সারাদেশে চলছে ভুয়া প্রকল্প ও ভুয়া বিলের ছড়াছড়ি তথা সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে হাজার রকমের দুর্নীতি (৪৪১)
, ১৬ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৩ ছানী, ১৩৯১ শামসী সন , ০৩ জুলাই, ২০২৩ খ্রি:, ২১ আষাঢ়, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প
কৃষকের ভর্তুকিতে কার লাভ
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের ভর্তুকির সুবিধায় ভাগ বসাচ্ছে তিন চক্র। এই তিন চক্রে আছেন প্রকল্পের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, যন্ত্র সরবরাহকারী কিছু কোম্পানি এবং স্থানীয় দালালেরা। খোঁজ নিয়ে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। ভর্তুকির যন্ত্রের জন্য ঘুষ, প্রকৃত কৃষকদের বদলে অন্যদের যন্ত্র পাওয়া, যন্ত্র নষ্ট হলে কোম্পানিগুলোর বিক্রয়োত্তর সেবা না দেওয়া, এক যন্ত্র একাধিকবার বিক্রি করে একাধিকবার ভর্তুকি নেওয়াসহ নানা অভিযোগও উঠেছে এই প্রকল্পে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমইডির নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনেও প্রকল্পের বেশ কিছু অনিয়ম উঠে এসেছে। তবে প্রকল্প পরিচালক বলেছেন, অনিয়মের কোনো তথ্য তাদের জানা নেই। কিছু কোম্পানির অনিয়মের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কৃষিসচিব বলেন, ‘কিছু অভিযোগ বিচ্ছিন্নভাবে আমাদের কাছে এসেছে। আমরা তদন্ত করছি। সমস্যা নিরসনে প্রকল্পের কর্মকর্তাদের কিছু নির্দেশনাও দিয়েছি। আমরা চাই এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের কৃষিব্যবস্থার উন্নতি। ’
কৃষিকে লাভজনক, বাণিজ্যিকীকরণ ও আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে সরকার এই ‘সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্প নিয়েছে। ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পে উন্নয়ন সহায়তার (ভর্তুকি) মাধ্যমে কৃষকদের ১২ ধরনের ৫১ হাজার ৩০০টি কৃষিযন্ত্র দেওয়ার কথা। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকা। এই টাকা থেকে কৃষিযন্ত্র কেনার ক্ষেত্রে হাওর ও উপকূলীয় এলাকার কৃষকেরা ৭০ শতাংশ এবং অন্য সব এলাকার কৃষকেরা ৫০ শতাংশ ভর্তুকি পাবেন।
কৃষকেরা বলছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষক ভর্তুকির কৃষিযন্ত্র পাচ্ছে না। ঘুষ দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে যারা পাচ্ছেন, তারাও সমস্যায় পড়ছেন। যন্ত্র নষ্ট হলে কোম্পানি মেরামত করে দিচ্ছে না। যন্ত্রাংশের দাম রাখছে বেশি। যন্ত্রের দামও বেশি রাখার অভিযোগ আছে। আবার কেউ কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে যন্ত্র নিয়ে অন্যজনের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে কোম্পানি। আবার ভর্তুকি নিচ্ছে। কোম্পানিগুলোকে সহযোগিতা করছেন কিছু অসাধু কৃষি কর্মকর্তা।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে এবং খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কৃষকের যন্ত্রের ভর্তুকির সুবিধা পকেটে ঢোকাতে সক্রিয় তিন চক্রের একটিতে আছেন অসাধু কৃষি কর্মকর্তারা। আরেকটি চক্র হচ্ছে যন্ত্র সরবরাহকারী বিভিন্ন কোম্পানি। তৃতীয় চক্রে আছে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের দালাল। যারা মূলত ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাদের সুপারিশে উপজেলা কর্মকর্তারা কৃষকের নাম তালিকাভুক্ত করেন। ঘুষ হাতবদল হয় তাদের মাধ্যমে। অনেক সময় দালালেরা নিজেদের নামেই ভর্তুকিতে যন্ত্র কিনে বিক্রি করেন।
কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় ভর্তুকিতে চলতি বছরের শুরুর দিকে টি সিডার (পাওয়ার টিলারের সঙ্গে বীজ বপন যন্ত্র) কেনেন আমির হোসেন সাজু। তিনি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার পশ্চিম সোনাদিয়ার বাসিন্দা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি সরাসরি কৃষিকাজে জড়িত নন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মেহেদী হাসানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আমির পরে যন্ত্রটি বিক্রি করে দেন। তবে নিজেকে কৃষক দাবি করে আমির বলেন, ‘ট্রাক্টর পেয়েছি। যেভাবে বলছে সেভাবে দিয়েছি। কত টাকা ভর্তুকি দিয়েছে মনে নেই। ’
