নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভূক্তিমূলক দেশ গঠনের কথা বলছে। আমেরিকাও নতুন সরকারকে ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভূক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন করতে তাগিদ দিয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ জানে না, এই ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দের মধ্যে কি ‘বিষ’ লুকিয়ে আছে ? সত্য হচ্ছে, এই ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভূক্তিমূলক শব্দের মধ্যে রয়েছে এক গভীর ষড়যন্ত্র। মূলতঃ ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভূক্তিমূলক রাষ্ট্রের নাম দিয়ে দেশে সমকামীতাকে বৈধ করার চেষ্টা হবে। পুরুষ-মহিলা ভিন্ন আরো শত শত বানোয়াট লিঙ্গ তৈরী করে দেশে এক অরাজক পরিস্থিতি করা হবে। স বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকে বন্যা সমস্যার মূল কারণ হিসেবে বর্ষাকালে ভারতের বাধ খুলে দেয়াকে মনে করে। আসলে উজানের দেশ ভারতে বন্যা পরিস্থিতি হলে সেটির প্রভাব ভাটির দেশ বাংলাদেশে পড়বে এমনটাই নিয়ম। আর শত্রু রাষ্ট্র ভারত নিজের লাভের জন্য বাংলাদেশের ক্ষতি চাইবে এবং সময়-সুযোগ বুঝে বাঁধ খুলে দিবে, এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু তার প্রতিরোধে আমরা কি করেছি, সেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
এজন্য যে কোন মৌসুমে বন্যা প্রতিরোধে প্রথম দরকার হচ্ছে বাংলাদেশের নদীগুলো খনন করা। লক্ষ্য করলে দেখবেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ নদী পলি, পাথর ও বালু জমে নাব্যতা হারিয়েছে। এতে ভারত য বাকি অংশ পড়ুন...
প্রধান উপদেষ্টা প্রায় তার বক্তব্যে জাতীয় ঐক্যের কথা বলে। কিন্তু সম্প্রতি সে এক ভাষণে ‘আদিবাসী’ শব্দ উচ্চারণ করে জাতিকে আদিবাসী ও বাঙালী এই দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। তার ভাষণের পর পার্বত্য এলাকায় একদিকে আদিবাসী নাম দিয়ে উপজাতিরা আন্দোলনে নেমেছে, অন্যদিকে বাঙালীরাও ব্যাপক আন্দোলন বিক্ষোভ শুরু করেছে। ফলে দেশের পার্বত্যঞ্চলে নতুন করে উত্তে জনা ছড়িয়ে পড়েছে, আশঙ্কা তৈরী হয়েছে ব্যাপক সংঘাতের। অর্থাৎ মুখে ঐক্যের কথা বলেও বাস্তবে জাতিকে বিভক্ত করে সংঘাতের পথেই নামিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা। বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের আদিনিবাস বাংলাদেশ নয়, বরং ভারত, মায়ানমার বা তার আশেপাশের অঞ্চল। যেমন- মারমা নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস মায়ানমা বা মায়ানমার, লুসাই নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস ভারতের লুসাই পাহাড়, চাকমা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিনিবাস ত্রিপুরার কাছাকাছি চম্পক নগর, ত্রিপুরা (তিপ্রা) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিনিবাস ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, মণিপুরীদের আদিনিবাস ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্য, ম্রো বা মুরং-দের আদি নিবাস মায়ামমারের আরাকান, রাখাইনদেরও আদিনিবাস মায়ানমার। তাই এ সমস্ত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে কখনই আদিবাসী বলা যাবে বাকি অংশ পড়ুন...
আদিবাসী বলতে বুঝায় কোনো দেশ বা স্থানের আদি অধিবাসী বা যারা অতিপ্রাচীনকাল থেকে সেখানে বসবাসরত। সে অর্থে বাংলাদেশের ভূ-খ-ে বসবাসরত বাঙালিরাই প্রকৃত আদিবাসী। কিন্তু দেখা যায়, একটি কুচক্রী মহল প্রায় পার্বত্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ বলে দাবী করে, যা সম্পূর্ণ ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা কখনই মেনে নেয়া যায় না। বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস পার্বত্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ বলে সম্বোধন করেছে, যা বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৩ (ক) বিরুদ্ধ, যা দেশদ্রোহীতার সামিল। তাই প্রধান উপদেষ্টাকে অবিলম্বে তার বক্তব্য প্রত্যাহাপূর্বক ক্ষমা চাইতে হবে, নয়তো তাকে পদত্যাগ করতে হবে। বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ সালে যেমন বাংলাদেশের রাজধানী ছিল ঢাকা, তেমনিভাবে এখনো বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। রাজনীতি, সুনীতি, দুর্নীতি, অপরাজনীতি, বাণিজ্যনীতি, তোষণনীতি, শাসননীতি প্রভৃতি সব কিছুর রাজধানী ও কেন্দ্রভূমি হচ্ছে ঢাকা। সরকারের সব ধরনের প্রশাসনিক চিন্তার কেন্দ্রভূমি হচ্ছে ঢাকা। যেহেতু ঢাকাতেই সরকারের সচিবালয় অবস্থিত। এরকম সব নীতির রাজধানী বা কেন্দ্রভূমি ঢাকা মহানগরীতে হওয়ার কারণে উপকার থেকে অপকার বেশি হচ্ছে। যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য সমগ্র দেশকে ঢাকার দিতে তাকিয়ে থাকতে হয়।
প্রায় সব বেসরকারি ব্যাংক বা প্রাইভেট সেক্টরের ব্যাংকের স বাকি অংশ পড়ুন...
