ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
দুনিয়াদার ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে-‘সূ’দের হাক্বীকত সম্পর্কে (৭৮)
, ২৩শে জুমাদাল ঊলা শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৯ সাদিস, ১৩৯২ শামসী সন , ২৬ নভেম্বর, ২০২৪ খ্রি:, ১১ অগ্রহায়ণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
মহান আল্লাহ পাক তিনি জবাবে বলতেছেন-
اَوَلَمْ يَعْلَمْ اَنَّ اللّٰـهَ قَدْ أَهْلَكَ مِن قَبْلِه مِنَ الْقُرُوْنِ مَنْ هُوَ اَشَدُّ مِنْهُ قُوَّةً وَأَكْثَرُ جَمْعًا ۚ وَلَا يُسْأَلُ عَن ذُنُوبِهِمُ الْمُجْرِمُونَএই ক্বারূন যেহেতু সে পবিত্র তাওরাত শরীফ পাঠ শিখেছিলো, উনার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সে শিখেছিলো, মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে। সেটাই মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَوَلَمْ يَعْلَمْ اَنَّ اللّٰـهَ قَدْ أَهْلَكَ مِن قَبْلِه مِنَ الْقُرُوْنِ
সে কি জানে না? নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তার পূর্বে অনেক ক্বওমকে বা অনেক সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছেন।
مَنْ هُوَ اَشَدُّ مِنْهُ قُوَّةً
যারা তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিলো।
وَأَكْثَرُ جَمْعًا ۚ
এবং তাদের অনেক সম্পদ ছিলো। যা তারা জমা করেছিলো। তাদেরকেও ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।
وَلَا يُسْأَلُ عَن ذُنُوبِهِمُ الْمُجْرِمُونَ
এ সমস্ত বিষয় যারা ফাসিক-ফুজ্জার, গুনাহগার তাদেরকে জিজ্ঞেস করতে হবে না। এদের অপরাধের জন্য তারা অবশ্যই শাস্তি ভোগ করবেই। কিন্তু তারপরও ক্বারূন কিন্তু সে উলামায়ে ‘সূ’দের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছে। যার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নবী এবং রসূল হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে সে চূ-চেরা করতে থাকলো। তাকে ফখর করতে নিষেধ করা হলো। কিন্তু সে তার সম্পদের কারণে ফখর প্রকাশ করতে থাকলো, দাম্ভিকতা প্রকাশ করতে থাকলো। যেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন-
فَخَرَجَ عَلٰى قَوْمِه فِى زِينَتِه
সে অর্থাৎ ক্বারূন তার ক্বওমের সামনে তার সমস্ত স্বর্ণ-চান্দি, যত ধন সম্পদ ছিলো সেগুলো নিয়ে তার দল-বলসহ মানুষের সামনে দিয়ে ঘুরে বেড়াতো। সেটা দেখার কারণে মানুষের মধ্যে দুটি তাছীর পড়েছিলো।
قَالَ الَّذِينَ يُرِيْدُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا يَا لَيْتَ
এক শ্রেণী যারা দুনিয়া তালাশ করতো অর্থাৎ যারা দুনিয়ার সম্পদ তালাশ করতো তারা বলতো হায় আফসুস!
لَنَا مِثْلَ مَا أُوتِيَ قَارُونُ اِنَّه لَذُوْ حَظٍّ عَظِيْمٍ
ক্বারূনকে যেমন সম্পদ দেয়া হয়েছে, আমাদেরকেও যদি সেরকম সম্পদ দেয়া হতো, তারা যদি সেটা লাভ করতে পারতো। তারা এজন্য হায়-হুতাশ করতো। নিশ্চয়ই ক্বারূন সম্পদের বড় অংশ লাভ করেছে।
وَقَالَ الَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ وَيْلَكُمْ
আর যারা আল্লাহওয়ালা ছিলেন, আলিম ছিলেন, ফক্বীহ ছিলেন উনারা কি বললেন, উনারা বললেন, আফসুস তোমাদের জন্য
ثَوَابُ اللّٰـهِ خَيْرٌ لِّمَنْ اٰمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا
মহান আল্লাহ পাক উনার যে বিনিময়, মহান আল্লাহ পাক উনার যে দান, দয়া, ইহসান যারা ঈমান এনেছেন আমলে ছালিহ করেছেন উনাদের জন্য। সেটাই উত্তম।
وَلَا يُلَقَّاهَا اِلَّا الصَّابِرُونَ
মহান আল্লাহ পাক উনার নিয়ামত ধৈর্যশীল ছাড়া কেউ সেটা লাভ করতে পারবে না। যারা ধৈর্যধারণ করবে, মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত হওয়ার জন্য, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হওয়ার জন্য, তারাই শুধু সেই সমস্ত নিয়ামত লাভ করতে পারবে। এখন যারা দ্বীনদার পরহেযগার ছিলেন তারাতো মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি রুজু হয়ে গেলেন। কিন্তু যারা দুনিয়াদার ছিলো, দুনিয়া তালাশী ছিল তারা উলামায়ে ‘সূ’দের দিকে রুজু হয়। যেমন ক্বারূনের দিকে রুজু হয়ে গেলো।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাবের ফতওয়া অনুযায়ী- কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টপাস, ঝিনুক, শামুক, কেঁচো, কুঁচিয়া, স্কুইড, সামুদ্রিক প্রাণী শাপলা পাতা, সাপ, মেছোবাঘ (উদ) খাওয়া সম্পূর্ণরূপে হারাম ও নাজায়িয
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পুরুষের জন্য কমপক্ষে একমুষ্ঠি পরিমাণ দাড়ি রাখা ফরয
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য, ম্যানিকিন ও ছবি নাজায়িয ও হারাম
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, খলীফাতুল উমাম, সাইয়্যিদুনা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনার রচিত এক অনবদ্য তাজদীদ মুবারক ‘আত-তাক্বউয়ীমুশ শামসী’- যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ইসলামী সৌর বর্ষপঞ্জি
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড এর পরিচিতি এবং উদ্দেশ্য (৮)
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
অসংখ্য হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত- প্রাণীর ছবি হারাম
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুজাদ্দিদে আ’যমে ছানী, খলীফাতুল উমাম, সাইয়্যিদুনা হযরত আল মানছূর আলাইহিস সালাম উনার রচিত এক অনবদ্য তাজদীদ মুবারক ‘আত-তাক্বউয়ীমুশ শামসী’- যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম ইসলামী সৌর বর্ষপঞ্জি
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড এর পরিচিতি এবং উদ্দেশ্য (৮)
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৭)
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