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল বাছেদ সবুজ বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে দু-একজন পেতে পারেন। তবে আমরা অবহিত না। ’কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার কৃষক আনিসুর রহমান অভিযোগ করেছেন যন্ত্রের দাম বেশি নেওয়ার। তিনি বলেন, ২০২০ সালের ডিসেম্বরে আবেদীন ইকুইপমেন্ট লিমিটেড থেকে বেশি দামে কেনা কম্বাইন হারভেস্টারের ইঞ্জিন তিন মাসেই নষ্ট হয়ে গেছে। চুক্তিতে কোম্পানির মেরামতের কথা থাকলেও দেয়নি। তাদের উপজেলায় ওই কোম্পানি পাঁচটি কৃষিযন্ত্র বিক্রি করেছে। এর তিনটি নিয়ে গিয়ে আবার অন্য কৃষকের কাছে বিক্রি করেছে। প্রকল্পের কর্মকর্তারা যন্ত্র ভালোভাবে যাচাই করেননি। মাঝখানে প্রতারণায় পড়েছেন কৃষকেরা।
গত ৩০ জুন প্রকাশিত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমইডির নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারিগরি কমিটির নির্দেশনা অমান্য করে বেশি দরে যন্ত্রপাতি কেনা এবং নতুন আসবাব মেরামত দেখিয়ে অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। বাজারদর যাচাই না করে উচ্চ দরে যন্ত্র কেনা, নিম্নমানের যন্ত্র সরবরাহ করা হলেও জরিমানা না করে অনিয়মিতভাবে বিল পরিশোধ, কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং বার্ষিক সীমার অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রকল্পটিতে উপকারভোগী শনাক্তকরণে সুনির্দিষ্ট মানদ-ের অভাব রয়েছে। কৃষক সঠিকভাবে যন্ত্র পাচ্ছেন কি না, তা মনিটরিং করা হচ্ছে না। কোম্পানিগুলো বিক্রয়োত্তর সেবা দিচ্ছে না। কম্বাইন হারভেস্টার বারবার নষ্ট হওয়ায় কৃষকের বিনিয়োগ করা টাকা না ওঠার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তালিকাভুক্ত না হওয়া অনেকে ভর্তুকিতে যন্ত্র সুবিধা পাচ্ছে। একই উপকারভোগীর একাধিকবার ভর্তুকিতে যন্ত্র পাওয়ার ঘটনাও রয়েছে।
২০২১ সালের নভেম্বরে ৫০ শতাংশ ভর্তুকিতে কম্বাইন হারভেস্টার কিনেছিলেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার কৃষক মেহেদী হাসান। তিনি জানান, যন্ত্রটি ধান ও গম কাটায় ব্যবহার করতেন। দুই মাস পর মেশিন নষ্ট হয়ে যায়। সরবরাহকারী কোম্পানি বিক্রয়োত্তর সেবা দেয়নি। কোম্পানিকে যন্ত্র মেরামত করে দিতে বললে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে যন্ত্র কিনে উল্টো যন্ত্রণায় পড়েছেন। মাঠে দালালদের চক্র, কোম্পানির চক্র।
পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, কৃষককে ভর্তুকির যন্ত্র দেওয়ার প্রলোভন দিচ্ছে কিছু প্রতারক। তারা এ বিষয়ে কৃষকদের সতর্ক করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ৩৪টি কোম্পানি এই প্রকল্পে আমদানি করা এবং দেশীয় যন্ত্র সরবরাহ করছে। এগুলোর মধ্যে ১৪টি কোম্পানি যন্ত্র আমদানি করে সরবরাহ করে। প্রকল্প প্রস্তাব অনুসারে, যন্ত্র সরবরাহের জন্য আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর আমদানি করা যন্ত্রের ওপর মাঠপর্যায়ে তিন বছরের অভিজ্ঞতা, ২০টি ডিলার পয়েন্ট, ১০টি ওয়ার্কশপ ও ২৫ জন মেকানিক থাকার শর্ত থাকলেও তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির সব কটি নেই। এনবিআরের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত কয়েকটি কোম্পানি ২০২০ সালের আগে কোনো কৃষিযন্ত্র আমদানি করেনি। এরপরও সেগুলো তালিকাভুক্ত হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, কৃষকদের সঙ্গে কোম্পানিগুলোর চুক্তিতে এক বছরের খুচরা যন্ত্রাংশের ওয়ারেন্টি এবং দুই বছর বিনা মূল্যে বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়ার উল্লেখ থাকলেও বেশির ভাগ কোম্পানি তা মানছে না। খুচরা যন্ত্রাংশ কৃষককে কিনতে হচ্ছে বেশি দামে এবং টাকা দিয়ে বিক্রয়োত্তর সেবা নিতে হচ্ছে।
এদিকে কৃষকের সঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার করা চুক্তিতে রয়েছে, তিন বছরের আগে ভর্তুকিতে কেনা যন্ত্র বিক্রি বা কোথাও হস্তান্তর করা যাবে না। তবে কৃষক কিস্তি না দেওয়ার অজুহাতে কোম্পানি যন্ত্র নিয়ে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।
আইএমইডির নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনে কোম্পানিগুলোর অনিয়ম নিয়ে বলা হয়েছে, ভর্তুকির কৃষিযন্ত্র দিতে অনেক কৃষকের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। কিন্তু যন্ত্র হস্তান্তরের অনুষ্ঠানের পর সরবরাহকারী কোম্পানি যন্ত্রটি তাদের শোরুমে ফেরত নিয়ে অন্য কোনো কৃষকের কাছে বিক্রি ও হস্তান্তর করেছে। তবে নির্বাচিত কৃষক যন্ত্র কিনতে রসিদমূলে যে টাকা দিয়েছিলেন, তা-ও সমীক্ষাকালীন পর্যন্ত ফেরত দেওয়া হয়নি।
