বাদশাহ আলমগীর তখন ছোট ছিলেন। তিনি দৌড়ে এসে জানালেন হযরত মুল্লা যিউন রহমতুল্লাহি আলাইহিকে যে, হুযূর আপনাকে হয়তো গ্রেফতার করা হবে, পুলিশ আসবে। তিনি বললেন, তাই নাকি? এক কাজ করো আমার ওযূর বদনা লও, আর মিছওয়াক লও।
سِلاَحُ الْمُؤْمِنِ اَلْوُضُوءُ
ওযূ হচ্ছে- মু’মিনদের অস্ত্র। ওযূ করে তোমার পিতা বাদশাহ শাহ্জাহানের বিরুদ্ধে আমি বদ্ দোয়া করবো যেন তার রাজত্ব ধ্বংস হয়ে যায়। এটা শুনে বাদশাহ আলমগীর ভয় পেলেন।
তিনি তাড়াতাড়ি গিয়ে উনার পিতা বাদশাহ শাহ্জাহানকে জানালেন যে, হযরত মুল্লা যিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি গোসসা করেছেন। যেহেতু তিনি হক্ব ফতওয়া দিয়েছà§ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রিয় দেশবাসী-
রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ কিবলা, সাইয়্যিদুনা হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি অত্যন্ত দয়া-দান, ইহসান করে দেশবাসীকে আঞ্জুমানে আল ফাল্লাহ্ (বাংলাদেশ কৃষক আঞ্জুমান) হাদিয়া করিয়াছেন। যাহার সুমহান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো-
(ক) কৃষি-কৃষক ক্ষেতমজুর ও দেশ বাঁচাও কৃষকের অধিকার আদায়ের দাবিতে আঞ্জুমানে আল ফাল্লাহ বাংলাদেশ কৃষক আঞ্জুমানের মাধ্যমে হক্ব আদায়ের আন্দোলন গড়ে তোলা।
(খ) দেশের সকল শ্রেণীর কৃষকদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় কৃষক আঞ্জুমান গড়ে তোলা।
যাহার ৮ দফা মুখ্য উদ্দেশ্য হলো-
১। জাতীয় বাজেটের à বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ وفى رواية لَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ
অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় বা হারাম কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেনো তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেনো যবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি যবানের দ্বারাও বাধা দিতে না পারে তাহলে যেনো অন্তরে তা ঘৃণা করে উক্ত অন্যায় বা হা বাকি অংশ পড়ুন...
তাই তিনি বললেন যে, আপনার একার কথায় হবেনা, লিখিত ফতওয়া দিতে হবে। কারণ অন্যান্য আলিমরা যদি আমাকে প্রশ্ন করে, আমি কি জাওয়াব দিব?
তখন সে মুফতী ছাহেব লিখিত দিলেন।
তখন তিনি বললেন যে, আপনার একার লেখা অর্থাৎ সিগ্নেচারের ফতওয়ায় হবেনা, আরো আলিমদের ফতওয়া বা স্বাক্ষর থাকতে হবে।
তখন সে মুফতী ছাহেব সারা দেশ থেকে তিনশত আলিমের স্বাক্ষর সংগ্রহ করলো। তারা সকলেই ফতওয়া দিলো যে, জরুরত বশতঃ অর্থাৎ অসুস্থতার কারণে বাদশাহ শাহ্জাহানের জন্য রেশমী কাপড় পরিধান করা জায়েয রয়েছে। কেননা বাদশাহ শাহ্জাহান যদি সুস্থ থাকেন, তবে সারা দেশ সুস্থ থাকবে। যেহেতু তিনি বাকি অংশ পড়ুন...
সেই মুল্লা যিউন রহমতুল্লাহি আলাইহি, তিনি ছিলেন বাদশাহ আলমগীরের ওস্তাদ, শাহ্জাহান তখন বাদশাহ। যে বাদশাহ শাহ্জাহান ছিলেন, হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মুরীদ ও বাদশাহ জাহাঙ্গীরের ছেলে।
বাদশাহ শাহ্জাহান ছোটবেলা থেকে হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ছোহ্বত ইখতিয়ার করেছিলেন। ইলমে ফিক্বাহ্, ইলমে তাছাউফ যথেষ্ট অর্জন করেছেন এবং হক্ব প্রতিষ্ঠা করার জন্য উনার পিতা বাদশাহ জাহাঙ্গীরের সাথে যুদ্ধ-জিহাদও করেছেন।
একবার যুদ্ধ করছিলেন, তখন যুদ্ধের অবস্থা বাদশাহ শাহ্জাহানের অনুকূলে ছিল। বাদশঠবাকি অংশ পড়ুন...












