মৃত্যু বাদে সকল রোগের শেফা কালোজিরা। কালোজিরায় রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদান একাধিক জটিল রোগের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে। তাই সুস্থ থাকতে রান্নাসহ যে কোনভাবে কালোজিরার ব্যবহার বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়।
এক চা চামচ কালোজিরা খেতে পারেন। এভাবে সপ্তাহে মাত্র দুই থেকে তিন দিন এই ভেষজ গ্রহণ করলে উপকার মিলবে। এমনকি নানাবিধ রোগ নিরাময় হবে। সুতরাং কালোজিরা খাওয়ার একাধিক অবাক করা গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিন।
বিপদসীমা ছাড়াবে না কোলেস্টেরল:
হাই কোলেস্টেরল একটি জটিল অসুখ। এই রোগের ফাঁদে পড়লে হার্ট অ্যাটাক, স্ বাকি অংশ পড়ুন...
অস্টিওপোরোসিস কি?
অষ্টিওপোরোসিস হলো, হাড়ের ভঙ্গুরতা রোগ, যেখানে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায় এবং তা দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই রোগে হাড় ফাঁপা এবং ভঙ্গুর হয়ে যায়, বিশেষত পিঠের কশেরুকা(spine), নিতম্ব এবং কবজির হাড় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকে।
অস্টিওপোরোসিস কেন হয়?
বয়স বৃদ্ধির কারণে: বয়সের সাথে হাড়ের ঘনত্ব স্বাভাবিকভাবে কমতে থাকে।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: নারীদের মেনোপজের পর ইস্ট্রোজেনের ঘাটতি এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরনের অভাব হাড় দুর্বল করতে পারে।
জেনেটিক কারণ: পরিবারে কারো অস্টিওপোরোসিস থাকলে ঝুঁকি বাকি অংশ পড়ুন...
রান্নার স্বাদ বাড়াতে গোটা সরিষা বা সরিষার বীজ শুরু থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে। সরিষার এসব পদ সবারই ভীষণ পছন্দের।
একসময় প্রতিটা বাড়িতে রান্না হতো শুধুমাত্র সরিষার তেল দিয়ে। এখনো তেলটি ব্যবহার হয় প্রচুর পরিমাণে। প্রশ্ন হলো, নিয়মিত সরিষার বীজ খাওয়ার ফলে কি কি হয়?
সরিষা বা খাঁটি সরিষার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে শরীরের ওপর। সেগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে রান্নায় সরিষা ব্যবহারের সময় এটিকে আরও ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। জানুন নিয়মিত সরিষা এবং সরিষার তেল খাওয়ার চমকে দেওয়া গুণের কথা-
অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে:
অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধে সর বাকি অংশ পড়ুন...
শুভ্র মহাদেশ হিসেবে পরিচিত অ্যান্টার্কটিকা। তবে বর্তমানে সেখানেও দেখা যাচ্ছে সবুজের আঁচ। গবেষকরা বলছে, অ্যান্টার্কটিকা উপদ্বীপে ৪০ বছরে গাছপালার পরিমাণ ১০ গুণেরও বেশি বেড়েছে।
স্যাটেলাইট ডেটা বিশ্লেষণ করে এ গবেষণাটি করেছে ‘ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভে’-এর বিজ্ঞানীরা। গবেষণাটি বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘নেচার জিওসায়েন্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
১৯৮৬ সালে অ্যান্টার্কটিকা উপদ্বীপে উদ্ভিদ ছিল মোট এক বর্গ কিলোমিটারেরও কম। তবে ২০২১ সালে তা বেড়ে দাড়ায় প্রায় ১২ বর্গ কিলোমিটারে। গবেষকরা বলছে, এই প্রবণতা আরও বাড়ছে, বিশেষ করে ২০১৬ বাকি অংশ পড়ুন...
স্থান কি? একটা কাল্পনিক পরিমাপ সহায়ক?
