টুপির ফতওয়া সম্পর্কিত কতিপয় বিষয়ের সংশয় নিরসন:
কেউ কেউ “ফতওয়ায়ে রশীদিয়ার” বরাত দিয়ে বলে থাকে যে, সব ধরনের গোল টুপিই পরিধান করা জায়েয।” আবার কেউ কেউ “ফতওয়ায়ে মাহমুদীয়ার বরাত দিয়ে বলে থাকে যে, গোল টুপি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়। কারণ গোল টুপি “সুনানে হুদা” অর্থাৎ দ্বীনী আমলের অর্ন্তভুক্ত নয়। সুতরাং টুপি একটি পরিধান করলেই চলে।
তাদের উক্ত বক্তব্যের জবাবে বলতে হয় যে, ফতওয়ায়ে রশীদিয়ার বক্তব্য দ্বারা কস্মিনকালেও সব ধরনের গোল টুপি জায়েয প্রমাণিত হয় না। কারণ টুপি সম্পর্কে “ফতওয়ায়ে রশীদিয়া- ৫৮৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে-
سوال - گول ٹوپی اوڑھنا ک বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্তম বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلَا اُخْبِرُكَ يَا حَضْرَتْ عُمَرُ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّ حَضْرَتْ جِبْرِيْلَ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَتَانِـىْ فَاَخْبَرَنِـىْ اَنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدْ بَرَّاَ حَضْرَتْ مَارِيَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَقَرِيـبَهَا مِـمَّا وَقَعَ فِـىْ نَفْسِىْ وَبَشَّرَنِـىْ اَنَّ فِـىْ بَطْنِهَا غُلَامًا مِّـنِّــىْ وَاَنَّهٗ اَشْبَهُ الْـخَلْقِ بِىْ وَاَمَرَنِـىْ اَنْ اُسَـمِّـىَ ابْنِىْ اِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَكَنَّانِـىْ بِاَبِـىْ اِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ وَلَوْلَا اَنِّـىْ اَكْرَهُ اَنْ اُحَوّ বাকি অংশ পড়ুন...
এ ব্যাপারে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
وَلَهٗ فِىْ كُلِّ شَهْرٍ مِنْ حَمْلِهٖ نِدَاءٌ فِى الْاَرْضِ وَنِدَاءٌ فِى السَّمَاءِ اَنْ اَبْشِرُوْا فَقَدْ اٰنَ اَنْ يّظهر اَبُو الْقَاسِمِ مُحَمَّد الْـمُصْطَفى صلى الله عليه وسلم مَيْمُوْنًا مُّبَارَكًا.
অর্থ: “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিতা আম্মাজান সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ থাকাবস্থায় (মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে) প্রতি মাসে আসমান ও যমীনে ঘোষণা দেয়া হতো যে, আপনারা সবাই সুসংব বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ‘মহাসম্মানিত রগাইব শরীফ’ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সময় যে সকল বরকতময় ওয়াকেয়া মুবারক সংঘটিত হয়েছিলো, সে সকল বরকতময় ওকেয়া মুবারক উনাদের পুনরাবৃত্তি ঘটেছিলো হযরত আবনাউ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের এবং হযরত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মহাসম্মানিত রগাইব শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের সময় বাকি অংশ পড়ুন...
৩) মালি সাম্রাজ্যে! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষের রাজ্য!
ঘানা সাম্রাজ্যের ধ্বংসের উপরই একসময় উৎপত্তি হয় মালি সাম্রাজ্যের। এই সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক ছিলেন দুইজন। একজন হলেন মালি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা “সুন্দিয়াতা”। যিনি ১২৩০ হতে ১২৫৫ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। অপর বিখ্যাত শাসক ছিলেন “মানস মুসা”।
মানস মুসা ১৩১২ সাল থেকে ১৩৩৭ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ২৫ বছর মালি সাম্রাজ্য তথা আজকের মালি, মৌরতানিয়া, সেনেগাল, নাইজারকে শাসন করেছিলেন। তিনি খুবই দ্বীনদার ছিলেন। তার আগের শাসকরা যেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় স্কলারের অপছন্দের ছিলেন, সে জায়গা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাত, মালিকুল কায়িনাত, যাবীহুল্লাহ্ সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যখন আজিমুশ্শান নিসবাতুল আযীমাহ শরীফ উনার বয়স হয়ে গেল তখন আরবের সম্ভ্রান্তশীলা মহিলারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে বিবাহ বসার প্রস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِيْنَ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং ছাদিক্বীন বা সত্যবাদীগণ উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করো।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৯)
অর্থাৎ একমাত্র আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরই ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করতে হবে।
বিশিষ্ট ওলীআল্লাহ হযরত আলী হাজবিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, “সাইয়্যিদুত ত্বায়িফা হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নাম মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত মুহম্মদ আলাইহিস সালাম।
পবিত্র কুনিয়াত মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ জা’ফর আলাইহিস সালাম।
বিশেষ পবিত্র লক্বব মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত বাকির আলাইহিস সালাম।
মশহুর পবিত্র লক্বব মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
সম্মানিত পিতা ইমামুর রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত আলী আওছাত যাইনুল আবেদীন আলাইহিস সালাম।
সম্মানিতা মাতা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার মেয়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু আব্দিল্লাহ ফাতিমা আছ ছানিয়াহ আলাইহাস সা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, মানুষের অন্তরে কম হোক বেশী হোক যতটুকু অহংকার প্রবেশ করে ততটুকু জ্ঞান অবশ্যই হ্রাস পায়। তিনি বলেন, বজ্র মু‘মিন ব্যক্তি এবং যে মু‘মিন নয় এমন ব্যক্তির উপর পতিত হয়, কিন্তু কোন যিকিরকারীর উপর ইহা পতিত হয় না। সুবহানাল্লাহ!
হযরত জাবির জু‘ফী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে সাক্ষাত করলে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে বললেন, হে জাবির! আমি চিন্তিত এবং আমার অন্তর ব্যস্ত। হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মু’জিযা শরীফ সম্পর্কে বিভিন্ন কিতাবে উল্লে¬খ আছে। উনার কতিপয় সম্মানিত মু’জিযা শরীফ নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
(১) বর্ণিত আছে যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার জন্য একদিন তৎকালীন যালিম শাসক উনাকে স্বীয় দরবারে তাশরীফ নেয়ার জন্য আরজী পেশ করে। তিনি উনার সময় মতো যালিম শাসকের দরবারে তাশরীফ মুবারক রাখেন। উনার উপস্থিতি দেখে যালিম শাসক স্বীয় আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে উনাকে সম্মান বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল সম্মানিত সৌন্দর্য মুবারক ও শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক সম্পর্কে ‘আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে,
فَقَالَ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ ذَبِيْـحُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ) لِاُمّـِهٖ عَلَيْهَا السَّلَامُ اُرِيْدُ مِنْكِ اَنْ تَـخْطُبِـىْ لِـىَ امْرَاَةً ذَاتَ حُسْنٍ وَّجَمَالٍ وَّقَدٍّ وَّاعْتِدَالٍ وَّبَـهَاءٍ وَّكَمَالٍ وَّحَسَبٍ وَّنَسَبٍ عَالٍ قَالَتْ حُبًّا وَّكَرَامَةً يَّا وَلَدِىْ ثُـمَّ اِنَّـهَا دَارَتْ اَحْيَاءَ قُرَيْشٍ وَّبَنَاتِ الْعَرَبِ فَلَمْ يُعْجِبْهَا اِلَّا سَيِّـدَتُنَـا حَضْرَتْ اُمُّ رَسُوْلِ বাকি অংশ পড়ুন...












