মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন আমাদের জীবনে বিভীষিকার নাম হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মানুষের টিস্যু এবং সাধারণ খাবারেও এই উপাদান পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত যদি মাইক্রোপ্লাস্টিক রক্তে মিশতে থাকে, তাহলে মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে কমে যেতে পারে। তখন রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
মাইক্রোপ্লাস্টিকের কারণে পেটফাঁপা, অস্বস্তি, বমি বমি ভাবসহ গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি ক্যানসারও হতে পারে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে- মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং ন্যানো প্লাস্টিক ফুসফুস, লিভার, লিঙ্গ, রক্ত, প্রসাব, মল, মায়ের দুধ এবং এমনকি অস্থায়ী বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলার স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের শিকার হন। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে তারই প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় ইংরেজ বাহিনীর নিকট নবাব বাহিনীর পরাজয় ঘটে। এরপর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতা এবং মাদ্রাজ কুঠি এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করে। বাংলার সাফল্যে অনুপ্রাণিত ইংরেজ শিবির দক্ষিণ ভারতে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যস্ত হয়ে ওঠে।
দাক্ষিণ্যাত্যে অপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হওয়ার পথে ইংরেজদের প্রধান বাধা ছিল মহীশূরের সুলতান হায়দার আলী। ব্রিটিশের ঔপনিবেশিক অগ্রগতি থামাতে পিতা হায়দার আলী বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলার স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের শিকার হন। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে তারই প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় ইংরেজ বাহিনীর নিকট নবাব বাহিনীর পরাজয় ঘটে। এরপর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কলকাতা এবং মাদ্রাজ কুঠি এই উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করে। বাংলার সাফল্যে অনুপ্রাণিত ইংরেজ শিবির দক্ষিণ ভারতে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যস্ত হয়ে ওঠে।
দাক্ষিণ্যাত্যে অপ্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হওয়ার পথে ইংরেজদের প্রধান বাধা ছিল মহীশূরের সুলতান হায়দার আলী। ব্রিটিশের ঔপনিবেশিক অগ্রগতি থামাতে পিতা হায়দার আলী বাকি অংশ পড়ুন...
সৌদি আরব তৈরি করছে ‘নেওম’ নামের স্মার্টসিটি। এটি এমন একটি শহর হতে চলেছে যেটি হবে পুরোপুরি কার্বনমুক্ত। সর্বাধুনিক সুযোগ সুবিধাসহ দশ লাখ মানুষ এই শহরে বসবাস করতে পারবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বের সব কেন্দ্রেই বিশাল নগরকেন্দ্রিক বসতি গড়ে উঠছে। লাখ লাখ মানুষ সেখানে বসবাস করছে। কয়েক দশক আগের তুলনায় এমন বসতির আয়োজন আগের চেয়ে তিন গুণ বড় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে এশিয়া মহাদেশে এমন মেগাসিটির সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
সৌদি আরবে নেওম নামের এক প্রকল্পের আওতায় ১৭০ কিলোমিটার দূরত্বের শহরের চারটি কেন্দ্রস্থল যুক্ত করা হচ্ছে। সৌদি যুবরাজ এ বাকি অংশ পড়ুন...
গোরস্তানের প্রতিটি সড়ক কিংবা গলি নানা রকমের চিহ্ন দিয়ে ভরা। কখনো মানুষের ছবি রয়েছে, কখনো মানুষের ছবি ছাড়া। সে চিহ্ন ও নাম দিয়ে বিশেষ ব্যক্তির নামে থাকা প্লটকে নির্দেশ করে। একটা বড় পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত প্লটের বিস্তৃতি ওয়াদি আস সালামে আট বর্গমিটার। সেখানে প্রায় আট-নয়টি কবর দেয়া যায়। কবর দেয়ার একটা পদ্ধতি হলো সেরদাব। সাধারণত এ ধরনের কবর দুই-চার মিটার গভীর। মরদেহ রাখা হয় নিচের দিকে, তারপর কয়েক পর্যায়ে দেয়া হয় মাটি। কবর দেয়ার এ পদ্ধতি প্রাচীন। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার আমলেও এ ধরনের কবর প্রচলিত ছিল। ওয়াদি আস সালামের মাটিতে কবর দে বাকি অংশ পড়ুন...
গোরস্তানের প্রতিটি সড়ক কিংবা গলি নানা রকমের চিহ্ন দিয়ে ভরা। কখনো মানুষের ছবি রয়েছে, কখনো মানুষের ছবি ছাড়া। সে চিহ্ন ও নাম দিয়ে বিশেষ ব্যক্তির নামে থাকা প্লটকে নির্দেশ করে। একটা বড় পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত প্লটের বিস্তৃতি ওয়াদি আস সালামে আট বর্গমিটার। সেখানে প্রায় আট-নয়টি কবর দেয়া যায়। কবর দেয়ার একটা পদ্ধতি হলো সেরদাব। সাধারণত এ ধরনের কবর দুই-চার মিটার গভীর। মরদেহ রাখা হয় নিচের দিকে, তারপর কয়েক পর্যায়ে দেয়া হয় মাটি। কবর দেয়ার এ পদ্ধতি প্রাচীন। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার আমলেও এ ধরনের কবর প্রচলিত ছিল। ওয়াদি আস সালামের মাটিতে কবর দে বাকি অংশ পড়ুন...
