উতাইবার ভয়াবহ পরিণতি:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মালঊন উতাইবার এই নিকৃষ্ট আচরণে চরম অসন্তুষ্ট হন এবং তার বিরুদ্ধে বদদোয়া করেন-
اَمَا اِنِّـىْ اَسْأَلُ اللهَ اَنْ يُّـسَـلِّـطَ عَلَيْكَ كَلْبًا مِّنْ كِلَابِه
অর্থাৎ সাবধান! নিশ্চয়ই আমি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করছি, তিনি যেন উনার কুকুরসমূহ থেকে একটি কুকুরকে তোর উপর গালিব বা প্রবল করে দেন। সুবহানাল্লাহ!
এর কিছুদিন পর সে কুরাইশদের একটি বানিজ্য কাফেলার সাথে সিরিয়ায় ব্যবসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে পথিমধ্যে একস্থানে রাত যাপনের জন্য তাঁবু খাটায়। যেই স বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
قال حضرت علي عليه السلام قال النبي صلى الله عليه وسلم اتقوا غضب حضرت عمر عليه السلام فإن الله تعالى يغضب إذا غضب حضرت عمر عليه السلام
অর্থ: “হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার অসন্তুষ্টি মুবারক উনাকে ভয় করো। কেননা, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তখন অসন্তুষ্ট মুবারক প্রকাশ করেন, যখন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি অ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عن حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم ينادي مناد يوم القيامة أين الفاروق فيؤتى بحضرت عمر عليه السلام إلى الله تعالى فيقال مرحبا بك يا حضرت أبا حفص عليه السلام هذا كتابك إن شئت فاقرأه وإن شئت فلا فقد غفرت لك فيقول الإسلام يا رب هذا حضرت عمر عليه السلام أعزني في دار الدنيا فأعز في عرصات القيامة فعند ذلك يحمل على ناقة من نور ثم يكسى حلتين لو نشرت أحدهما لغطت الخلائق ثم يسير بين يديه سبعون ألف ملك ثم ينادي مناد يا أهل الموقف هذا حضرت عمر بن الخطاب عليه السلام فاعرفوه
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া মিসরের শুষ্ক নীলনদের প্রতি ফরমান মুবারক লিখে পাঠিয়ে ছিলেন-
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
مِنْ عَبْدِ اللهِ عُمَرَ اَمِيْرِ الْمُؤْمِنِينَ اِلـٰى نِيْلِ اَهْلِ مِصْرَ اَمَّا بَعْدُ فَاِنْ كُنْتَ اِنَّـمَا تَـجْرِيْ مِنْ قِبَلِكَ وَمِنْ اَمْرِكَ فَلَا تَـجْرِ فَلَا حَاجَةَ لَنَا فِيْكَ وَاِنْ كُنْتَ اِنَّـمَا تَـجْرِىْ بِاَمْرِ اللهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ وَهُوَ الَّذِىْ يُـجْرِيْكَ فَنَسْأَلُ اللهَ تَعَالٰى اَنْ يُّـجْرِيَكَ
অনুবাদ:
বিস্মিল্লাহির রহ্মানির রহীম
“এই সম্মনিত চিঠি মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা, আম বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিশেষ বুলন্দ মুবারক উনার মধ্যে একখানা শান মুবারক হচ্ছেন- তিনি হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
বাতিল বাহাত্তর ফিরক্বার লোকেরা উনার মুবারক শানে চূ-চেরা, কিল-কাল করে থাকে কম জ্ঞান, কম বুঝের কারণে। কিছু মাল’উন আছে ইচ্ছাকৃতভাবে উনার হায়াতুন নবী, হাজির-নাজির, মুত্ত্বলা আলাল গইব ইত্যাদি বুলন্দী শান মুবারক নিয়ে চূ-চেরা করে থাকে। উদ্দেশ্য কি করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারক খাটো করা যায়। নাঊ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র তিরমিযী শরীফ ও মিশকাত শরীফ কিতাবে একখানা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কতিপয় ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এক স্থানে বসে (অতীতের হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা সম্পর্কে) আলোচনা করছিলেন।
এ সময় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের নিকটবর্তী স্থানে পৌঁছে (আড়াল থেকে) উনাদের কথা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গিয়ে দেখলাম, তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে নছীহত মুবারক করছেন। উনার মহাসম্মানিত নূরুল ওয়ারা মুবারক অর্থাৎ পেট মুবারক উনার উপরে তখন কাপড়ের পট্টি মুবারক বাঁধা ছিলো।
আমি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে জিজ্ঞাসা করলাম, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুল ওয়ারা মুবারক অ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৯ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুস সাব্ত শরীফ (শনিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “জান্নাতের ছাদ হলো আরশে আযীমের নিচে। জান্নাত আরশে আযীমের নিচে। সবই আরশে আযীমের নিচে। আরশে আযীমকে আল বাকি অংশ পড়ুন...
৩১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নখ মুবারক نُوْرُ اللِّبَاسِ مُبَارَكٌ নূরুল লিবাস মুবারক
৩২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঠোঁট মুবারক نُوْرُ الْـحَمْرَاءِ مُبَارَكٌ নূরুল হাম্রা’ মুবারক
৩৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পেট মুবারক نُوْرُ الْوَرَعِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়ারা’ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “এই মাসের ৩ তারীখ অর্থাৎ ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৩রা শাওওয়াল শরীফ ইয়াওমুল আহাদ চাশতের সময় আমি দেখলাম- যিনি খ্বাালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাক বাকি অংশ পড়ুন...
২৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অশ্রু মুবারক نُوْرُ الْـمَحَبَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল মুহব্বত মুবারক
২৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চুল মুবারক نُوْرُ الْفَتْحِ مُبَارَكٌ নূরুল ফাত্হ মুবারক
৩০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাড়ি মুবারক نُوْرُ النِّعْمَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নি‘য়ামত মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...












