১) সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনাকে সম্পদ থেকে বঞ্চিত করেছেন। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
২) এর ফলে সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার সাথে পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের আগ পর্যন্ত কথা মুবারক বলেননি। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
৩) এবং উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীকা আলাইহাস সালাম তিনি কথা না বলার বিষয়টা উল্লেখ করেছেন। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
অথচ এই বর্ণনার মধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
দু’ব্যক্তি বা দু’দলের নিকট দু’ধরনের কথা বলে কলহ বা ফ্যাসাদ সৃষ্টি করাকে চোগলখোরি বলা হয়।
চোগলখোরের খারাবী ও লাঞ্ছনা সম্পর্কে অনেক আয়াত শরীফ ও হাদীছ শরীফ ইরশাদ মুবারক হয়েছে।
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ ◌ هَـمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيْمٍ ◌ مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ اَثِيْمٍ ◌ عُتُلٍّ بَعْدَ ذٰلِكَ زَنِيْمٍ
অর্থ: “এরূপ ব্যক্তির কথা মান্য করো না যে বহু শপথকারী, লাঞ্ছিত, নিন্দুক, চোগলখুরির উদ্দেশ্যে ভ্রমণকারী, নেক কাজে বাধাদানকারী, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপী, কঠোর প্রকৃতির, অতঃপর অবৈধ সন্তান। ” (পবিত্র সূরা ক বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভবিষ্যৎ বাণী:একবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুল হুমাম, সিবতু রসূল আর রবি’, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম এবং ইমামুল হুমাম, সিবতু রসূল আর খমিস, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাদেরকে নিয়ে হুজরা শরীফ-এর বাইরে বের হলেন। একটি খেজুর গাছের নিচে বসলেন। উনাদের দুজনকে দুপার্শ্ব মুবারকে বসালেন। উনাদেরকে নানা ধরনের ওয়াকিয়া (ঘ বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত শাহ্ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘ইযালাতুল খফা শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন,
بينا عمر رضي الله عنه ذات ليلةٍ يَعُسّ سمع صوت امرأةٍ من سطح وهي تُنشد
تطاول هذا الليل وازدرّ جانبه - وليس الي جنبي خليلٌ الاعبه
فوالله لو لا الله لا شئ غيره - لزعزع من هذا السرير جوانبه
مخافة ربي والحياء يصدني - واكرم بعلي ان تنال مراكبه
فقال عمر لا حول ولا قوة الا بالله ماذا صنعت يا عمر بنساء المدينة ثم جاء فضرب الباب علي حفصة ابنته فقالت ماجاء بك في هذه الساعة قال اخبريني كم تصبر المرأة المغيبة عن اهلها قالت اقصاه اربعة اشهر فلما اصبح كتب الي امرائه في جميع النواحي ان لا تجمّر البعوثُ وان لا يغيب رجلٌ عن اهله اكثر من اربعة اشهر.
অ বাকি অংশ পড়ুন...
ইমাম ত্ববারনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন,
عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ جَارِيَةً لِحَفْصَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَحَرَتْهَا، فَاعْتَرَفَتْ بِهِ عَلَى نَفْسِهَا، فَأَمَرَتْ حَفْصَةُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بن زَيْدٍ، فَقَتَلَهَا
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনার একটা দাসী ছিলো, সে ইবনাতু আবীহা, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘য়াহ আলাইহাস সালাম উনাকে জাদু করে। তারপর সে নিজে এ বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেয়। তখন ইবনাত বাকি অংশ পড়ুন...