প্রকল্পটিতে ত্রিমুখী সিন্ডিকেট কাজ করছে। প্রকৃত কৃষককে ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে, যারা প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার কথা নয়, তারাই পাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার যোগসাজশ না থাকলে এটা কোনোভাবে সম্ভব নয়। সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী যে তন্ত্রের উপর নির্ভর করে, যে প্রশাসনের উপর নির্ভর করে, যে আর্থ-সামাজিক আবহের উপর নির্ভর করে দুর্নীতি বন্ধ করতে চায় তাতে রয়েছে গলদ, অপূর্ণতা ও ভ্রান্তি।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যমীনে এবং পানিতে যা ফিতনা-ফাসাদ রয়েছে সবই মানুষের হাতের কামাই। ” অপরদিকে সবকিছুর সমাধান সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই এই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে আমি সবকিছু বর্ণনা করেছি। ”
অর্থাৎ কেবলমাত্র পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যস্থিত হুকুম-আহকাম মুতাবিক চললেই দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল সম্পূর্ণ সম্ভব। কিন্তু দেশের সরকার তা কবে বুঝবে? জনগণই বা কবে উপলব্ধি করবে? (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইহুদী-খ্রিষ্টান-হিন্দুরা কোন মুসলিম দেশ ধ্বংস ও দখল করার আগে সে দেশে তাদের অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দেয়। চলচ্চিত্র নামক বিধ্বর্মীদের জাহান্নামী সংস্কৃতির ফাঁদে মুসলিম উম্মাহ।
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
“বিশ্বের সব মুসলমান একটি দেহের ন্যায়”- এ হাদীছ শরীফের শিক্ষা মুসলমানেরা নেয়নি। কিন্তু কাফিররা এ হাদীছ শরীফের ফায়দা নিয়ে এত শক্তিশালী।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের দম্ভকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেবেন: ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে ইয়েমেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সবেমাত্র আগ্রাসী ইসরায়েলকে শাস্তি দেয়া শুরু করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে যুদ্ধ কখন শেষ হবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে পরাজিত করেছে: খামেনি ২ সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে পরাজিত করেছে ইরান
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বহুমুখী সমস্যায় পতিত দেশের আগর-আতর শিল্প পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আতর শিল্পে নেই আধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ সঙ্কট ও সমস্যা সমাধান করে আগর-আতর শিল্প থেকে ইনশাআল্লাহ রফতানি হতে পারে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট বলছে, ২০২৬ সালের প্রথম দেড় মাসে, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪৫ দিনে সরকার ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করে।
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুশরিক ভারতের প্রতি লা’নত ওদের জনসংখ্যা দিন দিন নিম্নমুখী পক্ষান্তরে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশ বাংলাদেশে খোদায়ী রহমত। (সুবহানাল্লাহ) বাংলাদেশে জনসংখ্যার এখন ৬৫ ভাগই কর্মক্ষম এবং জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার উর্ধ্বগামী বাংলাদেশ ভোগ করছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের নিয়ামত। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আফ্রিকার দৈত্য মুসলিম প্রধান দেশ- ‘নাইজেরিয়ায়’ আছে- ‘অফুরন্ত তেলের উৎস’ আছে- সবচেয়ে দামী খনিজ ‘লিথিয়াম’, ‘উচ্চ মানের লৌহ আকরিক’ সহ দুর্লভ সব খনিজ। বিশ্ব লুটেরা, হায়েনা, আমেরিকার- লোলুপ দৃষ্টি এখন ‘নাইজেরিয়ার’ উপর খ্রিস্টান নিধন চলছে এই মিথ্যা অজুহাতে- নাইজেরিয়া আক্রমনের ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্ব ডাকাত সর্দার- ট্রাম্প।
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী টালমাটাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












