পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْـمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَاَنْ تُصَلِّيَ الْمَرْاَةُ فِيْ بَيْتِهَا خَيْرٌ مِّنْ اَنْ تُصَلِّيَ فِي حُجْرَتِـهَا،وَلَاَنْ تُصَلِّيَ فِيْ حُجْرَتِـهَا خَيْرٌ مِّنْ اَنْ تُصَلِّيَ فِي الدَّارِ وَاَنْ تُصَلِّيَ فِي الدَّارِ خَيْرٌ مِّنْ اَنْ تُصَلِّيَ فِي الْمَسْجِدِ
অর্থ : হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, মহিলাদের বদ্ধ কা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিদিন আমাদের সমাজ নারীঘটিত ফিতনা-ফাসাদে জর্জরিত। বেশিরভাগ ফিতনা-ফাসাদের মূলে যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হলো- নারী। যার কারণে মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করলেই অধিকাংশ পিতা-মাতা বোঝা মনে করে থাকে। মূলত মেয়ে সন্তান পিতা-মাতার জন্য বোঝা নয়, বরং ইহসান।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “কারো যদি তিনটা মেয়ে থাকে সে যদি উপযুক্ত শিক্ষা অর্থাৎ দ্বীনি তা’লীযম-তালকীন দিয়ে সৎপাত্র-এর কাছে বিয়ে দেয় তাহলে সে এবং আমি এইভাবে থাক বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় অংশ)
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট জনৈক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, মহিলাটি নফল নামায খুব বেশী বেশী আদায় করে এবং দান-খয়রাত করতেও কার্পণ্য করে না, নফল রোযা রাখার ব্যাপারেও ত্রুটি করে না। কিন্তু এসবের পাশাপাশি মহিলাটি তার প্রতিবেশীদেরকে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করে মনে কষ্ট দেয়।
ইহা শুনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, সে ইবাদত-বন্দিগী বেশী বেশী করলেও প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়ার কারণে জাহান্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
‘মহাসম্মানিত খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক’ এটা নতুন কোনো বিষয় নয়। এটা পূর্ববর্তী যামানায়ও ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! তবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার পর প্রথম খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম (সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর আলাইহিস সালাম) উনার খিলাফত মুবারক গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে এই উম্মতের ‘খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক’ উনার সূচনা হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! আর সেই মুবারক সময়টি ছিলেনÑ ১১ হিজরী শরীফ উনার ১৩ই সাইয়্যি বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার যাত পাক (পবিত্র সত্ত্বা) উনার সাথে অথবা মহান আল্লাহ পাক উনার ছিফাত বা গুনাবলীর কোনটির মধ্যে উনার মতো অপর কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে অংশীদার সাব্যস্ত করার নাম শিরক। আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যাত পাক ও ছিফাত সমূহের মধ্যে কাউকে শরীক করে তাকে মুশরিক বলে।
মহান আল্লাহ পাক উনার দয়া অসীম। তিনি ইচ্ছা করলে বান্দার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু শিরক এমনই মারাত্মক গুনাহ বা অপরাধ যে, তিনি কিছুতেই শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পরিস্কারভাবে ঘোষণা করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...