শহরগুলোতে যত্রতত্র বিভিন্ন কোম্পানীর অশ্লীল ছবিযুক্ত সাইনবোর্ড মুসলমান মু’মিনগণ উনাদের দৃষ্টি গোচর হয়। সাইনবোর্ডগুলো শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। ঢাকা শহরের কাকরাইল মোড়, যাত্রাবাড়ি, কমলাপুর, মালিবাগ, তেজগাঁও ইত্যাদি ছাড়াও অন্যান্য জেলা উপজেলা শহরের মোড়গুলোতে অশ্লীল ছবিযুক্ত সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। ঢাকার মালিবাগ মোড়ের মসজিদের উপরেও অশ্লীল ছবিযুক্ত সাইনবোর্ড লাগানো আছে। মুসল্লিরা নামায পড়তে মসজিদের দিকে মুখ ফিরালে সেই সাইনবোর্ডে চোখে পড়ে। এছাড়াও বাংলাদেশসহ ভারতীয় অশালীন নায়িকাদের কতই না সাইনবোর্ড, বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اَلْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُوْنَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ.
অর্থ: মুসলমান হল ঐ ব্যক্তি যার হাত ও মুখের অনিষ্টতা ও কষ্ট দেয়া হতে অপর মুসলমান নিরাপদ থাকে।
مسلم (মুসলিম) শব্দটি سلم ধাতু থেকে নির্গত, অর্থ: আত্মসমর্পন করা, বশ্যতা স্বীকার করা।
যে মু’মিন ব্যক্তি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সকল বিধি-বিধান তথা হালালকে হালাল, হারামকে হারাম, সুন্নাতকে সুন্নাত এবং বিদায়াতকে বিদায়াত হিসেবে জানেন এবং মানেন উনাকেই বলা হয় মুসলমান।
কিন্তু আজ বাংলাদেশে ৯৮% মুসলমান হলে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে তাকে ছুটি দেয়ার সময় অবশ্যই লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের সামান্য কিছু লোকের ছুটির প্রয়োজনে গোটা দেশের মানুষের ছুটি দিয়ে দিলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কেননা একদিন ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ করে রাখা। হাজার হাজার কোটি টাকা নষ্ট করা। শুধু তাই নয়, একদিনের ছুটির প্রভাবটি পড়বে দেশের সামগ্রীক জিডিপি’র উপর। ফলে দুর্বল হয়ে পড়বে অর্থনীতি।
দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে ছুটি নিয়ে কোনো নিয়ম-শৃঙ্খলা নেই বললেই চলে। যেমন- (১) সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা বাকি অংশ পড়ুন...
কে প্রথম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার বাংলা অনুবাদের সৌভাগ্যজনক এ কাজটি শুরু করেন। বেশিরভাগ মানুষই মনে করে গিরিশ সর্ব প্রথম পবিত্র কুরআন শরীফ বাংলা অনুবাদ করেছে। ১৮৭১ সালে গিরিশ সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ব্রাহ্ম্যধর্ম গ্রহণ করে, যে ধর্ম ছিলো ইসলামবিদ্বেষী অর্থাৎ এক আল্লাহ পাক দ্বিতীয় নাস্তিক।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অংশ বিশেষ আমপারা অনুবাদের প্রচেষ্টা গিরিশ এর পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনুবাদের বহু পূর্বে গ্রহণ করা হয়েছিল। আজ থেকে প্রায় ২১০ বছর পূর্বে ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলা চিলাখাল মটুকপুর গ্রাম নিবাসী মৌলভী বাকি অংশ পড়ুন...
সম-অধিকার নিয়ে এত হইচই। কিন্তু কথিত এই ‘সম-অধিকার’ শুধুমাত্র অমুসলিম-বিধর্মী ও বেপর্দা নারীদের ক্ষেত্রেই কেন বেশি উচ্চারিত হয়। হিন্দুরা পূজা করবে, বৌদ্ধরা ফানুস ওড়াবে, উপজাতিরা বৈসাবি করবে তখনই সম-অধিকারের পতাকাবাহীদের দেখা যায়। তখন দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, যানজট সৃষ্টি করে ম-পে পূজা হতে থাকে। উচ্চ শব্দে ঢোল-তবলা ও উলুধ্বনি হতে থাকে। রং ছিটাছিটি হতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু যখন মুসলমান নারী পর্দা করতে চায়, তখন নিরপত্তার অজুহাতে তার চেহারা খুলতে বলা হয়, তাকে ছবি তুলতে বাধ্য করা হয়, পর্দা করলে চাকরি বাকি অংশ পড়ুন...












