সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি একবার এক ইহুদীর সাথে মল্লযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে একে একে তিনদিন জিহাদ করার পরে ইহুদীকে পরাস্ত করে তাকে মাটিতে শোয়ালেন এবং ইহুদীর গর্দানে তরবারী চালানোর ইচ্ছা করলেন। সে মুহূর্তে সেই ইহুদী সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার চেহারা মুবারকের দিকে থুথু নিক্ষেপ করলো। আর তখনই হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি ইহুদীকে ছেড়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। এতে ইহুদী আশ্চর্যান্বিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলো যে- হুযূর! আপ বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে:
(অবশেষে অনেক ভেবে চিন্তে) আমি অগ্রসর হলাম। আমি যখন পবিত্র মদীনা শরীফে আসলাম, লোকেরা আমার প্রতি ইঙ্গিত করে বলাবলি করতে লাগলেন, এই যে আদী ইবনে হাতেম! এই যে আদী ইবনে হাতেম! অতঃপর আমি কারো কোন কথার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আসলাম। তিনি আমাকে বললেন, “হে আদী ইবনে হাতেম! ইসলাম গ্রহণ করো, দোযখ থেকে নিরাপত্তা হাছিল করবে। ” আমি বললাম, “আমার একটি ধর্ম রয়েছে। ” নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তি বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ
গ্রহণ করা যাবে না?
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা হবে না? যারা এমন কথা বলে তাদের জেনে রাখা দরকার, ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবে এমন অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন যার সনদ দ্বয়ীফ। বিখ্যাত হাদীছ শরীফ বিশারদ হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “তাকরীবুত তাহযীব” কিতাবে প্রায় ৫২ জন রাবীকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন যারা সকলেই “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবের রাবী। ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যদি দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ নাই মানতেন বা গ্র বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: “আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার এক ওলী, এক বুযূর্গ ব্যক্তি এক রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি একটি মসজিদ দেখলেন। মসজিদের ভিতরে কিছু লোক রয়েছে আর ইবলিসকে দেখলেন মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিনি ইবলিসকে বললেন, মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি করতেছিস? ইবলিস ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে বললো, হুযূর! আমার একটা কাজ রয়েছে এখানে। কি কাজ রয়েছে? আমার কাজ হচ্ছে- এই মসজিদে একটা লোক এক কোণায় নামায পড়তেছে, আমি তাকে ওয়াসওয়াসা দেয়ার জন্য প্রবেশ করার ইচ্ছা পোষণ করেছি, কিন্তু তার বিপরীত কোণায় আরেকজন আলিম, আল্লাহওয়ালা, ফক্বীহ ব্যক্তি ঘুমিয়ে আছেন। অর্থাৎ এক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুব বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একজন বিশিষ্ট ছাহাবী। নাম আদী, উপনাম আবু ত্বরীফ অথবা আবু ওয়াহাব, পিতার নাম হাতিম বিন আবদিল্লাহ, তাঈ গোত্রের অধিবাসী। উনার পিতা বিখ্যাত কবি ও প্রসিদ্ধ দানবীর হাতিম তাঈ উনার ন্যায় তিনি ছিলেন ইনযিল শরীফের অনুসারী এবং উত্তরাধিকারসূত্রে উনার পিতার নিকট হতে তাঈ গোত্রের কর্তৃত্বভার লাভ করেন। (উসুদুল গাবা, ইছাবা)
দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে:
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে তিনি একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...












