হিন্দুস্থানের বড় বড় আলিম-উলামা উনাদের বাইয়াত গ্রহণ:
যখন আলিম কুল শিরোমনি, হযরত মাওলানা আব্দুল হাই রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত হলেন, তখন দিল্লীতে একটা সাড়া পড়ে গেলো। কেউ বললো, আপনি এত বড় আলেম হওয়ার পরেও উনার নিকট বাইয়াত হওয়ার কি দরকার ছিলো?
জবাবে তিনি বলেন, আমি হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট বাইয়াত হয়ে উনার পিছনে মুক্তাদী হিসেবে দু’রাকাত নামায পড়েছি। ঐ দু’রাকাত নামাযে আমার যা কিছু হাছিল হয়েছে তা সারা জীবনেও হয়নি। ঐ দু’রাকায়াত নামা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
حُبُّ الصَّحَابَةِ إيْمَانٌ وَ بُغْضُهُمْ كُفْرٌ
অর্থ: হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান, আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। (কানযুল উম্মাল)
বাকি অংশ পড়ুন...
ذَلِكَ أَدْنَى
এটা হচ্ছে ঐ আমলের নিকটবর্তী অর্থাৎ অতটুকুর মাধ্যমে তার তাক্বওয়া, তার পরহেযগারী জাহির হবে, প্রকাশ পাবে ।
أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ
এটা হচ্ছে, ঐ মহিলা যে পর্দানশীন, পরহেযগার, নেক্কার, আল্লাহওয়ালী সেটা চিনার একটা লক্ষণ। যার কারণে যারা বদ চরিত্র, বদ খাছলতের রয়েছে তারা তাদেরকে আর উত্যক্ত করবে না, বিরক্ত করবে না।
وَكَانَ اللهُ غَفُورًا رَحِيمًا
মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
আয় আমার নবী, আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, সবাইকে বলে দিন, বিশেষ করে যারা উম্মূল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনা বাকি অংশ পড়ুন...
১) উনাদেরকে পুত-পবিত্র করে সৃষ্টি করা হয়েছে।
২) উনারা কায়িনাতবাসী সকলেরই মাতা।
৩) উনাদের মুহব্বত ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হজ্জ পালন ও সম্মানিত রওজা শরীফ যিয়ারত মুবারক:
১২৩৬ হিজরী মোতাবেক, ইংরেজী ১৮২১ সালে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এক বিশাল কাফেলাসহ পবিত্র হজ্জ পালনের জন্য হারামাইন শরীফের উদ্দেশ্যে গৃহ ত্যাগ করেন। পথের বিভিন্ন জায়গা যেমন ইলাহাবাদ, বেনারস, মির্জাপুর, চুনারগড়, গাজীপুর, দানাপুর, ফুলওয়ার শরীফ, আজিমাবাদ, কলিকাতা, তিব্বত প্রভৃতি জায়গা হতে উনার নিকট হাজার হাজার লোক এসে বাইয়াত হয়ে উনার কাফেলায় শরীক হয়। ১৮২২ সালের ১৬ই মে তিনি পবিত্র হারাম শরীফে প্রবেশ করেন। এই সময় পবিত্র হারামাইন শরীফের আলিম-উলামাগ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কাতাদাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে বলা হয়েছে- তার কবরটিকে সত্তর হাত প্রশস্ত করে দেয়া হবে এবং (কিয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্য তা সবুজে ভরপুর করে দেয়া হবে)। ’ এরপর তিনি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র হাদীছ শরীফে ফিরে আসেন। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
قَالَ وَأَمَّا الْمُنَافِقُ وَالْكَافِرُ فَيُقَالُ لَهُ مَا كُنْتَ تَقُوْلُ فِيْ هَذَا الرَّجُلِ فَيَقُوْلُ لَا أَدْرِيْ كُنْتُ أَقُوْلُ مَا يَقُوْلُ النَّاسُ فَيُقَالُ لَا دَرَيْتَ وَلاَ تَلَيْتَ وَيُضْرَبُ بِمَطَارِقَ مِنْ حَدِيْدٍ ضَرْبَةً فَيَصِيْحُ صَيْحَةً يَسْمَعُهَا مَنْ يَّلِيْهِ غَيْرَ الثَّقَلَيْنِ
আর মুনাফি বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইলিম অর্জন করতে হবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি হাছীলের লক্ষ্যে। তাহলে সহজেই পূর্ণতায় পৌঁছা সহজ ও সম্ভব হবে। অন্যথায় হালাকী ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে-
تَعَلَّمْنَا الْعِلْمَ لِغَيْرِ الله، فَأَبى العِلْم أنْ يَكُونَ إِلَّا لله
অর্থঃ- মহান আল্লাহ পাক ছাড়া অন্য কারো উদ্দেশ্যে ইলিম অর্জন করা হলে ইলিম তাকে অস্বীকার করে। ইলিম বলে আমি মহান আল্লাহ পাক ছাড়া অন্য কারো জন্য হবো না।
এর ব্যাখ্যায় বলা হয়- ইলিম অর্জনকারীর দুটি অবস্থা। ১. ইলিম দ্বারা সে উপকার লাভ করবে। অর্থাৎ ইলিম তাকে হিদায় বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ! বাকি অংশ পড়ুন...
যেটা আখিরী রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অন্য হাদীছ শরীফে বলেছেন-
اَلنِّسَاءُ حَبَائِلُ الشَّيْطَانِ
‘মেয়েরা হচ্ছে শয়তানের রজ্জু বা রশি। ’
যাদের মাধ্যম দিয়ে পুরুষদেরকে ওয়াসওয়াসা দেয়া হয়, ফিৎনাগ্রস্ত করা হয়। একটা মেয়েকে দেখে মানুষ ফিৎনায় পড়ে তখনই যখন তার চেহারা দেখে অথবা হাত-পা দেখে অতঃপর যখন সে আকৃষ্ট হয়ে যায়। যদি একটা মেয়ে আবৃত থাকে তাহলে সেখানে তার আকৃষ্ট হওয়ার কিছু থাকে না।
যখন তার চেহারা খোলা থাকে, হাত-পা খোলা থাকে তখন সে সেটা দেখে, সে দিকে শয়তানের ওয়াসওয়াসার কারণে আকৃষ্ট হয়ে থাকে এব বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ, তোমরা ঐসব পবিত্র-উত্তম বিষয়সমূহ হারাম করো না, যেগুলো মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হালাল করেছেন এবং এ বিষয়ে সীমালঙ্গন করো না। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সীমালঙ্গনকারীদের পছন্দ করেন না। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
(جَارِيَةٌ) ‘জারিয়াহ’ শব্দটি আরবী এবং একবচন। এর বহুবচন (جَوَارِي) জাওয়ারী ও (جَارِيَات) জারিয়াত। শব্দটি একাধিক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যথা: কন্যাশিশু, কন্যা, মেয়ে, তনয়া, দুহিতা, বালিকা, তরুণী, বাঁদী, চাকরানী, নৌকা, জাহাজ, নৌযান ইত্যাদি।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে দু’জন হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিমাস সালাম উনাদের শান মুবারকে ‘জারিয়াহ’ শব্দটির ব্যবহার উল্লেখ রয়েছে। একজন হচ্ছেন হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি। আর অপরজন হচ্ছেন হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়া আশার ক্বিবতিয়া আলাইহাস সালাম তিনি। উনারা দুজনই বাকি অংশ পড়ুন...