ব্যাপারটা এভাবেও ভাবতে পারেন। স্থান বলে আসলে বাস্তবে কিছু নেই। তবে এ ধারণায় অবশ্য পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। আমরা দেখি, কেন স্থানকে কাল্পনিক বলা হচ্ছে।
স্থান বলতে আমরা আসলে কি বুঝি?
ধরা যাক একটা বাক্স। সেই বাক্সের আয়তন ১ ঘন মিটার। মহাশূন্যে যদি বাক্সটা থাকে, তাহলে আপনি বলতে পারবেন, এখানে একটা ১ ঘনমিটারের স্থান আছে। আপনি তখন বলতেই পারেন আমার যে কোন ছোট বস্তু সেই ১ ঘন মিটার জায়গার ভেতরেই রয়েছে।
গোটা মহাবিশ্বকে আমরা তেমন একটা বিশাল মহাজাগতিক স্থান মনে করি। আর সেই স্থানের ভেতর সব গ্যালাক্সি, গ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশীয় ফলগুলোর মধ্যে পরিচিত একটি হলো আমড়া। এটি অত্যন্ত সুস্বাদুও। সহজলভ্য বলে অনেকে এর গুরুত্ব বোঝে না। যে কারণে বঞ্চিত হয় অনেক পুষ্টি থেকে। প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন ও অন্যান্য উপকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে আমড়ায়। এটি আপেলের চেয়ে কম উপকারী নয়।
হজম ভালো রাখে:
আমড়ায় থাকে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। যে কারণে আমড়া খেলে কোষ্টকাঠিন্য, বদহজমের মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। যে কারণে সুস্থ থাকা সহজ হয়। কারণ হজম ভালো হলে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে শরীরের সবর্ত্রই।
মুখের রুচি বাড়ায়:
যাদের খাবারের প্রতি আগ্রহ কম বা ক্ষুধা থাকলেও রুচি ন বাকি অংশ পড়ুন...
পুষ্টিবিদদের মতে, পাকা পেঁপে পুষ্টির ভা-ার। পেঁপেতে থাকে ফোলেট, ভিটামিন এ, ম্যাগনেশিয়াম, কপার, ফাইবার এবং প্যান্টোথেনিক অ্যাসিডের মতো উপকারী উপাদান। যদি নিয়মিত পাকা পেঁপে খাওয়া যায়; তবে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, ক্যালশিয়াম ও কিছু উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও মিলবে। শরীরের পুষ্টির ঘাটতি দূর করতে সাহায্য করে এই ফল।
অ্যাজমার সমস্যা কমবে:
অনেকেই অ্যাজমার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এ ধরনের সমস্যা থেকে দূরে থাকার জন্য ছোটবেলা থেকেই পাকা পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে থাকে বিটা ক্যারোটিন যা অ্যাজমার সমস্যা দূর করতে সাহায্য ক বাকি অংশ পড়ুন...
একটা ইটের ছিটকে পড়ার ঘটনার মধ্য দিয়েই মজদের আড়ায় আবিষ্কৃত হয় ৬৯ হিজরী বা ৬৯০ খ্রিস্টাব্দের হারানো মসজিদ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৯৮৬ সালে হিজরী ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ এই মসজিদের রহস্য উন্মোচিত হয়ে পড়ে। আইয়ুব আলী নামে রামদাস গ্রামের এক বাসিন্দা অন্য অনেকের মতো মজদের আড়া থেকে ইট কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। এক পর্যায়ে কুড়িয়ে নেওয়া ইটগুলোকে তিনি পরিষ্কার করছিলেন। কিন্তু এমন সময় তিনি দেখতে পান গাদা করে রাখা ইটের স্তূপ থেকে একটি ইট যেন আলাদাভাবে ছিটকে পড়েছে। তিনি দেখতে পান ছিটকে পড়া ইটের গায়ে কি যেন লেখা আছে। টিউবওয়েলের বাকি অংশ পড়ুন...












