জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
সারসংক্ষেপ:
সাল ঘটনা/পরিবর্তন বিশদ তথ্য
১৯৪৬ কথিত মানবাধিকার কমিশন গঠন ইহুদীসংঘের প্রথম কথিত মানবাধিকার সংস্থা
১৯৪৮ Universal Declaration of Human Rights (actually Declaration of Inhumanity) বিশ্বব্যাপী কথিত মানবাধিকার ঘোষণা
১৯৫০-২০০০ কাজেঠবাকি অংশ পড়ুন...
কেমন আপনারা? সেটাই যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
مُسْلِمَاتٍ مُّؤْمِنَاتٍ قَانِتَاتٍ تَائِبَاتٍ عَابِدَاتٍ سَائِحَاتٍ
এখানে ছয়টা সম্মানিত ছিফত মুবারক যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মান আল্লাহ পাক তিনি নিজ থেকেই ইরশাদ মুবারক করেছেন। এই ছয়টা ছিফতের মধ্যেই উনাদের সমস্ত বিষয়গুলি যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি স্পষ্ট করে ইরশাদ মুবারক করে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
مُسْلِمَاتٍ
মুসলমান। মুসলমান কাকে বলে? যিনি পরিপূর্ণ আতœসমর্পণকারী। মুসলমান য বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
নারী-পুরুষ উভয়ের পবিত্রতা রক্ষার অতীব কার্যকর উপায় হচ্ছে পর্দার হুকুম। এই হুকুম অনুসরণের মাধ্যমেই হৃদয়-মনের পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব। পর্দার এই সুফলের কথা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে।
ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ
অর্থ: “পর্দার হুকুম তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৩)
অর্থাৎ মানবসমাজকে পবিত্র ও পঙ্কিলতামুক্ত রাখতে পর্দার কোনো বিকল্প নেই।
বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা আমরা এক কথায় বলে থাকি মহাসম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে বলা হয়েছে-
اَلنَّبِـىُّ اَوْلـٰى بِالْمُؤْمِنِيْنَ مِنْ اَنْفُسِهِمْ وَاَزْوَاجُه اُمَّهٰتُهُمْ.
“মহাসম্মানিত মহপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা মু’মিনদের নিকট তাঁদের জানের চেয়ে অধিক প্রিয় এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত মহাপবিত্র পিতা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এব বাকি অংশ পড়ুন...
মানব রচিত শাসন ব্যবস্থা, যার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ তরীক্বা মানুষের দ্বারা রচিত, বিশেষ করে বিধর্মীদের দ্বারা বিশেষ করে ইহুদীদের দ্বারা উদ্ভাবিত ও প্রবর্তিত- তা অনুসরণ-অনুকরণ করা ঈমানদার মুসলমানদের জন্য জায়িয নেই।
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য মতবাদ অনুসরণ করা নিষেধ, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থ : যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম (নিয়ম-নীতির) অনুসরণ করে, তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না এবং সে বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- বেহেশতের দরজায় লেখা রয়েছে-
اَلدَّيُّوثُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ
অর্থ: দাইয়ূছ অর্থাৎ যে পুরুষ কিংবা মহিলা নিজে পর্দা করে না এবং তার অধিনস্থদেরকে পর্দা করায় না সে বেহেশতে প্রবেশ করবে না। (মুসনাদে আহমদ)
বাকি অংশ পড়ুন...
وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الألْبَابِ
আর জ্ঞানী ছাড়া, যারা হাক্বীক্বী আলিম, হাক্কানী-রব্বনী উনারা ছাড়া এই বিষয়গুলো আসলে কেউ উপলদ্ধি করতে পারবে না। নাউযুবিল্লাহ! এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কিন্তু স্পষ্ট বলে দিয়েছেন। এখানে আর কোন চূ-চেরা, কীল-কালের কোন সুযোগ নেই। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ নাযিল করা হয়েছে, পবিত্র আয়াতে মুহকামাহ স্পষ্ট আদেশ-নির্দেশ মুবারক দেয়া হয়েছে। সাথে সাথে সেখানে বলা হচ্ছে, পবিত্র আয়াতে মুশাবাহা রয়ে গেছে।
এগুলি
وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللهُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এক মুনাফিক কিছু বাতিল ও মনগড়া দলীল জোগাড় করে মূর্তিকে জায়িয প্রমাণ করার অপচেষ্টা করেছে। তার মূল বক্তব্য হচ্ছে, যে মূর্তিকে পূজা, আরাধনা, ইবাদত করা হয়, যেটা মানুষকে মুশরিক বানায়; সেটা নিষেধ। কিন্তু যে মূর্তিকে আরাধনা ইবাদত করা হয় না বরং যে মূর্তি সৌন্দর্য বাড়ায়, সুসজ্জিত করে সেটা নিষেধ নয়।
অতএব, উক্ত ব্যক্তির এ ধরণের যুক্তি কতটুকু ইসলামসম্মত? দলীলসহ জাওয়াব দিয়ে বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।
জাওয়াব (২য় অংশ):
অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে- হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইà বাকি অংশ পড়ুন...












