মন্তব্য কলাম
সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার রোবে, দোয়ার বরকতে- কুদরতীভাবে কমে যাচ্ছে ডলারের আধিপত্য বাংলাদেশের রিজার্ভ ডলারে রাখা উচিৎ নয়- এতে লাভ আমেরিকার মুসলিম বিশ্বে অভিন্ন মুদ্রা ব্যবস্থা বিশেষত মূল্যহীন কাগজী মুদ্রা বাদ দিয়ে সুন্নতী দিনার-দিরহাম মুদ্রা চালু করা আবশ্যক ইনশাআল্লাহ (তৃতীয় পর্ব)
, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
ডলার অন্যসব দেশের কারেন্সির মতোই একটি ফিয়াট কারেন্সি যা কাগজের নোটের মাধ্যমে ব্যবহৃত এবং এই নোটের সাথে কোনো মূল্যবান স্বর্ণ-রৌপ্য ধাতুর বাস্তবে সম্পর্ক নেই। এ ক্ষেত্রে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক তাদের চাহিদামতো ডলার নামে এই ফিয়াট কারেন্সি ছাপিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
উল্লেখ্য, বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় মূলত ইউরোপে। ফলে ইউরোপের দেশগুলো যুদ্ধের খরচ মেটানোর জন্য তাদের স্বর্ণের মজুদের ভিত্তিতে যে পরিমাণ নোটের মুদ্রা ছাপানো সম্ভব ছিল তার চেয়ে অনেক বেশি ছাপিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে নিজেকে না জড়িয়ে কেবল ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে অস্ত্র ও যুদ্ধের রসদ বিক্রি করে মূলত স্বর্ণের বিনিময়ে। ফলে আমেরিকার অর্থনীতি যেমন সমৃদ্ধ হয় তেমনি বিশ্বের স্বর্ণের উল্লেøখযোগ্য অংশ আমেরিকায় জমা হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর স্বর্ণের ঘাটতির কারণে ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ তাদের স্বর্ণমান ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। ফলে তাদের মুদ্রা ফিয়াট কারেন্সিতে রূপান্তরিত হয়। তবে মার্কিন ডলার তখনো ফিয়াট কারেন্সিতে পরিণত হয়নি। ফলে ডলার স্বর্ণমান বা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড ধরে রাখায় আস্থা অর্জন করে এবং বিভিন্ন দেশ তাদের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবেও ডলার সঞ্চয় করতে থাকে। একপর্যায়ে ডলার গ্লোবাল কারেন্সি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। যুক্তরাষ্ট্র তখন তাদের রফতানি করার জিনিসপত্রের বিনিময়ে স্বর্ণ ছাড়া অন্য কোনো কিছু গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের মজুদ বাড়তে থাকে, বিপরীতে অন্য রাষ্ট্রগুলোর স্বর্ণের মজুদ কমতে থাকে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। যুদ্ধ হয় ইউরোপে, যুক্তরাষ্ট্রে নয়। শেষের দিকে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলেও যুক্তরাষ্ট্রের তেমন ক্ষতি হয়নি। অধিকন্তু তারা ইউরোপের কাছে অস্ত্র বিক্রয় করে স্বর্ণের বিনিময়ে। এই সময় যুক্তরাষ্ট্র তার রফতানিকৃত পণ্যের বিনিময়ে স্বর্ণ ছাড়া অন্য কোনো কিছু গ্রহণ করেনি। এই নীতির কারণে ১৯৪৭ সালে বিশ্বের মোট মজুদকৃত স্বর্ণের ৭০ শতাংশই ছিল আমেরিকার হাতে। যুদ্ধপরবর্তী অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখার জন্য ১৯৪৪ সালে মিত্রপক্ষের ৪৪টি সদস্য রাষ্ট্রের সাথে যুক্তরাষ্ট্র ব্রেটন উডস চুক্তি করে এবং এই চুক্তির মাধ্যমেই স্বর্ণকে পাশ কাটিয়ে মার্কিন ডলারকে আনুষ্ঠানিকভাবে রিজার্ভ কারেন্সি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন ঘোষণা করে, মার্কিন ডলারের সাথে স্বর্ণের কোনো সংযোগ থাকবে না, যা নিক্সন-শক নামে পরিচিত। সে আরো ঘোষণা করে, এখন থেকে আর কোনো দেশ চাইলেই নির্দিষ্ট মূল্যে মার্কিন ডলারের বিনিময়ে স্বর্ণ কিনতে পারবে না। তার মানে মার্কিন ডলারও তখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রাগুলোর মতো ফিয়াট কারেন্সিতে পরিণত হয়। অধিকন্তু, বিশ্বজুড়ে আমেরিকান ডলারের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে ও চাহিদা বাড়ানোর জন্য ১৯৭৪ সালে সৌদি আরবের বাদশা ফয়সালও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সনের সাথে একটি চুক্তি করে, পেট্রল কেবল ডলারের বিনিময়ে ক্রয় করতে হবে। পরে ওপেকও এই নিয়ম মানতে বাধ্য হয়। বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণকারী একক মুদ্রা হিসেবে ডলারকে প্রতিষ্ঠিত করার ও টিকিয়ে রাখার মহৌষধ ছিল ডলারকে পেট্রোডলারে রূপ দিতে পারা। এরপর যত দেশ ডলার থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করেছে তত দেশকেই বল প্রয়োগ করে যুক্তরাষ্ট্র ডলারে থাকতে বাধ্য করছে; এভাবেই একটি দেশের ফিয়াট কারেন্সি এখন বিশ্বমুদ্রা।
