বিশ্বে যে সমস্ত ইসলামী নিদর্শন রয়েছে- তার অন্যতম হলো মসজিদ। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাকে বহির্বিশ্ব চেনে মসজিদের নগরী হিসেবে। রাজধানী ঢাকার বয়স ৪০০ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু মসজিদের নগরী হিসেবে ঢাকার বয়স আরও বেশি, ৫৬০ বছর। বর্তমানে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অনেক ইসলামিক নিদর্শন। বাঙালির ইতিহাস হাজার বছরের। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাকে শাসন করেছেন দেশি-বিদেশি অনেক শাসক। তখন নিজেদের প্রয়োজনেই তারা গড়েছেন অনেক ইসলামিক স্থাপনা। সময়ের ধারায় যা প্রতœসম্পদে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম মসজিদ। যা ধারাবাহিক পর্বে বাকি অংশ পড়ুন...
কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান যদি তার বাবা-মায়ের ভরণপোষণের টাকা না দেয়, অর্থাৎ দেখা-শোনা বা খোঁজ খবর না রাখে তাহলে আইনগতভাবে প্রতিকার কি? আদৌ সেই বাবা-মা আইনের আশ্রয় নিতে পারবেন? এই বিষয়ে কোন আইনি সহায়তা রয়েছে কি?
এই বিষয়ে আইনি পরামর্শ হচ্ছে- বাবা-মা অবশ্যই মামলা করবেন। ভরণপোষণের টাকা বা মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে যেকোনো জেলা আদালতের ফ্যামিলি কোর্টে মামলা করা যাবে এবং ফ্যামিলি কোর্ট অনেক গুরুত্বসহকারে এবং মানবিকভাবে এই মামলাগুলো গ্রহণ করবে। যত দ্রুত সম্ভব স্পষ্ট ও আন্তরিকতার সঙ্গে এই মামলাগুলো নিষ্পত্তির চেষ্টা করবে।
আপনি যদি বাবা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রাত্যহিক জীবনে লেবুর ব্যবহার সবচেয়ে বেশী। খাবারের স্বাদ বাড়াতে, রুচি ফিরিয়ে আনতে, যেকোন কিছু পরিষ্কার করতে, ময়লা দূর করতে, কঠিন দাগ দূর করে শুভ্র উজ্জল ও সুঘ্রাণযুক্ত করতে, শরবত বা কোমল পানীয় হিসেবে ব্যবহারে অর্থাৎ সর্বত্র লেবুর বিচরণ। আবার অনেকে এটির আচার তৈরি করেও খেয়ে থাকেন। লেবু আকারে ছোট ফল হলেও এর উপকারিতা প্রচুর আর পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
জেনে নিন লেবুর অসাধারণ ৮টি উপকারিতা-
(১) হজম শক্তি বাড়ায়:
লেবুর রস শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। বদহজম, বুক জ্বালার সমস্যা সমাধান করে লেবুর শরবত।
(২) ক্ষত সারায়:
লেবুর মধ্যে থাকা অ্যাবসরবিক অ্ বাকি অংশ পড়ুন...
জাফরানে আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, আয়রন, ভিটামিন সিসহ প্রায় ১৫০টি উপাদান যা সহজেই শরীরের উপকারে আসে। এই দারুণ জাফরান দুধের সাথে মেশানো হলে তা হজমশক্তিকে উন্নত করে, ত্বকের রঙ ফর্সা করে, ত্বক উজ্জ্বল ও কোমল করে, চুলকে করে তোলে ঝলমলে, ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে।
তবে জাফরান কেবল খেলে বা পান করলেই হবে না, সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে জাফরান পান করার আছে কিছু বিশেষ নিয়ম। যে নিয়মে পান করলে জাফরানের সবটুকু উপকারিতার হিস্যা পাওয়া যাবে।
যা লাগবে-
*গরুর দুধ ১ কাপ (গুঁড়ো দুধ নয়)
*জাফরান দানা ১ চিমটি (আসল ইরানি জাফরান)
*১ চামচ ক বাকি অংশ পড়ুন...
