কখনো বরফের আগ্নেয়গিরি দেখেছেন কি? অপার বিস্ময় এই বরফ আগ্নেয়গিরি। সাধারণত আগ্নেয়গিরি হলে লাভা ও ছাই উৎপন্ন হয়। তবে কখনো দেখেছেন, মাটি ফুড়ে বের হচ্ছে বরফ? বিস্ময়কর হলেও এটি কুদরতময় বিষয়।
এটি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। বরফের চাদরের নিচে ঠান্ডা পানি ঢুকলে চাপের সৃষ্টি হয়। এর ফলে বরফের মধ্যে থাকা গর্ত দিয়ে বেরিয়ে আসে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি। যা ভূ-পৃষ্ঠে আসতেই জমে বরফ হয়ে যায়। কয়েক ঘণ্টা বা দিন লাগাতার এমন হতে পারে।
কাজাখস্তানের আলমাতি এলাকায় সম্প্রতি ৪৫ ফুট লম্বা বরফ আগ্নেয়গিরি প্রত্যক্ষ করেছেন সবাই। সামাজিক যোগায বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বজুড়ে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি ক্রমেই আরও খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি তিন শিশুর একটি ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন বা দূরের বস্তু পরিষ্কারভাবে দেখতে পায় না। আন্তর্জাতিক একটি গবেষণায় এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
গবেষকরা বলছে, লকডাউন চলাকালে শিশুরা ঘরবন্দী ছিল। ওই সময় তারা মোবাইল, ল্যাপটপ বা টেলিভিশনের মতো যন্ত্রের পর্দায় তাকিয়ে বেশি সময় কাটিয়েছে। বিপরীতে ঘরের বাইরে কম সময় কাটিয়েছে তারা। শিশুদের দৃষ্টিশক্তির ওপর এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
গবেষণায় সতর্ক করে বলা হয়, ক্ষীণদৃষ্টি বা মায়োপিয়া সারা বিশ্বেই এখন ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যজনি বাকি অংশ পড়ুন...
শীতপ্রধান দেশের বরফের বাড়িকে ইগলু বলে। বরফ খ- দিয়ে তৈরি গম্বুজ আকৃতির ছোট ঘর। শীতপ্রধান কয়েকটি দেশের মতো শীতপ্রধান অঞ্চলে মানুষ থাকার জন্য তুষার (বরফ) দিয়ে ঘর তৈরি করে। এসব গম্বুজ আকৃতির ঘরকে বলে ইগলু।
যেসব দেশে সারাবছর শীত বেশি থাকে সেসব দেশকে বলা হয় শীতপ্রধান দেশ। আমাদের দিন ২৪ ঘণ্টার অর্ধেক রাত আর অর্ধেক দিনের আলো।
এসব দেশে বছরের ছয় মাস রাত থাকার পর ছয় মাস দিন থাকে। আমাদের দেশে শীত বা গরমের অংশের আধিক্য নেই। না শীত না গরম; মাঝামাঝি অবস্থান। এ অবস্থাকে বলে নাতিশীতোষ্ণ। বেশিরভাগ দেশে শীত ও গ্রীষ্মকাল নামে দু’টি ঋতু। আর আমাদের বাকি অংশ পড়ুন...
শীতপ্রধান দেশের বরফের বাড়িকে ইগলু বলে। বরফ খ- দিয়ে তৈরি গম্বুজ আকৃতির ছোট ঘর। শীতপ্রধান কয়েকটি দেশের মতো শীতপ্রধান অঞ্চলে মানুষ থাকার জন্য তুষার (বরফ) দিয়ে ঘর তৈরি করে। এসব গম্বুজ আকৃতির ঘরকে বলে ইগলু।
যেসব দেশে সারাবছর শীত বেশি থাকে সেসব দেশকে বলা হয় শীতপ্রধান দেশ। আমাদের দিন ২৪ ঘণ্টার অর্ধেক রাত আর অর্ধেক দিনের আলো।
এসব দেশে বছরের ছয় মাস রাত থাকার পর ছয় মাস দিন থাকে। আমাদের দেশে শীত বা গরমের অংশের আধিক্য নেই। না শীত না গরম; মাঝামাঝি অবস্থান। এ অবস্থাকে বলে নাতিশীতোষ্ণ। বেশিরভাগ দেশে শীত ও গ্রীষ্মকাল নামে দু’টি ঋতু। আর আমাদের বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলায় অতি পরিচিত একটি পাখির নাম পানকৌড়ি। প্রকৃতিতে অন্যান্য পাখির নাম বা পরিচিতি থাকলেও পানকৌড়ি অনেক পাখির মধ্যে অন্যতম। শৈশবকালে অনেকে দেখেছেন, এখনও নদ-নদী, পুকুর, ডোবা, খাল, বিলে অদ্ভুত পাখিটির মাঝে মাঝে দেখা মিলে। বাড়ির আশপাশের পুকুরে চতুর প্রকৃতির পানকৌড়ি টুপ টুপ করে দেয় ডুব। এই পাখিটিকে দীর্ঘক্ষণ পানিতে ডুব দিয়ে মাছ খাওয়ার দৃশ্যটা চমৎকার। সবচেয়ে মজার বিষয় হল, পানকৌড়ি যতক্ষণ পানির তলদেশে দীর্ঘক্ষণ থাকার পর যখন উঠে ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গলে গাছের ডালপালা, আগাছায় বসে সূর্যের দিকে ডানা দু’টি উঁচিয়ে শুকাতে থাকে, তখন দারুণ লাগে। যা না বাকি অংশ পড়ুন...
ভর্তা বাঙালির কাছে অত্যন্ত প্রিয় একটি খাবার। ভর্তা পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই রয়েছে। বিশেষ করে বাঙালিদের হয়তো ভর্তার নাম শুনলেই জিভে পানি চলে আসে।
আমরা আমাদের মুখের রুচি বা স্বাদকে পরিবর্তন করতে বিভিন্ন রকমের সবজি দিয়ে ভর্তা তৈরি করতে পারি। অতিথি আপ্যায়নে ভর্তাই প্রাধান্য পায় বেশি। তাই আপনি বিভিন্ন আয়োজনেও রাখতে পারেন কদু পাতা ভর্তা। আর যারা মনে করেন ভর্তা বানানো অনেক ঝামেলার, তাদের জন্যই আজ আমাদের মজাদার কদু পাতার ভর্তার রেসিপি দেওয়া হল।
কদু পাতা ভর্তা উপকরণ:
কদু পাতা দুই কাপ,
আধা কাপ পেঁয়াজকুঁচি,
পাঁচটা কাঁচা মরিচ,
এ বাকি অংশ পড়ুন...
সাম্প্রতিক ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাবের মধ্যে গ্রাম ও শহর সব পরিবেশেই জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাসায়নিক প্রতিরোধে দ্রুত সমাধান মিললেও অনেকেই খুঁজছেন তার নিজ বাড়িকে মশা মুক্ত রাখার প্রাকৃতিক উপায়। এই নির্দেশিকাটিতে রোগ-জীবাণু বহনকারী মশা থেকে পরিত্রাণ পেতে কিছু ব্যবহারিক কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হবে। চলুন, আপনার আশ্রয়টিকে মশামুক্ত রাখার জন্য এমন কিছু উপায় জেনে নেওয়া যাক, যেখানে আপনার স্বাস্থ্য ও চারপাশের পরিবেশ দুটোই ভালো থাকবে।
জমে থাকা পানি ফেলে দেওয়া:
মশা যেকোনো স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় জমে থাকা স্থির পানিতে বংশবিস্তার করে। ত বাকি অংশ পড়ুন...












