বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের আদিনিবাস বাংলাদেশ নয়, বরং ভারত, মায়ানমার বা তার আশেপাশের অঞ্চল। যেমন- মারমা নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস মায়ানমা বা মায়ানমার, লুসাই নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস ভারতের লুসাই পাহাড়, চাকমা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিনিবাস ত্রিপুরার কাছাকাছি চম্পক নগর, ত্রিপুরা (তিপ্রা) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আদিনিবাস ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, মণিপুরীদের আদিনিবাস ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্য, ম্রো বা মুরং-দের আদি নিবাস মায়ামমারের আরাকান, রাখাইনদেরও আদিনিবাস মায়ানমার। তাই এ সমস্ত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে কখনই আদিবাসী বলা যাবে বাকি অংশ পড়ুন...
আদিবাসী বলতে বুঝায় কোনো দেশ বা স্থানের আদি অধিবাসী বা যারা অতিপ্রাচীনকাল থেকে সেখানে বসবাসরত। সে অর্থে বাংলাদেশের ভূ-খ-ে বসবাসরত বাঙালিরাই প্রকৃত আদিবাসী। কিন্তু দেখা যায়, একটি কুচক্রী মহল প্রায় পার্বত্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ বলে দাবী করে, যা সম্পূর্ণ ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যা কখনই মেনে নেয়া যায় না। বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস পার্বত্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীকে ‘আদিবাসী’ বলে সম্বোধন করেছে, যা বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৩ (ক) বিরুদ্ধ, যা দেশদ্রোহীতার সামিল। তাই প্রধান উপদেষ্টাকে অবিলম্বে তার বক্তব্য প্রত্যাহাপূর্বক ক্ষমা চাইতে হবে, নয়তো তাকে পদত্যাগ করতে হবে। বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের জোর করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করছে শিক্ষার্থীরা। এতে অনেকে বলছে, ছাত্ররা শিক্ষকদের সম্মান করছে না কেন? আসলে সম্মান এমনি এমনি আসে না, সম্মান অর্জন করে নিতে হয়। শিক্ষার্থীরা এমন অনেক শিক্ষকের পদত্যাগ চাইছে যারা ছাত্রীদের বোরকা পরতে বাধা দিতো, ছাত্রীদের নানান উপায়ে অনৈতিক কাজে বাধ্য করতো। আবার কিছু শিক্ষক আছে, যারা দায়িত্বশীল পদে থেকে এসব অন্যায় অনাচার দেখেও না দেখার ভান করতো, অনেক সময় তাদের প্রত্যক্ষ মদদে এসব অনৈতিক কাজ চলতো। কিন্তু সে দায়িত্বশীল হয়েও অনৈতিকার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ ন বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানকালে দেশে আইন শৃঙ্খলা শিথিলতার সুযোগ নিয়ে কিছু সালাফি, আহলে হাদীস ও আব্দুল ওহাব নজদীর অনুসারী বিভিন্নস্থানে মাজার শরীফ ভাঙচুর করছে। ওলীআল্লাহ উনাদের মুবারক শানে বেয়াদবী করছে। (নাউযুবিল্লাহ) এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ওলীআল্লাহ মানে হচ্ছে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু। উনার শানে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি আমার কোন ওলীর সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করলো আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করলাম। ” (হাদীস শরীফ)।
তাই যে বা যারা আল্লাহ পাক উনার ওলীর শানে বেয়াদবি করলো, উনার মাজার শরীফ ভাঙচুর করলো, সে স্বয়ং আল্লাহ পাক বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান কালে ত্রাণ দেয়ার সময় সবাই হারাম ছবি তুলে। ত্রাণ গ্রহীতার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেয়। এ কারণে বাস্তব অর্থে যারা অভাবগ্রস্ত, তারা ত্রাণ নিতে আসে না। বরং ত্রাণ নিতে ভিক্ষুক ও কাড়াকাড়ি করা লোকজন। একেকজন ১০-২০ জনের করে ত্রাণ নেয়।
আসলে মানুষের মান-সম্মানের দাম অমূল্য। সামান্য ত্রাণ নিতে গেলে ছবি তুলে যদি ভাইরাল করা হয়, তখন ঐ ব্যক্তি সামাজিকভাবে অনেক হেনস্তা ও লজ্জার শিকার হয়। একজন ব্যক্তি বিপদে পরে ত্রাণ নিতে পারে, কিন্তু সে নিশ্চয়ই ভিক্ষুক বা নিচু হয়ে যায় না। তাই ত্রাণ দেয়ার সময় কেউ হারাম ছবি তুলবেন বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকে বলছে, উপজাতিকে ‘আদিবাসী’ বললে কী ক্ষতি হবে? সামান্য একটি শব্দে কী এমন সমস্যা হবে?
