মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَـهُوَ مِنْـهُمْ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়া’লা আনহুমা উনার থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোন বিধর্মী-কাফেরদের সাদৃশ্যতা অবলম্বন করলো, সে তাদের দলেরই অন্তর্ভুক্ত। (আবূ দাউদ শরীফ, আহমদ শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
আপত্তির খন্ডন
৩ নং আপত্তি : তুরষ্কের মাক্বতাবায়ে হাক্বীকাহ এটা প্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশ করেছে। ইতিপূর্বে এই ধরনের কোন বর্ণনা আর কোন কিতাবে দেখা যায় না। আর ২০০০, জুন মাসে প্রথম আল বাইয়্যিনাত শরীফে এসেছে খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের পবিত্র হাদীছ শরীফ। এছাড়া উক্ত জাল কিতাবের রেফারেন্স কেউ দেয়নি।
জাওয়াব : হযরত ইবনে হাজার হায়তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পরিচিতি সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছে যে, তিনি উনার যামানায় অনুসরণীয় হক্কানী-রব্বানী আলিমে দ্বীন ছিলেন। তিনি মিসরের বিশিষ্ট ফক্বীহ ও গবেষক হিসেবে খ্যাত ছিলেন। উনার প্রজ্ঞ বাকি অংশ পড়ুন...
স্মরণীয় যে, পবিত্র মি’রাজ শরীফ রজব মাসের ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতে হয়েছে এটাই মশহূর, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত। যেমন এ প্রসঙ্গে তাফসীরে রূহুল বয়ান ৫ম জিলদ্ ১০৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
وَهِىَ لَيْلَةُ سَبْعِ وَّعِشْرِيْنَ مِنْ رَّجَبَ لَيْلَةَ الْاِثْنَيْنِ وَعَلَيْهِ عَمَلُ النَّاسِ قَالُوْا اَنَّهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ وُلِدَ يَوْمَ الْاِثْنَيْنِ بُعِثَ يَوْمَ الْاِثْنَيْنِ وَاُسْرِى بِهٖ لَيْلَةَ الْاِثْنَيْنِ وَخَرَجَ مِنْ مَّكَّةَ يَوْمَ الْاِثْنَيْنِ وَدَخَلَ الْـمَدِيْنَةَ يَوْمَ الْاِثْنَيْنِ وَمَاتَ يَوْمَ الْاِثْنَيْنَ
অর্থ: “রাতটি ছিলো রজব মাসের ২৭ তারিখ, সোমবার শরীফ।” এর উপরই বিশ্বের সকল ইমা বাকি অংশ পড়ুন...
অতএব একজন মুসলমানকে দায়িমীভাবে প্রতিটি মুহূর্তে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে অবশ্যই পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী চলতে হবে। সে পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ অর্থাৎ সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ এক মুহূর্তও চলতে পারবে না এবং কোনো মত পোষণ করতে পারবে না। কেউ যদি সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ চলে এবং কোনো মত পোষণ করে, সে ঈমানদ্বার থাকতে পারবে না; বরং কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। তাই মুসলমানদের ঈমান ও আমল-আখলাক্ব হেফাযতের লক্ষ্যে নি¤েœ ট্রান্সজেন্ডার সম্পর্কে সংক্ষিপ্তকারে শরঈ ফতওয়া তুলে ধরা হলো-
ট্রান্সজে বাকি অংশ পড়ুন...
দুনিয়ার অর্থাৎ দুনিয়ার বুরায়ী বা খারাবী সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করেছেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করেছেন।
বস্তুতঃ প্রত্যেক মানুষের অন্তরে হয় মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত থাকবে অথবা গায়রুল্লাহ অর্থাৎ দুনিয়ার মুহব্বত থাকবে। যে কোন একটা মুহব্বতের ধারক-বাহক প্রত্যেক মানুষের অন্তর। একটা মুহব্বত থেকে অবশ্যই খালি থ বাকি অংশ পড়ুন...
মি’রাজ শরীফ রজব মাসের ২৭ তারিখ ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতেই হয়েছে। এটাই মশহূর বা প্রসিদ্ধ, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত। এর বিপরীত মতগুলো গ্রহণযোগ্য নয়।
মি’রাজ শরীফ উনার মশহূর, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় তারা উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী। তাদের কোন কথাই সম্মানিত ইসলামী শরীয়তে গ্রহণযোগ্য নয়।
উল্লেখ্য, মুসলমানগণের ঈমান-আমল ধ্বংস করার ক্ষেত্রে মুসলমানদের যারা চিহ্নিত শত্রু- ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজূসী ইত্যাদি তাবৎ কাফির-মুশরিক তারা পরোক্ষভাবে কাজ করে আর তাদের এজেন্ট উলামায় বাকি অংশ পড়ুন...












