৯৯ শতাংশ জিনের গঠন একরকম, তারপরও কেন মানুষকে দেখতে আলাদা লাগে?
, ২৫ জুমাদাল ঊখরা শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১০ সামিন, ১৩৯১ শামসী সন , ০৮ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ২৪ পৌষ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পাঁচ মিশালী
৯৯ শতাংশ জিনের গঠন একইরকম। মানুষের কোষের ভিতর রয়েছে নিউক্লিয়াস। সেই নিউক্লিয়াসের মধ্যে রয়েছে ডিএনএ। এই ডিএনএ-ই মূলত জিনের গঠন। ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে এটি দেখতে একইরকম। অথচ মানুষের উচ্চতা থেকে গলার আওয়াজ এমনকি চেহারা আলাদা আলাদা দেখা যায়। কারও চেহারার সঙ্গে কারও চেহারার ১০০ শতাংশ মিল থাকে না। এমনকি যমজ ভাই-বোনদের মধ্যেও কিছু না কিছু তফাৎ থেকেই যায়। কেন এমনটা হয় জানেন?
এর উত্তর আদতে লুকিয়ে রয়েছে বাকি ১ শতাংশ জিনের ১০ ভাগের এক ভাগে। ওইটুকু জিনের মধ্যেই রয়েছে চেহারা বদলের খতিয়ান। গলার আওয়াজ, উচ্চতা থেকে অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ওই জিন নিয়ন্ত্রণ করে।
সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এই গুপ্ত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে। এই প্রসঙ্গে তারা জিন বিশারদদের এঅটি বৈজ্ঞানিক হিসেবকে তুলে ধরে।
এক জিন বিশারদ জানিয়েছিলো, মানুষের শরীরে রয়েছে কম-বেশী ছয়শ’ কোটি জিনের বেস জোড়। এই বেস জোড়ের ১০০০ ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ৬০ লাখ জিন আলাদা রকম হতে পারে। ৬০ লাখ জিন জোড়ের এই সংখ্যাটা নেহায়েত কম নয়। মূলত এরাই আলাদা আলাদা দেখতে হয়। এদের মধ্যে বৈচিত্র্য আছে বলেই মানুষের চেহারায় বৈচিত্র্য আসে। মানুষকে আলাদা আলাদা দেখা যায়। এমনকি যমজদের মধ্যেও কিছু না কিছু তফাৎ থেকে যায়।
তাদের ২০০২ সালের তত্ত্ব অনুযায়ী, এই জিনের ভূমিকা একেকটা দেশে একেক রকম হতে পারে। জিন পুলের মাধ্যমে তা ব্যাখ্যা করে জিন বিশারদরা।
এই প্রসঙ্গে তারা গুপ্ত জেনেটিক রোগের কথাও তুলে আনে। তাদের কথায়, ভারতে এমন একটি পরিচিত জেনেটিক রোগ হলো, সিকল সেল অ্যানিমিয়া। এই ধরনের রক্তাল্পতার পিছনে বাবা-মায়ের জিনের গঠন দায়ী। শিশুর মধ্যে বংশানুক্রমে এই রোগ আসে। বিশেষ করে ভারতীয় আদিবাসীদের মধ্যে এই রোগ বেশি দেখা যায়। জি পুলের বৈশিষ্ট্যের কারণেই এই রোগের বাড়বাড়ন্ত হয়। একটু বুঝিয়ে বলা যাক। জিন বিশারদরা ‘গশার ডিজিজ’ নামে আরেকটি রোগের কথা বলে থাকে। এই রোগটি আশকেনাজি জিউস প্রজাতির মধ্যে বেশি হয়। সেই তুলনায় সাধারণ নাগরিকরা এই রোগে কম আক্রান্ত হয়। এর কারণ, রোগের পিছনে দায়ী জিনটি ওই আদিবাসীদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মঙ্গল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের জোরালো ইঙ্গিত পাওয়ার দাবি
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বজ্রপাত নিয়ে ১০ অদ্ভুত তথ্য, যা জানা জরুরি (১)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সূর্যের তাপে ভেঙে যাচ্ছে বিশাল গ্রহাণু, আকাশে দেখা যাবে উল্কাবৃষ্টি
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
গ্যালাক্সির কেন্দ্রে থাকতে পারে ডার্ক ম্যাটার
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১০ হাজার সূর্যের শক্তি ছড়াচ্ছে প্রথম শনাক্ত ব্ল্যাক হোল সিগনাস এক্স-১
০২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
লিরিড উল্কাবৃষ্টি: আকাশে ঝলমলে আলোর রেখা
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌরজগতেই থাকতে পারে রহস্যময় ‘পঞ্চম বল’
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রাকৃতিক কম্পাস ধ্রুবতারা: আকাশে এক ঝলকে খুঁজে নেওয়ার উপায়
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ডেটা কেবল দিয়ে চার্জের সময় তথ্য চুরি ঠেকাবে এই যন্ত্র
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সব ‘মুকুল’ থেকে আম হয় না কেন?
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মানুষের আয়ু হতে পারে ২০০ বছর, সূত্র মিললো তিমির প্রোটিনে
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভালো ঘুমের জন্য যা প্রয়োজন
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