মুরগির ডিমের কথা বললে সাধারণত সাদা বা বাদামি খোলসের ডিমই ভেসে ওঠে আমাদের চোখে। প্রকৃতপক্ষে ডিমের খোলসের রং হতে পারে ক্রিম, গোলাপি, নীল, এমনকি সবুজও। শুধু তাই নয়, কিছু ডিমের খোলসের ওপর আবার দাগও দেখা যায়। তবে প্রশ্ন হলো, ডিমের রঙে এত বৈচিত্র্য কেন এবং কি কারণে একেক মুরগি একেক রঙের ডিম পাড়ে?পোলট্রি সায়েন্স বিভাগের বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক কারণ মুরগির ডিম তৈরির প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। কারণগুলো তুলে ধরা হলো-
ডিমের রং জানাবে কানের লতি:
ডিমের রং মূলত নির্ধারিত হয় মুরগির জিনগত বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে। তবে মজার ব্যাপার হলো, মুরগির কা বাকি অংশ পড়ুন...
করমচা আকারে ছোট ও টকজাতীয় হলেও এটি মনোরম ফল। এর পুষ্টিগুণ রয়েছে অনেক। ফলটি কাঁচা অবস্থায় সবুজ থাকে এবং পাকলে জমাট বাঁধা রক্তের মতো লাল হয়। কাঁটাযুক্ত গুল্মজাতীয় গাছে জন্মে থাকে ফলটি। বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ফুল আসে এবং এপ্রিল-মে মাসে ফল ধরে। পরবর্তীতে বর্ষায় ফল পাকে।
যাদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি তাদের ক্ষেত্রে করমচা না খাওয়াই ভালো। এবার করমচা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন-
টকজাতীয় এই ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-সি রয়েছে। নিয়মিত করমচা খেলে মুখে রুচি ফিরে আসে। যারা খাবারে রুচি পান না তাদের জন্য করমচা প্রাকৃতিকভাব বাকি অংশ পড়ুন...
অরবড়ই’ একটি ছোট অপ্রচলিত টক ফল। এর ইংরেজি নাম ‘মড়ড়ংবনবৎৎু’। দেশের বিভিন্ন স্থানে এই ফলটিকে টুলকি বড়ই, নলতা, লেবইর, ফরফরি, নইল, নোয়েল, রোয়াইল, রয়েল, আলবড়ই, অরবরি ইত্যাদি নামেও ডাকা হয়। ফলটির ব্যাস ০.৫ থেকে ১ সেমি পর্যন্ত হতে পারে। দেখতে হাল্কা হলুদ রংয়ের এই ফল এর ত্বক খাঁজ কাটা থাকে। পৃথিবীর অনেক স্থানে অরবড়ই গাছ লাগানো হয় সৌন্দর্য-বৃক্ষ হিসেবে।
টক স্বাদের পাকা অরবড়ই ঝাল-লবণ দিয়ে মাখিয়ে খেতে ভীষণ মজা লাগে! এছাড়া এটা দিয়ে আচার, জুস, জেলি, চাটনি ইত্যাদিও তৈরি করা হয়। অনেকে এটা দিয়ে চমৎকার টক রান্না করেন বা ভর্তা তৈরি করেন। অরবড়ইয়ের রস স বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের অনেক পরিচিত একটি শব্দ ঘোগ। কিন্তু অনেকেই জানেন না এই ঘোগ আসলে কি। এর কোন অস্তিত্ব ছিলো কিনা। যদিও বুঝে বা না বুঝেও "বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা" প্রবাদটির চল রয়েছে।
যাই হোক, ইংরেজীতে ঘোগ শব্দটিকে থাইলাসিন নামে ডাকা হয়। এ প্রাণীটির আরেক নাম তাসমানিয়ান টাইগার। ঘোগ প্রাণীটিকে ১৯৩৬ সাল থেকে বিলুপ্ত প্রাণী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এই প্রাণীটিকে নিয়ে বাংলায় প্রবাদ থাকলেও এর আদি নিবাস বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে অস্ট্রেলিয়ায়। তবে আদি নিবাস থেকেই ঘোগ নামের প্রাণীটি প্রায় ২ হাজার বছর আগে ‘বিলুপ্ত প্রায়’ পর্যায়ে চলে যায়।
মূলত অস্ট্রেল বাকি অংশ পড়ুন...












