ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার একান্ত খাদেম হযরত নাফে’ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার তাবেয়ী ছাত্রদের বলতেন, এ যুগে যদি হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বেঁচে থাকতেন, তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত মুবারক অনুসরণের ক্ষেত্রে উনার কঠোরতা দেখে তোমরা বলতে, লোকটি পাগল। তিনি ৮৪ বছর, অন্য বর্ণনায় ৮৭ বছর জীবিত ছিলেন এবং শৈশবকালেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারক অর্থাৎ হাত মুবারকে বা বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তোমাদেরকে যে পবিত্র নিয়ামত মুবারক হাদীয়া করা হয়েছে এ বিষয় তোমরা মানুষদের মধ্যে প্রকাশ করে দাও, বলে দাও, জানায়ি দাও উনাদের মহাসম্মানিত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কারণ যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَئِن شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ
সম্মানিত নিয়ামত মুবারক লাভ করার পর শোকরগুযার বাকি অংশ পড়ুন...
(১) কোনো রোগকে ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা শিরক।
(২) করোনাকে ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা শিরক।
(৩) সন্দেহ নেই শিরককারী অবশ্যই জাহান্নামী।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্য ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَحْيَاهَا فَكَأَنَّمَا أَحْيَا النَّاسَ جَمِيعًا
(আর যে ব্যক্তি কোন মানুষের জীবন রক্ষা করল, তাহলে সে যেন সমস্ত মানুষের জীবন রক্ষা করল)
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
- হে মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দাগণ! আপনারা চিকিৎসা গ্রহণ করুন। কেননা, মহান আল্লাহ পাক এমন কোনো রোগ সৃষ্টি করেননি, যার প্রতিকারও তিনি সৃষ্টি করেননি। (আবু দাউদ শরীফ)
সুতরাং চিকিৎসা গ্রহণ করা শুধু দুনিয়াবী প্রয়োজন নয়; বরং এটি আল্লাহর দেওয়া জীবন ও স্বাস্থ্যের হক আদায়ের একটি অংশ।
বর্তমান সময়ে হাà বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন যে, বর্তমান যামানায় মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ শুনবে এবং আমল করবে।
তবে তিনটা আয়াত শরীফ আমল তারা ছেড়ে দিয়েছে এবং তার গুরুত্ব অনুধাবনে মানুষ অক্ষম হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে মানুষেরা! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা থেকে সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও হযরত উম্মুল বাশার হাওয়া আলাইহাস সালাম উনাদের থেকে সৃষ্টি করেছি।
তবে গোত্রে গোত্রে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভক্ত করেছি। যাতে একজন আরেকজনের পরিচয় পেতà বাকি অংশ পড়ুন...
আপাতত নিয়ত করে সে এটা করুক যে আমি ইছলাহ হাছিল করতে চাই, আমি আল্লাহওয়ালা হতে চাই। আমি ওলীআল্লাহ হতে চাই। ছেলে হোক মেয়ে হোক, পুরুষ হোক মহিলা হোক কোশেশ করে সে নিয়ত করুক। যে আমার আক্বীদা শুদ্ধ হয়ে যাক, হুসনে যন পয়দা হোক, অন্তরটা বিশুদ্ধ হয়ে যাক এই নিয়ত করে তার কোশেশ করা উচিত। সময়তো কারো জন্য থাকে না। সময় তার গতিতে চলবে। একদিন চক্ষু বন্ধ হয়ে যাবে তখন কি করবে।
كُلُّ نَفْسٍ ذَآئِقَةُ الْمَوْتِ
প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে। কাজেই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন দুনিয়ার সমস্ত মুসলমান পুরুষ-মহিলা, ঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
غَيْرِ الْمَغْضُوْبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّيْنَ
“(তোমরা দোয়া করো। আয় আল্লাহ পাক!) আমাদেরকে তাদের পথ দিবেন না যারা গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত (খাছভাবে মাগদ্বুব অর্থ ইহুদী এবং দোয়াল্লীন অর্থ নাছারা। আর আমভাবে সমস্ত কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন, বাতিল ফিরক্বার অনুসারী সবাই এর অন্তর্ভুক্ত)। (পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: ৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও শত্রুতার প্রকাশ:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও কাট্টা মুনাফিক, নিকৃষ্ট কাফির ইহুদীদের পুরাতন খাছলত মুসলিম শত্রুতার প্রকাশ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (League of Nations) সৃষ্টি।
ইহুদীদের কূটকৌশলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মুসলমানদেরকে বিশà বাকি অংশ পড়ুন...












