জনৈক রাবী বর্ণনা করেন, আলী ইবনে ইয়াফসীন ও অন্য এক ব্যক্তি আমাকে বলল, অমুকের সাথে কূফা যাও এবং সেখান থেকে দুটি যানবাহন কিনে এই চিঠি ও এই সম্পদ আহলু বাইতে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ আলাইহিস সালাম উনার খিদমতে পৌঁছে দাও। আমি কূফা গেলাম এবং সেই ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে দুটি যানবাহন খরিদ করলাম। পবিত্র মদীনা শরীফ উনার নিকটে পৌঁছে এক জায়গায় অবস্থান করতঃ কিছু খেতে শুরু করলাম। হঠাৎ আমাদের দৃষ্টি হযরত ইমামুস সাবি’ আলাইহিস সালাম উনার উপর পতিত হলো। তিনি খচ্চরে সাওয়ার হয়ে আমাদের দিকে আসছিলেন। আমরা উনার সম্মানার্থে দাঁড়িয়ে গেলাম এবং বাকি অংশ পড়ুন...
এক ব্যক্তি বর্ণনা করেন, যখন ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিল্ম্, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আহলু বাইতে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ আলাইহিস সালাম উনাকে খলীফা মাহদী প্রথমবার বাগদাদে তলব করেন তখন তিনি আমাকে ঘরসংসারের প্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী বাজার থেকে কিনে আনতে বললেন, তিনি আমাকে অত্যন্ত চিন্তাম্বিত ও বিষণ্ণ দেখে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার কি হল? তুমি এত বিষণ্ন কেন? আমি বললাম, আমার চিন্তার কারণ এই যে, আপনি এমন এক জালিমের কাছে যাচ্ছেন, যার কাছে যাওয়ার পরিণতি মহান আল্লাহ পাক তিনি ভাল জানেন কি হবে! তিনি বললেন, ক বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি মুবারক:
আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন আহলে বাইত শরীফ উনাদের সপ্তম ইমাম। তিনি ইলম, আমল, জ্ঞান-গরিমায় সর্বশ্রেষ্ঠ মাক্বামে সমাসীন ছিলেন। অতি অল্প বয়সে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ হিফয করেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ ছিলেন উনাদের পৈত্রিক সম্পদতুল্য। আকাঈদ, বালাগাত, ফাসাহাতসহ সকল বিষয়ে উনার পরিপূর্ণ দখল ছিল। তিনি জাহিরী-বাতিনী সকল ইলমের পূর্ণ অধিকারী ছিলেন। তদা বাকি অংশ পড়ুন...
শাইখুশ শুয়ূখ হযরত শাকীক বলখী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জের ছফর কালে আমি কাদেসিয়া এলাকায় গিয়ে পৌঁছলাম। সেখানে আমি একজন সুশ্রী ও দীর্ঘদেহী যুবককে দেখলাম। উনার পরনে ছিল শাল। কাঁধে পাগড়ির প্রান্ত এবং পদযুগলে সেন্ডেল মুবারক। তিনি অনেক ভিড়ের মধ্য থেকে বের হয়ে একাকিই এক জায়গায় বসে গেলেন। আমি ভাবলাম, এই যুবক ছূফী শ্রেণীভুক্ত মনে হয়। সম্ভবতঃ তিনি এ ছফরে মুসলমানদের উপর বোঝা হয়ে যেতে চান। কাজেই উনাকে এ থেকে বিরত রাখার জন্যে বলা উচিত।
আমি উনার কাছে যেতেই তিনি বললেন, হে শাকীক! ধারণা করা থেকে বেঁচে থাক। কে বাকি অংশ পড়ুন...