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনীতির, ততোধিক প্রভাবশালী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ নীতি সুদহার বাড়িয়ে চলেছে। কিন্তু বিশ্বায়নের যুগে তার প্রভাব শুধু সে দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, সেই প্রভাব গড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের প্রায় সর্বত্র। ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) ব্যাংক অনুসরণে অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে এবং অনিয়ন্ত্রিত ডলারের প্রভাবে অন্যান্য দেশের মুদ্রার অবনমন এখন বাস্তবতা। ফলে অনেকেই বলছেন, এখন যে বিশ্বজুড়ে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে, তা মূলত ডলারবাহিত মূল্যস্ফীতি। ফেডের সুদের হার বৃদ্ধির প্রভাব অন্যান্য দেশেও পড়ছে। কারণ, ওই সব দেশ মনে করে, তারা যদি ফেডের পেছনে পড়ে যায়, তাহলে বিনিয়োগকারীরা তাদের দেশ থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিতে পারে, আর তাতে মহাবিপদ। সুদের হার বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন ডলার সে দেশেই জমা রাখা লাভজনক ও নিরাপদ। ফলে ভারতের মতো বিশ্বের অনেক দেশের বাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নেয়ার ঢল পড়েছে। ফেডের অনুসরণে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড, সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, নরওয়ে, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তাইওয়ান, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, ভারত ও বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার বৃদ্ধি করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবারসহ এ বছর সব মিলিয়ে তিনবার নীতি সুদহার বৃদ্ধি করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল রিজার্ভের কারুকার্য অন্যান্য দেশের জন্য রীতিমতো শাস্তিমূলক হয়ে উঠেছে। ফেডের এ নীতি সুদ বৃদ্ধির হিড়িকে জাপানের মতো দেশও স¤প্রতি ইয়েনের দর বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়েছে যা গত ২৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। উল্লেøখ্য, জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিশ্বের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে ব্যতিক্রম ছিল, তারা এত দিন নীতি সুদহার বৃদ্ধি করেনি। অথচ তারাও শেষমেশ তা করতে বাধ্য হলো।
এ পরিস্থিতিকে অনেক অর্থনীতিবিদ বিনা অপরাধে শাস্তির কথা বলেছেন এবং আরো বলছেন- এ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য যথাযথ নীতি প্রয়োজন, কোনো ধরনের ব্যত্যয় হলে তার জন্য শাস্তি পেতে হবে। ডলারের এই কা-কীর্তি শুরু হয় ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই। করোনা মহামারী মোকাবেলায় আমেরিকান সরকার সে দেশের জনগণকে বিপুল প্রণোদনা দিয়েছে। এ অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে তারা যেমন একদিকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, তেমনি সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ বিপুল মুদ্রা ছেপেছে। আর সেই ডলারের হাত ধরে মূল্যস্ফীতি দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্লোবাল টাইমসের মতে, এবারের বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি মূলত ডলারবাহিত মূল্যস্ফীতি। ডলারের কারুকার্য বলতে মূলত ডলারের অতি মুদ্রণ প্রথমত দায়ী। অর্থাৎ ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার আগের কয়েক দশকের তুলনায় অনেকগুণ বেশি ডলার ছেপেছে। সূত্র মতে, ১৮ ট্রিলিয়ন বা ১৮ লাখ কোটি ডলার করোনার প্রভাব মোকাবেলার জন্য ছাপিয়েছে। এই অতিরিক্ত ডলারের কারণে সারা পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছে মুদ্রাস্ফীতি। