কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের একদল বিজ্ঞানী গবেষণা চালিয়ে উদ্ভাবন করেছেন বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মাল্টিরোটর সোলার ড্রোন, যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার বা প্রায় ছয় ইঞ্চি। ওজনেও সেটি অত্যন্ত হালকা, মাত্র ৭১ গ্রাম। ‘মাইক্রো সোলারকপ্টার’ নামে পরিচিত এ সিস্টেমটি সৌরশক্তির মাধ্যমে চার্জযোগ্য ব্যাটারির শক্তিতে চলবে। অসামান্য এ সাফল্যের মূলে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. হাসান শহীদ।
তার নেতৃত্বেই হয়েছে এ গবেষণা। এর মধ্যেই উদ্ভাবনটি জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বখ্যাত সোলার মিডিয়া প্ল্যাটফরম পিভি ম্যাগাজিন বাকি অংশ পড়ুন...
এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর কাছাকাছি একটি ছোট গ্রহাণু, ২০২৫ পিএন৭ শনাক্ত করেছে। এটি এখন পৃথিবীর একটি ‘কোয়াসি স্যালেটাইট’ বা ‘আধা-উপগ্রহ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
২০২৫ পিএন৭ হলো কোয়াসি-স্যাটেলাইট (অথবা কোয়াসি-চাঁদ) নামক একটি বিরল ধরনের বস্তু। এই ধরনের বস্তুগুলো গ্রহের কক্ষপথের কাছে থাকে, তবে মহাকর্ষের মাধ্যমে পুরোপুরি গ্রহের সঙ্গে আবদ্ধ নয়।
নাসা নিশ্চিত করেছে যে এই অর্ধ-উপগ্রহটি পৃথিবীর চারপাশে একটি পথ অনুসরণ করছে এবং সম্ভবত ২০৮৩ সাল পর্যন্ত এর অবস্থান বজায় থাকবে।
‘২০২৫ পিএন৭’ খুবই ছোট। গবেষকদের অনুম বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ বা অন্যান্য উন্নত প্রাণীর মধ্যে আহতদের সেবা করার প্রবণতা দেখা যায়, কিন্তু তাই বলে পোকামাকড়? আশ্চর্য্য মনে হলেও, বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে যে আফ্রিকার এক বিশেষ প্রজাতির পিঁপড়া তাদের আহতদের শুধুমাত্র উদ্ধারই করে না, বরং তাদের ক্ষতস্থানে রীতিমতো ‘অ্যান্টিবায়োটিক’ প্রয়োগ করে চিকিৎসাও করে।
এই পিঁপড়াটির নাম মাতাবেলে, যারা প্রধানত উঁইপোকা শিকার করে জীবনধারণ করে। উঁইপোকার দুর্গের ভেতর এই শিকার অভিযান খুবই বিপজ্জনক, যার ফলে প্রায়ই অনেক পিঁপড়া মারাত্মকভাবে আহত হয় বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হারায়।
গবেষকরা দেখেছে, এই পিঁপড়ারা তাদের বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকেরই দেখা যায় মাঝে মধ্যে হাতের তালু কিংবা পায়ের পাতায় এক ধরনের ঝিনঝিন অনুভব হয়। মনে হয় যেন পিঁপড়া হেঁটে যাচ্ছে কিংবা তালু চুলকাচ্ছে। অনেকের ধারণা, এটি কিছু না, রক্ত চলাচলের সমস্যা হবে বৈকি। একটু নড়াচড়া করলেই ঠিক হয়ে যায়। আসলে তা ঠিক নয়। এটি আপনার চিন্তাভাবনার বাইরে। এটি শুধুই রক্ত চলাচলের কারণে নয়; শরীরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভিটামিনের ঘাটতির কারণে এমনটি হতে পারে?
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছে, এমন উপসর্গ যদি বারবার দেখা দেয় কিংবা দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে তা হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে এ সমস্যা ভবিষ্যতে স বাকি অংশ পড়ুন...
হাঁচি দেওয়ার সময় চোখ খোলা রাখার চেষ্টা করলে ব্যর্থ হতে হবে। এটি এমন একটি অদ্ভুত শারীরিক প্রক্রিয়া যা প্রায় সব মানুষের ক্ষেত্রেই ঘটে। কিন্তু কেন? কেন আমরা হাঁচি দেওয়ার সময় চোখ বন্ধ করতে বাধ্য হই? এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁচি দেওয়ার সময় চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি স্বয়ংক্রিয় প্রতিবর্তী ক্রিয়া। এর মানে হলো, এই কাজটি করার জন্য কাউকে সচেতনভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হয় না, মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নির্দেশ পাঠায়।
যখন আমাদের নাকের ভেতরে কোনো অস্বস্তিকর কণা বা জীবাণু প্রবেশ করে, তখন মস্তিষ্ক সেটিকে সজোরে বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের হুসেনাবাদে ৯০ বছর বয়সী ফাইয়াজ আলী খান তার ‘ওয়াসিকা’ বা রাজকীয় পেনশন নিতে পিকচার গ্যালারিতে আসেন। বয়সের ভারে হাত কাঁপলেও চোখে এখনও উজ্জ্বলতা আছে।
ফাইয়াজ আলী খান ১২০০ জন প্রাপকের মধ্যে একজন, যারা আওয়াধ রাজবংশের উত্তরাধিকার সূত্রে এই পেনশন পান। ‘ওয়াসিকা’ ফারসিতে চুক্তিকে বোঝায়। এটি মূলত সাবেক অযোধ্যা রাজ্যের নবাবদের বংশধর এবং সহযোগীদের জন্য মঞ্জুর করা হয়েছিলো। ১৮৫৬ সালের আগে অযোধ্যার নবাবরা এই অঞ্চলের শাসক ছিলেন।
ভারতে রাজতন্ত্র না থাকলেও, উত্তরপ্রদেশ, কেরালা, রাজস্থানসহ কিছু রাজ্যে নবাব পরিবারের জন্য ওয়াসিকা প বাকি অংশ পড়ুন...
সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার প্রবাজপুর গ্রামে অবস্থিত এ মসজিদটি ১১০৪ হিজরীর ১৯শে রমাদ্বান ২রা মে ১৬৭৮ মতান্তরে ১৬৯৩ খিস্টাব্দে নির্মিত। শাসক আওরঙ্গজেবের সময় তার ফৌজদার নবাব নুরুল্লাহ খাঁ এ মসজিদের নামে লাখেরাজে ৫০ বিঘা জমি লিখে দেন। স্থানীয় তথ্যসূত্রে জানা গেছে, শাসক আওরঙ্গজেবের সুবেদার পরবাজ খাঁ বাদশাহর কাছ থেকে নির্দেশ পেয়ে সেনাবাহিনীর নামাজ পড়ার জন্য এটি নির্মাণ করেন। তার নামানুসারে এ গ্রামের নাম হয় প্রবাজপুর।
জেলার মধ্যে সবচেয়ে টেরাকোটা সমৃদ্ধ মসজিদ এটি। কলিগঞ্জ উপজেলা সদর হতে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে এর বাকি অংশ পড়ুন...
ফল শরীরের অন্যতম প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস। এতে থাকে ভিটামিন, মিনারেলস, কার্বোহাইড্রেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট- যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বকের যতেœ সাহায্য করে এবং হজমের সমস্যাও কমায়। তবে সব কিছুরই যেমন নিয়ম আছে, ফল খাওয়ারও আছে সঠিক সময় ও উপায়। তা না মানলে উপকারের বদলে হতে পারে ক্ষতি।
* কখন এবং কিভাবে ফল খাবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফল একটি সম্পূর্ণ খাবার। তাই এটি মূল খাবারের সঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়।
খাবার খাওয়ার কমপক্ষে আধা ঘণ্টা আগে বা এক ঘণ্টা পরে ফল খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
খাবারের সঙ্গে ফল খেলে এতে থাকা শর্করা ও কার্বোহাইড্রে বাকি অংশ পড়ুন...
দুপুরের খাবারের পর আমাদের অনেক সময় ক্লান্তি ও অলসতা পায়, তখন অনেকে স্বল্প সময় বিশ্রাম নেন। এ বিশ্রামকে হাদীছ শরীফের ভাষায় বলে ‘কায়লুলা’। বাংলায় ‘আহারঘুম’ বললে এর কাছাকাছি অর্থ হয়।
কায়লুলা আমাদের দিনের পরবর্তী অংশকে প্রাণবন্ত ও সক্রিয় করে তোলে। বর্তমানে বিজ্ঞান কায়লুলার অনেক উপকারিতা উল্লেখ করছে। এটি খাছ সুন্নতী একটি আমল।
বিজ্ঞানীরা মনে করে, দুপুর বেলায় স্বল্প সময়ের ঘুম মানুষের শরীর ও মনকে সতেজ করে, চিন্তা ও মনোযোগ পুনসঞ্চয় ঘটায় ও কাজের সক্রিয়তা বৃদ্ধি করে।
‘সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স’ জার্নালে ২০০২ সালে প্রকাশিত এক গবেষ বাকি অংশ পড়ুন...
শনির বরফে ঢাকা উপগ্রহ এনসেলাডাসে প্রাণের অনুকূল পরিবেশ থাকতে পারে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই উপগ্রহের বরফকণায় এমন কিছু জটিল জৈব অণু রয়েছে, যা জীবনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সহায়ক হতে পারে।
গবেষণাটি ‘নেচার অ্যাস্ট্রোনমি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় অংশ নেয় জার্মানির স্টুটগার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। তারা নাসার ক্যাসিনি মহাকাশযান থেকে পাওয়া পুরোনো তথ্য বিশ্লেষণ করে এনসেলাডাসের বরফকণায় জীবনের উপাদান খুঁজে পায়।
গবেষক নোজাইর বলেছে, আমরা এনসেলাডাসের বরফে জটিল জৈব যৌগ পেয়েছি। পৃথিবীতে এ ধরনে বাকি অংশ পড়ুন...












