উনার কতিপয় কারামত মুবারক:
(৩)
“কারামতে আহমদী” কিতাবের ৪৫ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হজ্জে যাওয়ার সময় সমুদ্রের মধ্যে স্টিমারে মিষ্টি পানি শেষ হয়ে গিয়েছিলো। জাহাজের পরিচালকরা তা হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে অবগত করলে তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট দোয়া করতে বসে গেলেন। দোয়া করার সময় উনার নিকট ইল্হাম হলো যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এই স্থানের সমুদ্রের পানি মিষ্টি করে দিয়েছেন। যে পরিমাণ পানি ইচ্ছা হয় জাহাজে পূর্ণ করে নেয়া যাবে। তখন তিনি জাহাজের পরিচালকদ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘গরতু খাহী হাম নশীনী বা খোদা, গো নশীনী দর হুজুরে আউলিয়া’
অর্থাৎ তুমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে বসতে চাও, তাহলে হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের দরবারে বসো।
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘চশমে রওশন কুঞ্জে খাকে আউলিয়া, তাববিনী এবতেদা তা এন্তেহা’
অর্থাৎ হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের পদধুলি দ্বারা তোমার চক্ষু উজ্জল করো, তাহলে শুরু হতে শেষ পর্যন্ত দেখতে পাবে। সুবহানাল্লাহ!
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘আঁ নাকে খাকরা বনজর কিমিয়া কুনন্দ, আয়া বুয়াদ কেহ গোশায়ে চশম বমাকুনন্দ’
অর্থাৎ যারা দৃষ্টি দ্বারা মাটিকে স্বর্ণ করেন, কতইনা উ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْحَسَنِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مُرْسَلًا قَالَ بَلَغَنِى أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَعَنَ اللهُ النَّاظِرَ وَالْمَنْظُورَ إِلَيْهِ
অর্থ: হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেন, আমার নিকট এই পবিত্র হাদীছ শরীফ পৌঁছেছে, যে দেখে এবং দেখায় তার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” (বাইহাক্বী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম পাক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পব বাকি অংশ পড়ুন...
অন্য এক রিওয়ায়েতে এসেছে-
لَا تَرَي رَجُلًا وَلَا يَرَاهَا رَجُلٌ
কোন পুরুষ তাকে দেখবে না এবং কোন পুরুষকেও সে মহিলা দেখবে না।’
قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘সেটা শুনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন-
فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِضْعَةٌ مِنِّي
‘হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আমার কলিজার টুকরা।’ কাজেই আমার যে জবাব উনি সেটাই দিয়েছেন।’ সুবহানাল্লাহ!
কারণ মেয়েদের জন্য সবচাইতে উত্তম আমল হচ্ছে, কোন পুরুষকে সে দেখবে না, কোন পুরুষও তাকে দেখবে না।
এ প্রসঙ্গে বর্ণিত রয়েছে, গাউছুল আ’যম, সাইয় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ও তাবৎ কাফির, মুশরিক, নাস্তিক আর বিধর্মীরা লাফালাফি করলেও ইতিহাস থেকে প্রমাণিত যে, ভারতবর্ষ মুসলমানরাই সাজিয়েছিলো প্রায় ৭০০ বছর শাসন করে। কিন্তু মুসলমানদের এই সকল অবদান ভুলে গিয়ে অকৃতজ্ঞ বেইমান বিধর্মীরা আজ ভারতে একের পর এক পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শান মুবারকের খেলাফ কার্যক্রম জারি করছে, মসজিদে আযান দেয়া বন্ধ করে দিচ্ছে, মুসলমানদেরকে শহীদ করছে, এমনকি দেশ থেকে পুশইন করে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে, বিনা দোষে হামলা-মামলা দিয়ে বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করে বাস্তুচ্যুতি ঘটাচ্ছে।
মূলত, এর পেছনে রয়েছে আলিম নামধারী যাল বাকি অংশ পড়ুন...
