যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিবস পালন সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللهِ إِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: (সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার!) আপনি উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন বা দিবসসমূহ স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিনসমূহ স্মরণ বা পালন করার মধ্যে ছবরকারী ও শোকরকারী সকল বান্দা-বান্দীদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে। (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
উল্লেখ্য ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম, ইয়াওমু আশূরা, ইয়াওমুল জুমুয়াহ, বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত পরিচিতি মুবারক:
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ্বমিসাহ আলাইহাস সালাম উনার নাম মুবারক হযরত যয়নাব আলাইহাস সালাম। উনার সম্মানিত পিতার নাম হযরত খুযায়মা ইবনুল হারিছ আলাইহিস সালাম। তিনি বনু হিলাল গোত্রের লোক ছিলেন। সম্মানিতা মাতার নাম হযরত হিন্দ বিনতে আওফ আলাইহাস সালাম। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ্বমিসাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতার দিক থেকে ১৭তম পুরুষে যেয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মিলিত হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! উনার ৬ষ্ঠতম পূর্বপুরুষ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন, ইবলিস ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে। কিন্তু ইবলিস সবচাইতে বেশী খুশি হয় কিসে জানা আছে কি? ইবলিসের মজলিশ বসে প্রতিদিন। যেমন- আলিম-ওলামাদের মজলিশ বসে থাকে। ঠিক তদ্রুপ ইবলিসের মজলিশ বসে থাকে পানির উপরে। প্রতিদিন দিনের শেষে বসে ইবলিসের মজলিশ। সে বসে তাদের সকলকে নিয়ে, যারা তার খাছ শারগেদ রয়েছে, অর্থাৎ বিশিষ্ট শয়তান যারা রয়েছে, তারা তার মজলিশে হাজিরা দেয়, উপস্থিত হয়। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পরে ইবলিস সবাইকে জ বাকি অংশ পড়ুন...
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
অর্থ: তোমরা যারা জানো না, তারা আহলে যিকির আল্লাহওয়ালা, হক্কানী-রব্বানী আলিম উনাদেরকে জিজ্ঞেস করে জেনে নাও। ” (পবিত্র সূরা নহল শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ- ৪৩) বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عن حَضْرَتْ اَبِـيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِى صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ استفرهوا ضحاياكم فانها مطاياكم على الصراط
অর্থ : “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণি। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুগুলো শক্তিশালী ও মোটা-তাজা দেখে নির্বাচন কর। কারণ এগুলো তোমাদের পুলসিরাতের উপর চড়ে যাওয়ার বাহন হবে। ” (দাইলামী-মুসনাদুল ফিরদাউস ১/৮৫)
আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
سَـمِّنُوْا ضُحَايَاكُمْ فَاِنَّـهَا عَلَ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে যে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে সাদৃশ্য রাখবে, সে ব্যক্তি তাদেরই দলভুক্ত হবে। (মুসনাদে আহমদ শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ)
উপরোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বর্ণনা দ্বারা স্পষ্ট প্রমা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ত্বাহারাত হাছিলকারীকে মুহব্বত করেন:
আর মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে মুহব্বত করেন, যাঁরা ত্বাহারাত বা পবিত্রতা হাছিল করতে পছন্দ করেন- যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِبُّوْنَ أَنْ يَّتَطَهَّرُوْا وَاللّٰهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ
অর্থ: “সেখানে (মসজিদে কুবা শরীফে) এমন অনেক লোক আছেন, যাঁরা ত্বাহারাত বা পবিত্রতা হাছিল করতে পছন্দ করেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি ত্বাহারাত বা পবিত্রতা হাছিলকারীদেরকে মুহব্বত করেন”। (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ,পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৮)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হলে মহাসম বাকি অংশ পড়ুন...