বাইতুল-মাল
বাইতুল-মাল বা ট্রেজারি (ঞৎবধংঁৎু) এক বিশাল দফতর যা খিলাফত ব্যবস্থার এক অপরিহার্য অংশ হিসেবে সকল অর্থনৈতিক কর্মকা-ের আনজাম দেয়ার সাথে জড়িত। মুসলমান উনাদের সকল চাহিদা পূরণ সহ খিলাফতের সমস্ত আয় ও ব্যয়ের জন্যও দায়িত্বশীল। মাসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা, ভূমি, দালানকোঠা ইত্যাদি তৈরি সহ সার্বিক কাজের আনজাম দেয়া হত বাইতুল মাল থেকে।
বাইতুল মাল প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় নিম্নোক্ত আয়াত শরীফখানি নাযিল হবার পর:
يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْأَنْفَالِ قُلِ الْأَنْفَالُ لِلَّهِ وَالرَّسُولِ فَاتَّقُوا اللَّهَ وَأَصْلِحُوا ذَاتَ بَيْنِكُمْ وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাহাশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উহুদের ময়দানে হযরত সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে বললেন- “হে সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আসুন আমরা উভয়ে দোয়া করি। আমরা প্রত্যেকেই স্বীয় বাসনা মুতাবেক দোয়া করবো এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি আমীন বলবো।” অতঃপর উনারা উভয়ে ময়দানের এক কোণে গিয়ে দোয়া-মুনাজাত শুরু করলেন। সর্ব প্রথমে হযরত সা’দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু দোয়া শুরু করে বলেন- “আয় মহান আল্লাহ পাক! আগামীকাল জিহাদের ময়দানে আমাকে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী কাফিরের সম্মুখীন করুন। সে ব্যক্তি যেন প্রচ-ভাব বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ سَـمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ مَنِ اشْتَكٰى مِنْكُمْ شَيْئًا أَوِ اشْتَكَاهُ أَخٌ لَّه فَلْيَقُلْ رَبُّنَا اللهُ الَّذِيْ فِـي السَّمَاءِ تَقَدَّسَ اسْـمُكَ أَمْرُكَ فِي السَّمَاءِ وَالأَرْضِ كَمَا رَحْـمَتُكَ فِي السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحْـمَتَكَ فِي الْأَرْضِ اِغْفِرْ لَنَا حُوْبَنَا وَخَطَايَانَا أَنْتَ رَبُّ الطَّيِّبِيْنَ أَنْزِلْ رَحْـمَةً مِّنْ رَّحْـمَتِكَ وَشِفَاءً مِّنْ شِفَائِكَ عَلٰى هٰذَا الْوَجَعِ فَيَبْرَأُ
অর্থ: হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দুই রাকায়াত তাহিয়্যাতুল ওযূ নামায উনার নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكْعَتَىْ صَلٰوةِ تَـحِيَّةِ الْوَضُوْءِ سُنَّةُ رَسُوْلِ اللهِ تَعَالٰى مُتَوَجِّهًا اِلٰـى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ. اَللهُ اَكْبَرُ.
পবিত্র দুই দু’রাকায়াত দুখুলুল মসজিদ নামায উনার নিয়ত
نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكْعَتَىْ صَلٰوةِ دُخُوْلِ الْـمَسْجِدِ سُنَّةُ رَسُوْلِ اللهِ تَعَالٰى مُتَوَجِّهًا اِلٰـى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ. اَللهُ اَكْبَرُ.
মাসয়ালা : পবিত্র তাহিয়্যাতুল ওযূ ও পবিত্র দুখূলুল মসজিদ নামায শুধু পবিত্র জুমুআ’ উনার দিনের জন্যই খাছ নয়। বরং যে কোন দিন বা যে কোন সময় (মাকরূহ ওয়াক্ত বাদ দিয়ে) ও বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মুসলমান নর এবং নারী যদি খালিছ মুসলমান থাকতে চায়, ঈমানদার থাকতে চায়, মু’মিন হতে চায় তাহলে অবশ্যই তাকে আক্বীদা বিশুদ্ধ করতে হবে। আক্বীদা বিশুদ্ধ করা হচ্ছে ফরয। যার আক্বীদা শুদ্ধ নেই সে মু’মিন মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا آمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُولِهٖ وَالْكِتَابِ الَّذِيْ نَزَّلَ عَلٰى رَسُولِهٖ وَالْكِتَابِ الَّذِيْ أَنْزَلَ مِنْ قَبْلُ وَمَنْ يَّكْفُرْ بِاللهِ وَمَلَائِكَتِهٖ وَكُتُبِهٖ وَرُسُلِهٖ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيْدًا
মহান আল্লাহ পাক তিনি এখানে ই বাকি অংশ পড়ুন...