গোরস্তানের প্রতিটি সড়ক কিংবা গলি নানা রকমের চিহ্ন দিয়ে ভরা। কখনো মানুষের ছবি রয়েছে, কখনো মানুষের ছবি ছাড়া। সে চিহ্ন ও নাম দিয়ে বিশেষ ব্যক্তির নামে থাকা প্লটকে নির্দেশ করে। একটা বড় পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত প্লটের বিস্তৃতি ওয়াদি আস সালামে আট বর্গমিটার। সেখানে প্রায় আট-নয়টি কবর দেয়া যায়। কবর দেয়ার একটা পদ্ধতি হলো সেরদাব। সাধারণত এ ধরনের কবর দুই-চার মিটার গভীর। মরদেহ রাখা হয় নিচের দিকে, তারপর কয়েক পর্যায়ে দেয়া হয় মাটি। কবর দেয়ার এ পদ্ধতি প্রাচীন। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার আমলেও এ ধরনের কবর প্রচলিত ছিল। ওয়াদি আস সালামের মাটিতে কবর দে বাকি অংশ পড়ুন...
গোরস্তানের প্রতিটি সড়ক কিংবা গলি নানা রকমের চিহ্ন দিয়ে ভরা। কখনো মানুষের ছবি রয়েছে, কখনো মানুষের ছবি ছাড়া। সে চিহ্ন ও নাম দিয়ে বিশেষ ব্যক্তির নামে থাকা প্লটকে নির্দেশ করে। একটা বড় পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত প্লটের বিস্তৃতি ওয়াদি আস সালামে আট বর্গমিটার। সেখানে প্রায় আট-নয়টি কবর দেয়া যায়। কবর দেয়ার একটা পদ্ধতি হলো সেরদাব। সাধারণত এ ধরনের কবর দুই-চার মিটার গভীর। মরদেহ রাখা হয় নিচের দিকে, তারপর কয়েক পর্যায়ে দেয়া হয় মাটি। কবর দেয়ার এ পদ্ধতি প্রাচীন। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার আমলেও এ ধরনের কবর প্রচলিত ছিল। ওয়াদি আস সালামের মাটিতে কবর দে বাকি অংশ পড়ুন...
গোরস্তানের প্রতিটি সড়ক কিংবা গলি নানা রকমের চিহ্ন দিয়ে ভরা। কখনো মানুষের ছবি রয়েছে, কখনো মানুষের ছবি ছাড়া। সে চিহ্ন ও নাম দিয়ে বিশেষ ব্যক্তির নামে থাকা প্লটকে নির্দেশ করে। একটা বড় পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত প্লটের বিস্তৃতি ওয়াদি আস সালামে আট বর্গমিটার। সেখানে প্রায় আট-নয়টি কবর দেয়া যায়। কবর দেয়ার একটা পদ্ধতি হলো সেরদাব। সাধারণত এ ধরনের কবর দুই-চার মিটার গভীর। মরদেহ রাখা হয় নিচের দিকে, তারপর কয়েক পর্যায়ে দেয়া হয় মাটি। কবর দেয়ার এ পদ্ধতি প্রাচীন। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার আমলেও এ ধরনের কবর প্রচলিত ছিল। ওয়াদি আস সালামের মাটিতে কবর দে বাকি অংশ পড়ুন...
ওপর থেকে দেখলে মনে হয় জনবহুল নগরী। ইটের স্থাপনা যেন পাশাপাশি লেগে থাকা ঘর। কিন্তু একটু সময় গেলেই ভেঙে যায় ভুল। স্থাপনাগুলো ঘর না, কবর। জায়গাটা নগরী বটে, তবে মরদেহের। লাখো মানুষের স্মৃতিচিহ্ন জিইয়ে রাখা নগরী। ইরাকের নাজাফে অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গোরস্তান ওয়াদি আস সালাম। কত শাসক, রাজপুত্র, ইমাম, সম্ভ্রান্ত বণিক আর দাপুটে বিজ্ঞানী এখানে শায়িত, তার হিসাব নেই। প্রায় দেড় হাজার বছরে সেখানে ঠাঁই নিয়েছে ৫০ লাখের বেশি মানুষ।
মৃতের গন্তব্য হিসেবে নাজাফে জায়গা করে নেয়ার ইতিহাস পুরনো। সাসানীয় ও পার্থিয়ান আমল থেকেই মরদেহ কবর দেয়া হতো বাকি অংশ পড়ুন...
সাহারা মরুভূমির কিছু অংশ ধীরে ধীরে সবুজ হয়ে উঠছে। বিজ্ঞানীরা বলছে, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে সাহারা মরুভূমির কিছু এলাকায় গাছপালা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করেও সাহারার সবুজ হয়ে ওঠার প্রমাণ মিলেছে।
জানা গেছে, বিগত মাসের ৭ ও ৮ তারিখ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার বিশাল অংশে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। ভারী বৃষ্টির ফলে সাহারা মরুভূমির বিভিন্ন স্থানে নতুন করে উদ্ভিদ জন্মেছে। ফলে মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া ও লিবিয়ার শুষ্ক স্থান সবুজ হয়ে উঠছে।
যুক্তরাষ্ট্ বাকি অংশ পড়ুন...












