মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَجْعَلُوْا دُعَاءَ الرَّسُوْلِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا
অর্থ: তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করে থাকো সেভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন করো না। (পবিত্র সূরা নূর: আয়াত শরীফ নং ৬৩) বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিনে রোযা রাখার বিষয়ে সরাসরি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে বর্ণনা বা দলীল রয়েছে। উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফখানা বিখ্যাত মুহাদ্দিছ, মুফাসসির, ফক্বীহ ও যুগশ্রেষ্ঠ আলিম, যিনি এই উপমহাদেশে পবিত্র হাদীছ শরীফ শাস্ত্রের প্রচার-প্রসারকারী, যিনি শতাধিক কিতাবের সম্মানিত মুছান্নিফ বা প্রণেতা, যিনি প্রত্যহ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যিয়ারত মুবারক লাভে ধন্য হতেন এবং যিনি সুপ্রসিদ্ধ ক্বদিরিয়া তরীক্বার বিশিষ্ট বুযুর্গ হযরত শায়েখ আব্দুল হক মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি বাকি অংশ পড়ুন...
মি’রাজ শরীফ রজব মাসের ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতেই হয়েছে। এটাই মশহূর বা প্রসিদ্ধ, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত। এর বিপরীত মতগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।
মি’রাজ শরীফ উনার মশহূর, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় তারা উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী। তাদের কোন কথাই সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য, মুসলমানগণের ঈমান-আমল ধ্বংস করার ক্ষেত্রে মুসলমানদের যারা চিহ্নিত শত্রু- ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজূসী ইত্যাদি তাবৎ কাফির-মুশরিক তারা পরোক্ষভাবে কাজ করে আর তাদের এজেন্ট উলামা বাকি অংশ পড়ুন...
বিলাদত শরীফ:
“সাইয়্যিদুল আওলিয়া, গাউছুল আ’যম, মাহবূবে সুবহানী, ইমামে রব্বানী, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিলাদত শরীফ থেকে বিছাল শরীফ পর্যন্ত পুরো জিন্দেগী মুবারকই কারামতে পরিপূর্ণ। ”
বিশুদ্ধ বর্ণনা মুতাবেক তিনি ৪৭১ হিজরী সনের ১লা রমাদ্বান শরীফ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ আনেন। উনার বিলাদতের কারণে ইরান বা পারস্য দেশের জিলান নগরী পুণ্যভূমিতে পরিণত হয়। (নাহফাতুল উনস, রাহজাতুল আসবার, যুবদাতুল আছার)
তিনি যখন উনার মাতা উম্মুল খায়ের, আমাতুল জাব্বার আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত ফাতিমা রহমতুল বাকি অংশ পড়ুন...
দীদার মুবারক পেয়ে ধন্য হলেন নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা:
তারপর তৃতীয় আসমানে হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনাকে দেখতে পেলাম। আমি উনাকে সালাম দিলাম। তিনি আমার সালামের জবাব দিয়ে বললেন: ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার প্রতি মুবারকবাদ।
অতঃপর হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে নিয়ে চতুর্থ আসমানে আরোহণ করলেন। সেখানে হযরত ইদরিস আলাইহিস সালাম তিনি অবস্থান করছিলেন। আমি উনাকে সালাম দিলাম। তিনি আমার সালামের জবাব দিয়ে বললেন: ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপ বাকি অংশ পড়ুন...
৩ নং আপত্তি : তুরষ্কের মাক্বতাবায়ে হাক্বীকাহ এটা প্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশ করেছে। ইতিপূর্বে এই ধরনের কোন বর্ণনা আর কোন কিতাবে দেখা যায় না। আর ২০০০, জুন মাসে প্রথম আল বাইয়্যিনাত শরীফে এসেছে খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র হাদীছ শরীফ। এছাড়া উক্ত জাল কিতাবের রেফারেন্স কেউ দেয়নি।
জাওয়াব :
এরপর কিছু আলোচনা করে ৮৯ পৃষ্ঠায় গিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছে,
১৯৯৩ সালের আগের কোন প্রকাশনা থেকে উক্ত হাদীছ শরীফ সমূহ কেউ উল্লেখ করেনি।
অনুরূপ মিথ্যা আপত্তি ওহাবী মতবাদ প্রচারকারী আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরও তার “হাদীসের নামে জালিয়াতি” নামক বাকি অংশ পড়ুন...












