কাজেই যিনি হাক্বীক্বী আলিম হবেন, উনার এই গুণগুলি থাকতে হবে- দুনিয়া থেকে বিরাগ হতে হবে, আখেরাতের প্রতি ঝুঁকে থাকতে হবে, গুণাহ্র প্রতি সতর্ক থাকতে হবে, ইবাদতের মধ্যে সবসময় মশগুল থাকতে হবে, সুন্নতের পাবন্দ হতে হবে, মাথার তালু থেকে পায়ের তলা। মুসলমানদের সম্ভ্রম নষ্ট করা যাবে না, সম্পদের প্রতি লোভ করা যাবে না এবং সব সময়েই মানুষকে নছীহত করার মধ্যে থাকতে হবে, তাহলে উনি হবেন হাক্বীক্বী আলিম। যেটা
إِنَّمَا يَخْشَى اللهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ
.এর ব্যাখ্যার অন্তর্ভুক্ত। কাজেই প্রত্যেক ব্যক্তিকেই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তঠবাকি অংশ পড়ুন...
আর এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, হযরত ইমামুশ্ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে; আলিম কাকে বলা হয়? হাক্বীক্বী ফক্বীহ্ বা আল্লাহওয়ালা কাকে বলা হয়?
উনি জবাবে বলেছিলেন-
إِنَّمَا الْفَقِيهُ اَلزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا اَلرَّاغِبُ فِي الآخِرَةِ اَلْبَصِيرُ بِذَنْبِهِ، اَلْمُدَاوِمُ عَلَى عِبَادَةِ رَبِّهِ اَلْوَرِعُ اَلْكَافُّ عَنْ أَعْرَاضِ الْمُسْلِمِينَ، اَلْعَفِيفُ عَنْ أَمْوَالِهِمْ اَلنَّاصِحُ لِجَمَاعَتِهِمْ
জবাব দিয়েছিলেন-
إِنَّمَا الْفَقِيهُ
নিশ্চয় ফক্বীহ্ বা আল্লাহওয়ালা বা আলিম ঐ ব্যক্তি-
اَلزَّاهِدُ فِي الدُّنْيَا
যে দুনিয়া থেকে বিরাগ।
اَلرَّاغِبُ فِي الآخِرَةِ
যিনি পরকালের দ বাকি অংশ পড়ুন...
মালে তেজারত বা ব্যবসায়িক মালের সম্মানিত যাকাতসাধারণভাবে মালে তেজারত বা ব্যবসার মাল অর্থাৎ যে মালের ব্যবসা করা হয়, তা যদি নিছাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর কারো মালিকানাধীনে থাকে, তাহলে তার উপর যাকাত ফরয হয়।
ব্যবসার পণ্য বা আসবাবপত্রের সম্মানিত যাকাত (সোনা-রূপার নিছাবে রূপার মূল্য ধরে) :
الزكوة واجبة فى عروض التجارة كائنة ما كانت اذا بلغت قيمتها نصابا من الورق اى من ورق الفضة او الذهب يقومها بـما هو انفع للفقراء و الـمساكين منهما.
অর্থ : “ব্যবসায়ের মাল যে প্রকারেরই হোক না কেন, তার দাম সোনা-রূপার নিছাব পরিমাণ হলেই সম্মানিত যাকাত ওয়াজিব হয় সোনা অথবা রূপার মধ্য থেকে যার দাম ধরলে গরীঠবাকি অংশ পড়ুন...
হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, মহান আল্লাহ পাক! এর দ্বারা কি আপনার সন্তুষ্টি, রেজামন্দী পাওয়া যাবে?
মহান আল্লাহ পাক তিনি জানালেন- না, শুধু কর্তৃত্ব দ্বারা আমার রেজামন্দী হাছিল করা সম্ভব হবে না।
তখন হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম বললেন- আয় মহান আল্লাহ পাক! দ্বিতীয় যে জিনিসটি আমার জন্য রাখা হয়েছে অর্থাৎ ইলিম, সেই ইলিম যদি আমি গ্রহণ করি, তাহলে আপনার রেজামন্দী পাওয়া যাবে কি?
মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, হ্যাঁ ইলিম যদি গ্রহণ করেন তাহলে আমার সন্তুষ্টি লাভ করা যাবে।
তখন হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আয় মহান আল্লাহ পাক! তà বাকি অংশ পড়ুন...