উনার কতিপয় কারামত মুবারক:
(১)
“তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ২০/২১ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে, এক সময় হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার হুজরা শরীফে শোয়া অবস্থায় চিন্তা করতেছিলেন, না জানি এই যামানার কুতুবুল আকতাব (গাউছ) কে? তখন তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট উক্ত কুতুবুল আকতাবের যিয়ারতের জন্য আরজু করলেন। এই দোয়া করা মাত্র তা কবুল হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি বাতাসকে আদেশ মুবারক দিলেন যে, বিছানাসহ হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে সেই যামানার কুতুবুল আকতাব উনার নিকট পৌঁছে দিতে।
তিনি অনেক দেশ, প বাকি অংশ পড়ুন...
গোসল করার তারতীব
গোসলের প্রকার:
গোসল চার প্রকার। যথা- ১. ফরয, ২. ওয়াজিব, ৩. সুন্নত ও ৪. মুস্তাহাব।
যেসব কারণে গোসল ফরয হয়:
১. চৈতন্য বা নিদ্রাবস্থায় কামভাবে মনি (বীর্য) বের হয়ে স্থানচ্যুত হলে।
২. নির্জনবাসের পর, যদিও বীর্যপাত না হয়।
৩. ইহ্তিলামে (স্বপ্নদোষে) যদি বীর্যপাত হয়।
৪. স্ত্রীলোকের হায়িয কিংবা নিফাস বন্ধ হয়ে গেলে- সে যদি নামায আদায়, তিলাওয়াতে কুরআন শরীফ ইত্যাদির ইচ্ছা করলে।
৫. কোনো কাফির স্ত্রীলোক হায়িয কিংবা নিফাস বন্ধ হওয়ার পূর্বে বা পরে মুসলমান হলে।
৬. কোনো ব্যক্তি প্রথম ইহ্তিলাম (বীর্য স্খলিত বা স্বপ্নদোষ) হওয়ায় বালেগ বলে বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে বলা হয়,
عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ، أَنَّهُ كَانَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَ : أَيُّ شَيْءٍ خَيْرٌ لِلْمَرْأَةِ اَوْ خَيْرٌ لِلنِّسَاءِ ؟ فَسَكَتُوا ، قَالَ فَلَمَّا رَجَعْتُ قُلْتُ لِفَاطِمَةَ : أَيُّ شَيْءٍ خَيْرٌ لِلنِّسَاءِ ؟ قَالَتْ لَا يَرَيْنَ الرِّجَالَ وَلَا يَرَاهُنَّ الرِّجَالُ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ : إِنَّمَا فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِضْعَةٌ مِنِّي
“হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, একদিন যারা বিশিষ্ট ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সকলেই বসেছিলেন, “হযরত ইমামুল আউওয়াল বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি ইলমে লাদুন্নী প্রাপ্ত মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ ওলী ছিলেন:
একবার পরীক্ষা করার জন্য তিনজন আলিম হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে নির্জনে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর জিজ্ঞাসা করলেন। তিনি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের তাফসীর এমন সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করলেন যে, উক্ত তিনজন আলিম আশ্চর্য হয়ে গেলেন এবং শেষ পর্যন্ত উনার নিকট ক্ষমা চেয়ে মুরীদ হয়ে গেলেন। “তাওয়ারিখে আজিবার” ৩৮ পৃষ্ঠায় একথা উল্লেখ আছে।
“সাওয়ানেহ আহমদী, সীরাতে সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ ১ম খন্ড, “তাওয়ারীখে আযীবা” কিতাবের ৯-১০ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে, “ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَذَانٌ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ إِلَى النَّاسِ يَوْمَ الْحَجِّ الْأَكْبَرِ أَنَّ اللَّهَ بَرِيءٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ وَرَسُولُهُ فَإِنْ تُبْتُمْ فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللَّهِ وَبَشِّرِ الَّذِينَ كَفَرُوا بِعَذَابٍ أَلِيمٍ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে পবিত্র হজ্জে আকবার উনার দিনে সমস্ত মানুষের প্রতি ঘোষণা দেয়া হচ্ছে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাকি অংশ পড়ুন...












