১১৪ নং পবিত্র হাদীছ শরীফ-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَالْقُرْآنَ وَعَلِّمُوا النَّاسَ فَإِنِّيْ مَقْبُوضٌ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ফারায়েজ ও পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা করো এবং মানুষকে শিক্ষা দাও। নিশ্চয়ই আমি বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করবো। ” (তিরমীযী, কানযুল উম্মাল শরীফ/২ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে উল্লেখ করা হয় যে, এক বুযূর্গ ব্যক্তি একটা স্বপ্ন দেখলেন, ক্বিয়ামত কায়িম হয়ে গেছে, এখন মানুষের হিসাব নিকাশ হবে। হাউজে কাওছার উনার পানি পান করতে হবে। ঐ বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি খুব চিন্তিত ছিলেন এবং উনার খুব পিপাসা লাগলো। তিনি চিন্তা করলেন তাহলে হাউজে কাওছার যে রয়েছে সেখান থেকে কিছু পানি পান করা যেতে পারে, তিনি সেই হাউজে কাওছারের কাছে গেলেন। সেখানে যেয়ে দেখতে পেলেন সিবতু রসূল আর রবি’, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম এবং সিবতু রসূল আল খমিস, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনারা হাউজে কাওছার উনার পানির বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদে অংশগ্রহণ:
দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যমীনে অবস্থানকালীন উনার সঙ্গে পরবর্তী সকল জিহাদে তিনি অংশগ্রহণ করে বিশেষ বীরত্বের পরিচয় দেন। ধনুর্বিদ্যায় তিনি ছিলেন একজন পারদর্শী ব্যক্তি। খাইবারের জিহাদে তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং চল্লিশ ওয়াসাক গনীমত হিসাবে খাদ্যশস্য লাভ করেন। (সীরাতে ইবনে হিশাম)
হযরত আবদুর রহমান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বিদায় হজ্জেও নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফযীলত ও মর্যাদা:
আফসুস! তাদের জন্য যারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সমালোচনা করে, দোষারোপ করে। অথচ উম্মতদেরকে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের জন্য দুয়া করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাই উম্মতগণের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের জন্য বেশী বেশী করে দুয়া করা। যেমন, “ছহীফায়ে কামিলা” নামক কিতাবে আরো উল্লেখ আছে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার জ্যেষ্ঠ পুত্র, ইসলাম পূর্ব নাম আবদুল কা‘বা, মতান্তরে আবদুল উয্যা। দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার নাম পরিবর্তন করে আবদুর রহমান রাখেন। তিনি ও হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার মাতা ছিলেন হযরত উম্মে রূমান আলাইহাস সালাম।
ইসলাম পূর্ব ভূমিকা:
হযরত আবদুর রহমান ইব¬¬নে আবী বকর ছিদ্দীক্ব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি অনেক বিলম্বে দ্বীন ইসলাম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নাস শরীফ
সংক্ষিপ্ত ছহীহ্ তাফসীর বা ব্যাখ্যা মুবারক
পবিত্র সূরা নাস শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মানুষদেরকে নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন যে, মানুষ ও জিন খন্নাসের পক্ষ থেকে মানুষের ছুদূর বা অন্তরে অতি গোপনে খুবই সুক্ষèভাবে যে ওয়াসওয়াসা দেয়া হয়, সে ওয়াসওয়াসা থেকে তাদেরকে নিরাপদ রাখা বা পবিত্র করার জন্য। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন,
اِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّـخِذُوْهُ عَدُوًّا.
“নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। তোমরা তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ করো। ” (পবিত্র সূরা ফাত্বির শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৬)
অতএব, শত্রু বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ও ইলিম-হিকমত মুবারক হাছিল:
হযরত আবূ যুবাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত, একদা আমরা বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার ছোহবত মুবারকে উপস্থিত ছিলাম। বয়স মুবারকের কারণে উনার মুবারক দৃষ্টি শক্তি ও দাঁত মুবারক দূর্বল হয়ে গিয়েছিল। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজ আওলাদ সাইয়্ বাকি অংশ পড়ুন...