আসলে উপজাতিদের আদিবাসী বলা এক বিরাট সমস্যা। যারা বিষয়টি না জানে, তাদের উচিত বিষয়টি জেনে তারপর কথা বলা। মূলত কোন দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা উপজাতিরা যদি আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তবে জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী ঐ জাতিগুলো স্বায়ত্বশাসন চাইতে পারে, প্রয়োজনে গণভোট করে পৃথক দেশের দাবী তুলতে পারে। ফলে পার্বত্য এলাকায় বসবাস করা উপজাতিদের আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিলে তারা তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজস্ব পৃথক রাষ্ট্রের দাব বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ করে বাংলাদেশে বড় বড় শিল্প-কারখানায় আগুন দেয়া হচ্ছে। লুটপাট করা হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকার মালামাল। যে বা যারা এই কাজগুলো করছে তারা কখনই বাংলাদেশের ভালো চায় না, তারা আসলে বাংলাদেশের শত্রু। কারণ এসমস্ত শিল্প-কারখানার সাথে কোটি কোটি মানুষের রুটি-রুজি জড়িত। এসব ধ্বংস করলে কোটি কোটি মানুষ বেকার হয়ে পড়বে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই এসব কলকারখানার মালিক যে দলেরই হোক না কেন, এসব কলকারখানা ধ্বংস বা আগুন দেয়া কখনই গ্রহণযোগ্য না। যে বা যারাই এসব করছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহী। এসব ধ্বংসাত্মক কাজের সাথে জড়িত বাকি অংশ পড়ুন...
বাঙালীরা এ অঞ্চলের আদি পুরুষ বা আদিবাসী। এ ভূমি যে বাঙালীদের তা বহু আগে থেকেই প্রচলিত। যার অনুসরণে ১৩৫২ সালে সুলতান ইলিয়াস শাহ ১৬ টি জনপদ একত্রিত করে বঙ্গের নাম দেন বাঙ্গালাহ। কিন্তু মাত্র কয়েকশ’ বছর আগে পাহাড়ি এলাকায় মায়ানমার ও ভারত থেকে পালিয়ে আসা কতিপয় উপজাতি গোষ্ঠীকে হঠাৎ করে আদিবাসী বলে দাবী করা একেবারেই মিথ্যা কথা । ঠিক যেভাবে, ইউরোপ থেকে আসা ইহুদীরা ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে আদিবাসী দাবী করছে, ঠিক তেমন। বাংলাদেশে বর্তমানে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার নাম দিয়ে। কিন্তু উপজাতি গোষ্ঠীগুলো আদ বাকি অংশ পড়ুন...
নতুন সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মায়ানমারের আরাকান আর্মির সাথে বৃহৎ পরিসরে সম্পর্ক তৈরী করতে আগ্রহী পত্র-পত্রিকায় খবর এসেছে। মূলতঃ আরাকান আর্মি হচ্ছে মায়ানমারের একটি বিদ্রোহী দল, যারা মগ বা বৌদ্ধ বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালে আরাকানে যে রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা হয়েছিলো, তার শুরুটা করেছিলো এই বৌদ্ধ মগ বা আরাকান আর্মি। এই দলটি মূলত মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতায় বার্মার সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে লিপ্ত। তাই এ দলটির সাথে সখ্যতাও বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না, বরং মগ বিদ্রোহ বার্মার সীমানা ছেড়ে বাংলাদেশের ভেতরে বাকি অংশ পড়ুন...
একজন ছাত্রের মূল কাজ হচ্ছে লেখাপড়া করা। বর্তমান কালে দেখা যাচ্ছে, ছাত্ররা সব কাজ করে, যেমন- ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে, বন্যায় ত্রাণ দেয়, আন্দোলন বিক্ষোভ করে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ছাত্রদের যেটা মূল কাজ, মানে লেখাপড়া করা সেটাই ঠিক মত করে না। ২০১৯ সালে ঠিক মত এসএসসি/এইচএসসি পরীক্ষা হয়েছিলো। কিন্তু ২০২০ সাল থেকে ৪ বছর যাবত আর ঠিক মত পরীক্ষা হচ্ছে না, ফলে বাচ্চাদের লেখাপড়াও হচ্ছে না। এর মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম হচ্ছে, তারা লেখাপড়ার ব্যাপারে খুব দুর্বল। এ বিষয়টি জাতির জন্য খুবই উদ্বেগের বিষয়। এদিকে আমাদের জরুরী ভিত্তিতে খেয়াল দেয়া বাকি অংশ পড়ুন...
রবীন্দ্রের লেখা ‘আমার সোনার বাংলা’ গানের মোট লাইন সংখ্যা ২৫টি। এর মধ্যে প্রথম ১০ লাইনকে জাতীয় সংগীত করা হয়। কিন্তু পুরো ২৫ লাইন পড়লে একটি বিষয় স্পষ্ট, মুশরিক রবী ঠগ নিজ দেশকে দেব-দেবী হিসেবে কল্পনা করে এ গানটি রচনা করেছে। সুতরাং কোন মুসলমান এই গান পাঠ করলেও সে শিরক করবে এবং মুশরিক হয়ে যাবে। তাই সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে এই মুশরিকি গান পাঠ অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বাকি অংশ পড়ুন...












