগই%' OR titleBn LIKE '%রোগই%' OR descriptionEn LIKE '%রোগই%' OR descriptionBn LIKE '%রোগই%' OR slug LIKE '%রোগই%' OR metaTag LIKE '%রোগই%' OR metaDescription LIKE '%রোগই%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا عَدْوٰى وَلَا طِيَرَةَ وَلَا هَامَةَ وَلَا صَفَرَ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু নেই, অশুভ বলতে কিছু নেই, পেঁচার মধ্যে কোন কুলক্ষণ নেই এবং সম্মানিত ছফর শরীফ মাসে কোন খারাপী নেই। সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, হাদীছ শরীফ নং ৫৭৫৭, ৫৩১৬, এবং ৫৪২৫, উমদাতুল ক্বারী ৩১/৩৮ বাকি অংশ পড়ুন...
২. মেডিক্যাল সাইন্সের অবসট্রেটিকস বা ধাত্রীবিদ্যায় প্রায় সবকটি রোগের প্রথম ভুক্তভোগীর নাম হলো ‘এলডারলি প্রাইমি’ বা ‘বেশি বয়সে প্রথম সন্তানধারণ’। এমনকি আমাদের দেশে (যে দেশ সম্বন্ধে অমুসলিমরা বলে থাকে যে- বাল্যবিবাহের হার অনেক বেশি) হাসপাতালগুলোতেও গর্ভজনিত রোগের প্রধান ভুক্তভোগীরা হলো এলডারলি প্রাইমি বা বেশি বয়সে প্রথম বাচ্চা নেয়া মা। তবে কম বা বেশি বয়সী মা যাই হোক না কেন, সমস্ত রোগই এখন চিকিৎসাযোগ্য। বয়স কম হোক কিংবা বেশি- সঠিক পুষ্টিমান আর যতœ নিরাপদ প্রসবের অন্যতম শর্ত। এখন কেউ যদি এ শর্ত মেনে না চলার কারণে কোনো সমস্যা হয় বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
কোন মাস ও দিনকে অশুভ ও কুলক্ষণে মনে করা এবং কোন রোগ-ব্যাধিকে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক মনে করার ব্যাপারে সম্মানিত শরীয়তে কোন বিধি-নিষেধ আছে কি না? জানিয়ে বাধিত করবেন।
জাওয়াব: (১ম অংশ)
কোন মাস ও দিনকে অশুভ ও কুলক্ষণে মনে করা কুফরী এবং একইভাবে কোন রোগ-ব্যাধিকে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে মনে করাটাও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
বর্ণিত রয়েছে, আইয়্যামে জাহিলিয়াতে ছফর মাসকে অশুভ ও কুলক্ষণে মনে করা হতো। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আন’আম শরীফের ৭০ নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ সমস্ত লোকদেরকে পরিত্যাগ করুন, যারা তাদের দ্বীনকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে এবং নছীহত করুন এ ব্যাপারে যে, প্রত্যেক ব্যক্ বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই মুসলমানদেরকে আক্বীদা শুদ্ধ করতে হবে, কেননা এটাও কাফির-মুশরিকদের একটা ষড়যন্ত্র। যে মুসলমানদেরকে ছোঁয়াচে বিশ্বাস করিয়ে ঈমানহারা করা। মূলত, শরীয়তের দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে রোগের কোন অস্তিত্ব নেই। ছোঁয়াচে রোগ বিশ্বাস করা জায়িয নেই। বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধ করা যায় শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে। সেই দিকটা বিবেচনা করে নিমের গুণাগুণ তুলে ধরা হলো।
নিম গাছকে (বহু গুণাগুণের কথা বিবেচনা করে) ‘একুশ শতকের বৃক্ষ’ বলে ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
শরীরের সৌন্দর্য চর্চা থেকে সব কিছুতেই নিমপাতা উপকারী। চিকিৎসকদের তথ্যানুযায়ী নিম, একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এটি ফ্রি র্যাডিকেলগুলির প্রভাবকে হ্রাস করে।
নিম পাতায় থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য। এসব রাসায়নিক মানবস্বাস্থ্য ও বৈশ্বিক কৃষি ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠছে। এসব রাসায়নিক ব্যবহারে হতে পারে ক্যানসার, নিউরোডেভেলপমেন্টাল ক্ষতি, স্থূলতা ও ডায়াবেটিস। এছাড়া হরমোনজনিত (এন্ডোক্রাইন) সমস্যা বিশেষত বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টিতে প্রভাব রাখছে এসব দ্রব্য।
রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি ও রোগব্যয় বছরে ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার (দুই লাখ সত্তর হাজার কোটি টাকা) পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি বাকি অংশ পড়ুন...