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, বিশ্বে অস্ত্রের যুদ্ধ যতটা না ভয়ানক তার চেয়ে ভয়ানক মুদ্রার যুদ্ধ। এমনকি অস্ত্রের যুদ্ধও বাধে অথবা বাধায় মূলত মুদ্রার মান রক্ষা তথা অর্থনৈতিক কারণে। অভিযোগ রয়েছে, ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধও আমেরিকার পরিকল্পিতভাবে বাধানো। এই যুদ্ধ বাধিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার অভ্যন্তরীণ বাজারের মূল্যস্ফীতি বিদেশে রফতানি করেছে। কোভিড যুক্তরাষ্ট্রকে এই সুযোগ করে দিয়েছে। মন্দার কারণে গরিব দেশগুলোর রফতানি আয়, রেমিট্যান্স কমে গিয়ে তাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে ডলারের চাহিদা সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি আমদানি প্রবাহ ঠিক রয়েছে; এমনকি একভাবে বেড়েছে মূলত পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে। ফলে রিজার্ভে ঘাটতি দেখা দিয়ে শ্রীলঙ্কা, লেবানন এখন দেউলিয়া; পাকিস্তান ও বাংলাদেশও একই পথে হাঁটছে।
বর্তমান সুদের হার কমানোর মতো, ২০০৭-০৮ সালের আর্থিক সঙ্কটের আগেও যুক্তরাষ্ট্র সুদহার কমানোর নীতি গ্রহণ করেছিল। তার পরিণতিতে বন্ধকি ঋণের সঙ্কটে পড়ে তারা। কিন্তু সে দেশের নীতিপ্রণেতারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি বলেই অভিযোগ করছেন বিশ্লেষকরা। একইভাবে এবারো কোভিড-১৯ ধকল কাটিয়ে উঠতে নীতি সুদহার কম রাখা হয়েছে দীর্ঘদিন। শুধু তা-ই নয়, ফেডারেল রিজার্ভ ট্রেজারি বন্ডসহ অন্যান্য সিকিউরিটিজ-সমর্থিত সম্পদ কিনেছে। এর মধ্য দিয়ে তারা বাজারে বিপুল নগদ অর্থ সরবরাহ করেছে।
মুদ্রাস্ফীতি কমানোর একটি বিশ্বব্যাপী বহুল প্রচলিত টেকনিক ছিল, সুদের হার বাড়ানো। তবে বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের যে ধারণা এতদিন বিশ্বব্যাপী প্রচলিত ছিল, তা ইতোমধ্যে ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। নীতি সুদের হার বাড়িয়েও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সামান্যতম সাফল্য মিলছে না; বরং এতে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি বিশ্বব্যাপী অর্থনীতিবিদদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকও একই সুরে কথা বলেছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যেভাবে একযোগে সুদের হার বাড়াচ্ছে, তা গত পাঁচ দশকে আর দেখা যায়নি। এ প্রবণতা আগামী বছরও থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে; বরং সরবরাহব্যবস্থা গতিশীল করা এবং ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নিরসনেই বেশি গুরুত্ব দেয়ার পক্ষপাতী তারা।
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৭১ এ তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধীতার নামে। তবে তারা ২০২৬- এ আমেরিকার আধিপত্যবাদী বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতায় নামছে না কেন? ভারত বাংলাদেশ চুক্তিকে তারা গোলামীর চুক্তি বলে কঠিন আওয়াজ তুলেছিলো!
১৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানদের পবিত্র কুরবানী আয়োজনে নগর ব্যবস্থাপনা সমন্বয়ের অভাব কোথায়? পশু কুরবানির হাট বসানোর অবৈধ তকমার আড়ালে এক নীরব সংকট!
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কাফির মুশরিকদের এজেন্টরা চাচ্ছে ছলে বলে কৌশলে এদেশের মুসলমানদেরকে হারাম শুকরের গোশত, হিমায়িত গোশত খাওয়াতে। এদের এজেন্ট রয়েছে মন্ত্রনালয়ে, ব্যবসায়ীদের মাঝে এমনকী হোটেল- রেস্তোরা মালিকদের মাঝেও। সবার আগে বাংলাদেশ দাবীদার সরকার- কোনোমতেই গোশত আমদানীর অনুমতি দিয়ে দেশীয় খামার ও খামারীদের ধ্বংস করতে পারে না।
১৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কয়লা খনি আবিষ্কারের ছয় দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রধান সংকট বিরাজ করছে সিদ্ধান্তহীনতায়। অহেতুক বিতর্কে সময় যাচ্ছে। সরকার প্রধানকেই সর্বাগ্রে কয়লা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












